আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
68 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (10 points)
আসসালামু আলাইকুম।
১.অতীতে ব্যাংক লোন নিয়ে আমার চিকিৎসা করা হয়েছে।লোন নেয়া শরীয়তের দৃষ্টিতে জরুরত ছিলো না।টাকা অন্যভাবেও ম্যানেজ করা যেত।কিন্তু আমার বাবা মা সেটা করেনি।আর আমিও তখন ভেবেছিলাম ওটা জরুরত।সেক্ষেত্রে তাওবা করার পর করণীয় কি?আমরা তো সুদ দিয়েছি,কিন্তু নেইনি।এক্ষেত্রে সাদাকাহর বিধান কি হবে?তাওবা করলেই কি আল্লাহ মাফ করে দিবেন?

২.আমার পরিবার ও আত্মীয়রা (মামা,চাচা) ফিক্সডিপোজিট করে রাখে যা টোটালি হারাম।যদিও এটা ভবিষ্যতের জন্য। বর্তমানে হালাল টাকাতেই চলে।কিন্তু আমি চাচ্ছিলাম তাদের খাবার গিফট না গ্রহণ করতে যেহেতু তারা হারাম কার্যক্রমে জড়িত।কাইন্ড অফ প্রতিবাদ।তোমরা সুদের সাথে জড়িত তাই আমি তোমাদের কিছু নিব না।এটা কি জায়েজ নাকি বাড়াবাড়ি হবে?

৩.চাচা কিস্তি রিলেটেড কোনো একটা বিষয়ে জড়িত।যদিও এটা আমরা শিওর না।সুদে টাকা দেয় টাইপ কিছু একটা। চাচা চাচী দুজনেই চাকরিজীবী এবং ইনকাম হালাল।তাদের লোন আছে এন্ড লোনে অনেক টাকাই কেটে নেয়।বাকি যে ইনকাম থাকে তা দিয়ে ভালো ভাবে চলা প্রায় অসম্ভব । যেহেতু তারা সুদের সাথে জড়িত তাই তাদের বাসায় খেলে মনে হয় যে টাকাটা হালাল হারাম কি না।সেক্ষেত্রে না খাওয়া কি উত্তম হবে?এখানে বলে রাখি আমার কাযকর্মের জন্য আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার চান্স নেই।কারণ আত্মীয়রা জানে আমি সবসময় হালাল হারাম বিচার করে চলার চেষ্টা করি।

৪.এখন এই সুদ মহামারী আকার ধারণ করেছে।৯০% পরিবারই সুদের সাথে জড়িত। সেক্ষেত্রে হালাল হারাম বিচার করা অনেক কঠিন।যেহেতু আমি যাদের ক্ষেত্রে জানি সুদের সাথে জড়িত / জমি বন্ধক নেয় এমন বাড়িতে না খেলে কি গুনাহ হবে?
৫.কেউ লোন নিয়েছে তার বাসায় খাওয়া যাবে?যেহেতু সে সুদ দিচ্ছে কিন্তু নিচ্ছে না এবং ইনকাম হালাল।

1 Answer

0 votes
by (814,620 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) সুদ গ্রহণ করার জন্য তাওবাহ করতে হবে। তাওবা করলেই আল্লাহ মাফ করে দিবেন।
(২) যারা সুদি কারবারে জড়িত। যদিও বর্তমানে তাদের নিকট হালাল মাল রয়েছে, প্রতিবাদ স্বরূপ তাদের হালাল মালের খাবার গ্রহণ না করলেও কোনো সমস্যা হবে না।
(৩) জ্বী, এক্ষেত্রেও আপনি তাদের খাবার এড়িয়ে চলতে পারেন।
(৪)  যাদের ব্যাপারে জানা থাকবে যে, তারা সুদের সাথে জড়িত / জমি বন্ধক নেয়, এমন ব্যক্তিদের  বাড়িতে না খেলে কোনো গোনাহ হবে না।
(৫) যদি কেউ সুদ দেয়, নেয় না, তাদের চাকুরীর ইনকাম হারাম হবে না। তাদের প্রদত্ত মাল ব্যবহার করা যাবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...