আসসালামু আলাইকুম।
১/ আমি রিয়া সম্পর্কে মোটামুটি জানি। আর চাইও যাতে কোন কাজেরিয়া না হোক। তবুও মাঝে মাঝে যদি কোনো ভালো কাজ করতে যাই, বা করি। তখন মনে হয় মানুষ ভালো বলবে এতে! এ সম্পর্কে জানতে গিয়ে দেখলাম i fatwa তে উত্তর দেওয়া হয়েছে :
"তবে যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই মূল উদ্দেশ্য থাকে,এবং লোকজন ভাল বলবে,সেই আমলের দুনিয়াবী ফয়দা বিবেচনা করা হয়,তাহলে এমন নিয়ত আল্লাহর সাথে শরীক করা হয় না এবং লোক দেখানোও হয় না।"
উক্ত কথাটুকু যদি একটু ভেঙ্গে বলতেন তাহলে মুনাফিক হয়।
২/ রিয়া থেকে বাঁচতে কি কি আমল করা যেতে পারে?
৩/ ফরজ নামাজের পর বসে থাকা অবস্থা থেকে আবার ১ টা সেজদা দিয়ে ' ইয়া রাব্বিগফিরলি ' বলা, এবং আবার সেজদার জায়গায় ডান হাত রেখে ১১ বার 'ইয়া কাবিয়্যু ' বলা কি শরীয়ত সম্মত?
৪ / আমাদের কলেজ থেকে অনেক সময় ফুল না বলে নিয়ে আসতাম। এতে কি হক নষ্ট হয়?কলেজে গিয়ে কারো কাছে ক্ষমা কার কাছে চাইবো জানি না। এক্ষেত্রে কি করনীয়?
৫/ মাযুর নই। তবে বেশির ভাগ সময়ই সাদাস্রাব হয়। প্রতিবার কাপড় চেঞ্জ করা সহজসাধ্য নয়। তাহলে কি এক কাপড়েই নামাজ পড়া যাবে?
৬/ আমি রোজা রাখলে আমার মুখে অনেক থুতু হয় যার কারণে আমি এক বসায় এক পৃষ্ঠা কোরআন তেলাওয়াত করতে পারি না, আর নামাজ ও পড়তে পারি না যার জন্য নামাজের কেরাত মনে মনে পড়ি (জীহ্বা ও নড়াই না) ।এ অবস্থায় আমার নামাজ কি হবে? আমি কোনোভাবেই এই সমস্যার সমাধান পাচ্ছি না।
৭/ মেয়েদের কি বিয়ে করা ফরজ? যখন সবাই আধুনিক পর্দাওয়ালা মেয়ে খুঁজে, যারা বাহিরে বোরকা পড়ে বের হবে কিন্তু বাসায় যত ননমাহরাম থাকুক না কেন সবার সাথে দেখা করতে হবে। আল্লাহ তাআলা তো পর্দাকে ফরজ করেছে, তাই জানতে চাচ্ছি যদি বিয়ে আর পর্দা সাংঘর্ষিক হয় তাহলে কি প্রাধান্য পাবে, বিয়ে নাকি পর্দা? সত্যিই বর্তমানে বিয়ের আগে পর্দা করা যেন চারপাশের সবার সাথে এক যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া
জাযাকাল্লাহ খইরন।