বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ثُمَّ يَقْرَأُ سُورَةَ الْفَاتِحَةِ وَآيَةَ الْكُرْسِيِّ ثُمَّ يَقْرَأُ سُورَةَ {إِذَا زُلْزِلَتِ} [الزلزلة: ١] وَأَلْهَاكُمْ التَّكَاثُرُ كَذَا فِي الْغَرَائِبِ.
অতঃপর সূরায়ে ফাতেহা এবং আয়াতে কুরসি পড়বে।এবং সূরায়ে যিলযাল ও সূরায়ে তাকাছুর পড়বে।(গারাঈব)
وَحُكِيَ عَنْ الشَّيْخِ الْإِمَامِ الْجَلِيلِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ - رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى - أَنَّ قِرَاءَةَ الْقُرْآنِ فِي الْمَقَابِرِ إذَا أَخْفَى وَلَمْ يَجْهَرْ لَا تُكْرَهُ وَلَا بَأْسَ بِهَا إنَّمَا يُكْرَهُ قِرَاءَةُ الْقُرْآنِ فِي الْمَقْبَرَةِ جَهْرًا أَمَّا الْمُخَافَتَةُ فَلَا بَأْسَ بِهَا وَإِنْ خَتَمَ، وَكَانَ الصَّدْرُ أَبُو إِسْحَاقَ الْحَافِظُ يَحْكِي عَنْ أُسْتَاذِهِ أَبِي بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إبْرَاهِيمَ - رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى - لَا بَأْسَ أَنْ يَقْرَأَ عَلَى الْمَقَابِرِ سُورَةَ الْمُلْكِ سَوَاءٌ أَخْفَى أَوْ جَهَرَ وَأَمَّا غَيْرُهَا فَإِنَّهُ لَا يَقْرَأُ فِي الْمَقَابِرِ وَلَمْ يُفَرِّقْ بَيْنَ الْجَهْرِ وَالْخُفْيَةِ كَذَا فِي الذَّخِيرَةِ فِي فَصْلِ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ
আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ফযল রাহ, থেকে বর্ণিত,তিনি মনে করেন,কবরস্থানে নিম্নস্বরে কুরআন তেলাওয়াত করতে কোনো সমস্যা নেই এমনকি সারা কুরআনও তেলাওয়াত করা যাবে।তবে উচ্ছস্বরে মাকরুহ।
এবং আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম রাহ, থেকে বর্ণিত,তিনি মনে করেন,
উচ্ছস্বরে হোক বা নিম্নস্বরে সকল পদ্ধতিতে সূরা মূলক কবরস্থানে তেলাওয়াত করা যাবে।এতে কোনো অসুবিধা নেই।
আর সূরা মূলক ব্যতীত বাদবাকি কুরআন কবরস্থানে তেলাওয়াত না করাই ভালো।এক্ষেত্রে তিনি উচ্ছস্বর-নিম্নস্বর এর কোনো পার্থক্য করেন না। (যাখিরাহ)
ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-৫/৩৫০
যিয়ারতের বেলায় ছোটবড়র কোনো বেদাবেদ নেই।সবাই একি নিয়মে যিয়ারত করবে।
দু'আর মুস্তাহাব হল,দু হাত তুলে দু'আ করা এবং দু'আ শেষে চেহারায় হাতদ্বয় কে বুলিয়ে দেয়া তথা চেহারায় হাত মুছা।
বিঃদ্রঃ
যিয়ারত অর্থ সাক্ষাৎ, কবর যিয়রত অর্থ কবরে শায়িত ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ।
সুতরাং তা বাড়িতে বা মসজিদে বসে হবে কিভাবে।
হ্যা বাড়িতে বা মসজিদে বসে বিভিন্ন দু'আ-দুরুদ পড়ে ঈসালে সওয়াব(সওয়াব পৌছিয়ে দেয়া) করা যাবে।
বাবাকে স্বপ্নে দেখার মধ্যে কোনো মাহাত্ম্য নেই বরং আপনি তার জন্য ঈসালে সওয়াব করেন।