আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
123 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (10 points)

আসসালামু আলাইকুম হুজুর

আমি আর পারছিনা।অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে পরিশুদ্ধ করতে পারছিনা।আল্লাহ কি আমাকে আদৌ মাফ করবেন।আমি জীবনে অনেক পাপ করেছি,অনেক তওবা করেছি কিন্তু বারবার গুনাহ হয়েই যাচ্ছে।।

বিষয়টা ভালোভাবে বললে হয়তো বুজতে পারবেন।।আমি নফসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে কেমন করে জানি হেরে যায়,শয়তান কেমন করে জানি আমাকে দিয়ে পাপ করিয়েই ফেলে।আমি খুব কষ্ট পাই,কিছুই বুজতে পারিনা এত চেষ্টার পরেও শয়তান কীভাবে আমাকে দিয়ে কাজটা করিয়ে ফেললো।আমি অনেকদিন আগে থেকেই পর্নোগ্রাফি+হস্তমৈথুন বাদ দিয়েছিলাম।।বহুদিন এগুলো থেকে দূরে ছিলাম।ধরেই নিয়েছিলাম হয়তো আমি সুস্থ হয়ে গেছি,শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে মুক্তি পেয়ে গেছি।কিন্তু কীভাবে, কি করে জানি হঠাৎ করেই আজকে আবার পর্নোগ্রাফি দেখে ফেলি,হস্তমৈথুন করে ফেলি।কিছুই বুজতে পারলামনা,আমিতো অনেক আগেই শুদ্ধ হয়ে গেছিলাম কিন্তু এই কাজটা হঠাৎ করে কীভাবে করলাম।আমি শয়তানের চক্রান্তের কাছে হেরে গেলাম।।শত চেষ্টা করার পরেও বেশ কয়েকদিন নফসের সাথে লড়াই করতে করতে হেরে গেলাম।আমি এখন কি করবো হুজুর।আমার মনে এখনো ভয় কাজ করতেছে, যদি শয়তান আবারো কোনোদিন পাপ কাজ করিয়ে ফেলে।।।আমিতো নিজেকে শুদ্ধ রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি,কিন্তু কীভাবে যে পাপের সমুদ্রে ডুবে যায় বুজতেও পারিনা।।এত এত তওবা করতেছি,, আল্লাহ কি মাফ করবেন আমাকে??আমার  অন্তরে কি মোহর পড়ে গেছে???আমি পাপ থেকে বাঁচতে চাই,কিছুদিন ভালো থাকার পরে আবার কীভাবে যে পাপ করে ফেলি বুজতেও পারিনা??? ভবিষ্যৎ দিন নিয়ে খুব ভয় কাজ করতেছে,,,,,শয়তান আবার কখন পাপের ভিতর ডুবিয়ে দেয়,,,,আমিতো ঠিকই থাকি কিন্তু হঠাৎ পাপ কীভাবে করে ফেলি বুজিনা।।।হুজুর দয়া করে পরামর্শ দিবেন।।আমি বাঁচতে চাই।।।কীভাবে আমল করলে শয়তান আর আমাতে ধোঁকা দিতে পারবেনা

1 Answer

0 votes
by (763,590 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ- 

قُلْ يَا عِبادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلى أَنْفُسِهِمْ لا تَقْنَطُوا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعاً إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

‘বলে দাও, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর সীমালংঘন করেছে, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল পাপ ক্ষমা করেন। তিনি তো অতি ক্ষমাশীল বড় মেহেরবান।’
 (সূরা যুমার : ৫৩)
,
وَالَّذِينَ إِذا فَعَلُوا فاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَنْ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ اللَّهُ

‘এবং তারা সেই সকল লোক, যারা কখনও কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেললে বা (অন্য কোনওভাবে) নিজেদের প্রতি জুলুম করলে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তার ফলশ্রুতিতে নিজেদের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে- আর আল্লাহ ছাড়া আর কেইবা আছে, যে গুনাহ ক্ষমা করতে পারে? ’ (সূরা আলে ইমরান : ১৩৬)

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
আপনি হতাশ হবেন না, কোনক্রমেই ভেঙ্গে পড়বেন না আল্লাহ তায়ালা আপনার অন্তরে মোহর মেরে দিয়েছেন, এমন ভাবনা অন্তরে নিয়ে আসবেন না।

আপনি খালেস দিলে তো তওবা করে ফিরে আসুন, ইনশাআল্লাহ আল্লাহ তায়ালা আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন।

