ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
তালাকের পূর্বে হোক বা পরে হোক নাবালক সন্তানাদির লালন-পালনের দায়িত্ব হল স্ত্রীর তথা উক্ত সন্তানাদির মা।
এসম্পর্কে অন্যতম ফাতাওয়া গ্রন্থ
ফাতওয়ায়ে হিন্দিয়াতে বর্ণিত আছে.......
ِ أَحَقُّ النَّاسِ بِحَضَانَةِ الصَّغِيرِ حَالَ قِيَامِ النِّكَاحِ أَوْ بَعْدَ الْفُرْقَةِ الْأُمُّ
অর্থাৎ-নাবালক সন্তানাদির লালন-পালনের অগ্রাধিকার ভিত্ততে হক্বদার মা,চায় (উক্ত সন্তানাদির পিতার সাথে)বর্তমানে বৈবাহিক সম্পর্ক অটুট থাকুক অথবা না থাকুক। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1874
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
প্রথমে আপনাকে বলবো, ধৈর্য্য সহকারে পরিস্থিতির মুকাবেলা করুন। নিজের ও স্বামীর মন পরিবর্তনের জন্য দু'আ করতে থাকুন। তাহাজ্জুদের নামায পড়ে আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে দু'আ করুন।এটাই আপনার জন্য অধিক কল্যাণজনক হবে।
وَاسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ ۚ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ
ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব।(সূরা বাকারা-৪৫)
শতচেষ্টার পরও যদি সংসারকে বাচানো সম্ভব না হয়, তখন কি আর করা যাবে। বাধ্য হয়ে তো একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সবকিছু সহজভাবে সমাধানের জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্যর আবেদন করুন।