আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ।
উস্তায আমার ৪ মাসের প্রেগন্যান্সি চলছে,,জমজ সন্তান হবে ইন শা আল্লাহ। শারীরিকভাবে দুর্বল,, রক্ত সল্পতা আছে,,হিমোগ্লোবিন ৮.৯ এ এসেছে,,ডাক্তার বেশি বেশি করে খাবার খেতে বলেছেন,যাতে হিমোগ্লোবিন টা ঠিক হয়ে আসে। এখন আলহামদুলিল্লাহ মাথা ঘোরা,খারাপ লাগাটা কমেছে।
আমার প্রশ্ন :
১। আমার কি এই অবস্থায় রোজা রাখা যাবে?যেহেতু হিমোগ্লোবিন কম,,রোজা থাকলে আরও যদি হিমোগ্লোবিন কমে যায়,এক্ষেত্রে করণীয় কি?
২। বেশি বেশি খাওয়ার জন্য রোজা না রাখলে কি গুনাহ হবে?
৩। প্রথম কয়েকটা রোজা রেখে দেখতে চাচ্ছি,,যদি খারাপ লাগে সেক্ষেত্রে কি রোজা বাদ দিতে পারবো?
৪। রোজা যদি না রাখতে পারি তারাবীহ কি পড়তে পারবো? না অন্য ইবাদত করলে হবে?
আরও কিছু বিষয়:
উস্তায আমি আলিম কোর্সের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারে আছি,এই সেমিস্টারে থিসিস লিখতে হবে,সেক্ষেত্রে আমার কাছে তেমন বই নেই,পিডিএফ থেকে সংগ্রহ করতে হবে,এজন্য ২ টা ডিভাইস দরকার।
আমার ল্যাপটপ আছে,কিন্তু সেটাতে প্রায় অর্ধেক সুদের টাকায় কিনা হয়েছে,,এজন্য ব্যবহার করি না।
৫।শুধু থিসিসের কাজে কি ব্যবহার করতে পারবো?
৬।ল্যাপটপ কিনতে ২৫০০০ টাকা সুদি টাকা ছিলো,,এখন যদি এই ২৫০০০ টাকা বিনা সাওয়াবের আশায় দান করি,তাহলে কি ল্যাপটপ টা ব্যবহার করা জায়েজ হবে?
৭/ আরও কিছু বিষয়:
৪ জন বান্ধবী ৮০০ টাকার ফলমূল নিয়ে এসেছিলো আমার জন্য,, তাদের ৪ জনের মধ্যে ১ জনের স্বামী ব্যাংকে চাকরী করে,,এখন ফলগুলো খাওয়া কি জায়েজ হয়েছে??
৮।জায়েজ না হলে,এখন আমার করণীয় কি??
৯/ উস্তায আর একটা বিষয় :
আমরা যে ফ্ল্যাটে থাকি সেটা একটাই রুম,,বড় রুম টা,,রুমের একটা সাইডে মানে রুমের মধ্যেই বাথরুম, বাথরুমের দেয়ালের পরে রান্নাঘর,,যদি ইতিকাফে বসা হয়,তাহলে কি রান্নাঘরে গিয়ে রান্না করতে পারবো? সংসারের কাজ করতে পারবো?
১০/ আর ইতিকাফ করার জন্য কি রোজা রাখতেই হবে? যদি আমি অসুস্থতার কারণে রোজা না থাকতে পারি,তাহলে কি এই রুমে ইতিকাফে বসতে পারবো? (রান্না বান্না করতে হবে)