আরো জানুনঃ- 

প্রথমেই পরামর্শ থাকবে আপনি দ্রুত বিবাহ করে ফেলুন।

https://ifatwa.info/9968 নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- 
নিয়মিত নামায আদায় করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে মুনাজাত করে, তাঁকে স্মরণ করে, তাঁর কিতাব তেলাওয়াত করে স্বাদ অনুভব করতে হবে। 

আল্লাহ্ তাআলা বলেন,

اتْلُ مَا أُوحِيَ إِلَيْكَ مِنَ الْكِتَابِ وَأَقِمِ الصَّلَاةَ إِنَّ الصَّلَاةَ تَنْهَى عَنِ الْفَحْشَاء وَالْمُنكَرِ وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ

আপনি আপনার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব পাঠ করুন এবং নামায কায়েম করুন। নিশ্চয় নামায অশ্লীল ও গর্হিত কার্য থেকে বিরত রাখে। আল্লাহর স্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ জানেন তোমরা যা কর। (সূরা আনকাবুত ৪৫)

একবার সাহাবারা রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলল, অমুক সাহাবী বিভিন্ন ধরনের খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়েছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ জিজ্ঞেস করলেন, সে কি এখনো নামাজ পড়ে? সবাই বলল, হ্যাঁ, পড়ে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, সে যদি নামাজ পড়তে থাকে তাহলে নামাজ তাকে অবশ্যই একদিন খারাপ কাজ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে। (মুসনাদে আহমাদ ২/৪৪৭)
,
★বেশি বেশি যিকির করতে হবে।
★মাঝে মাঝেই দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনতে সময় লাগাতে পারেন।
★বেশির ভাগ সময় মসজিদে কাটানোর চেষ্টা করুন।
★নিজের ভিতর থেকে হতাশা সম্পূর্ন ভাবে দূর করে দিন। আলোর পথে আসুন।
★নিজ মহল্লার মসজিদের ইমাম সাহেব,মুয়াজ্জিন সাহেব থেকে সাজেশন নেওয়ার চেষ্টা করুন।
তাদেত সাথে ফ্রি হয়ে কিভাবে আমলের পথে চলা যায়,সেটা জানুন।
,
তাদেত সাথেই বেশিরভাগ সময় কাটানোর চেষ্টা করুন।   
★অসৎ সাথীদেত সাথে ঘুরাফেরা বন্ধ করুন।
,
★যেই জায়গা,যেই কাজ করলেই ঐ বিষয় গুলো মাথায় আসে,সেই জায়গায় যাওয়া সেই কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
,   
★হক্কানী শায়েখদের কাছে যান,তাদের দেওয়া সবক আদায় করতে পারেন।

★কোনোভাবেই একাকী থাকা যাবেনা।
কিভাবে কাহারো সাথে থাকা যায়,সেই ব্যবস্থা করুন।
 
বিশেষ করে একাকী রাত কোনোভাবেই কাটানো যাবেনা। 
আপনার রুমে অন্য কাহারো থাকা নিশ্চিত করুন।
প্রয়োজন মেসে থাকতে পারেন।  
হাদিসে এসেছে নবী ﷺ কোন পুরুষকে একাকী রাত কাটাতে নিষেধ করেছেন। (মুসনাদে আহমাদ ২/৯১)

ঘুমানোর সময় ইসলামী আদবগুলো মেনে চলতে হবে। যেমন ঘুমানোর দোয়াগুলো পড়া, ডান পার্শ্বে কাত হয়ে শোয়া, পেটের উপর ভর দিয়ে না-ঘুমানো; যেহেতু এ সম্পর্কে নবী ﷺ-এর নিষেধ আছে।

★কাছে মোবাইল বা কম্পিউটার  রাখা যাবেনা,সেটি অন্য ঘরে রেখে আসতে হবে।

যথাসম্ভব মাগরিবের পর থেকেই মোবাইল থেকে দূরে থাকতে হবে।
,
★রাতে খাবার খাওয়ার কমপক্ষে  এক দেড় ঘন্টা পর বিছানায় যাবেন।
,
★অনৈসলামিক কোনোকিছুই মোবাইল,কম্পিউটারে রাখা যাবেনা।
,
★নেটে এজাতীয় সাইটে কোনোভাবেই যাওয়া যাবেনা।   

★পাশাপাশি নবী নবী ﷺ-এর নির্দেশিত প্রতিকার পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। সেটা হচ্ছে– রোযা রাখা। কেননা রোযা যৌন চাহিদাকে পরিশীলিত করে।

হস্তমৈথুন কারীরা অনেকে সাহস না পাওয়ার কারনে বিবাহ করতে ভয় পায়,আসলে তাদের অনেকেই বিবাহ করতে পারবে,তবে ভয় পাওয়া আর হাতুরি ডাক্টারদের কথা শুনে বিবাহের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ফেলে।
আমি বলবো যে এক্ষেত্রে বিবাহই করতে হবে।

যদি শতচেষ্টার পর কোনো কারণে বিয়ে করা অসম্ভব হয়,তাহলে যৌনক্ষমতাকে দমিয়ে রাখতে এক্ষেত্রে রোযা রাখাই নির্দিষ্ট। 

রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,

(يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ ، مَنْ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ ، فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ ، وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ ، وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ)

হে যুবকদের দল! তোমাদের মধ্যে যারা সামর্থবান,তারা যেন বিয়ে করে নেয়।কেননা বিয়ে চক্ষুকে নিচু রাখে এবং লজ্জাস্থানকে হেফাজত করে।আর যাদের বিয়ের সামর্থ্য নেই তারা যেন রোযা রাখে।কেননা রোযা ঢাল স্বরূপ।(সহীহ বোখারী-১৯০৫,সহীহ মুসলিম-১৪০০)

সুতরাং মাঝে মাঝে নফল রোজা রাখতে হবে। 
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, 

يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ ، مَنِ اسْتَطَاعَ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ ، ، وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ
হে যুবক সম্প্রদায় ! তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহ করার সামর্থ্য রাখে, তারা যেন বিবাহ করে। কেননা, বিবাহ তার দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং যৌনতাকে সংযমী করে এবং যাদের বিবাহ করার সামর্থ্য নাই, সে যেন রোযা পালন করে। কেননা, রোযা তার যৌনতাকে দমন করে। (বুখারী,হাদীস নং-৪৯৯৬)

আরো জানুনঃ


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (10 points)
আমি অনেকদিন আগেই গুনাহ ছেড়ে দিয়েছিলাম।ভেবেই নিয়েছিলাম হয়তো আমার দ্বারা আর পাপ হবেনা।কিন্তু কীভাবে কি করে জানি পর্নোগ্রাফি দেখে ফেললাম,কীভাবে যে হস্তমৈথুন করে ফেললাম বুজতেও পারলামনা।এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব চিন্তা হচ্ছে,,  এখন তওবা করলাম ভবিষ্যতে আবার কোনদিন জানি পাপ হয়ে যায়,, যেভাবে আজকে হয়ে গেলো অনেকদিন পরে।এখন আমার এই মুহুর্তে বিয়ে করাও সম্ভব নাহ,কারণ পরিবার ক্লিয়ার স্টেটমেন্ট দিয়ে দিয়েছে পড়ালেখা শেষ হওয়ার আগে বিয়ে করাবেনা।অনেকবার বলেছি,,,আমাকে অনেক লজ্জা দেয়,অপমান করে।আমার বন্ধুবান্ধবরা ভার্সিটিতে পড়ে কিন্তু আমি কোথাও চান্স পাইনি আবার বিয়ে করতে চাই ইত্যাদি ইত্যাদি  অপমানজনক কথা বলে।।তাই খুব ধৈর্য ধরে অনেকদিন পাপ থেকে বিরত থাকি,খুব চেষ্টা করি কিন্তু নিজেও বুজতে পারিনা শয়তান কোন চক্রান্ত করে আমাকে পাপ করিয়ে ফেলে
by (763,590 points)
উপরে উল্লেখিত আমল গুলি করার পরামর্শ থাকবে, সর্বদা আল্লাহর সাহায্য চাইবেন।
by (10 points)
হুজুর আমি এখন আরেকটা বিষয় খেয়াল করতেছি তিনদিন আগে যে হস্তমৈথুনটা করলাম তার আগ পর্যন্ত আমি পাপ করলে আমার মনের ভিতর পাপের অনুশোচনা কাজ করতো,পাপের ফিলিংস কাজ করতো।কিন্তু আজকে কয়েকদিন যাবত আমার পাপের ফিলিংস কাজ করছেনা,পাপকে পাপ মনে হচ্ছে না।।।কীভাবে জানি বারবার একই পাপ(পর্নোগ্রাফি, মাস্টারবেশন) বারবার হয়ে যাচ্ছে।।। দোয়া করার সময়ও কান্না আসছেনা।।আমি ভার্সিটি হোস্টেল থেকে বাসায় আসার পর থেকেই এসব সংঘটিত হচ্ছে হুজুর।।।আমি আল্লাহর কাছে শপথও করেছিলাম অনেকদিন আগে যে এসব পাপ আর করবোনা।।।এখন আমার কি করা উচিত?? কাফফারা দিতে হবে কি?রাগ কইরেননা হুজুর, দয়া করে একটু বলুন,আখিরাত নিয়ে খুব চিন্তা হচ্ছে
by (763,590 points)
এ সংক্রান্ত জানুনঃ- 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...