আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
58 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (6 points)
আসসালামু আলাইকুম।আমি আইওএম এর আলিম কোর্সের ২২৮ ব্যচের একজন শিক্ষার্থী ছিলাম।২০২৪ সালে আমার বিবাহ হয়।বিয়েটা অর্ধেকদ্বীন ডটকমের মাধ্যমে হয়।আমার স্বামী ও আমি দুজনেই স্টুডেন্ট।আমার খরচ আমার মা চালান এবং তার খরচ তার বাবা।অনলাইন ভিত্তিক বিবাহ হওয়ার কারনে তাদের বিষয়ে আমি অনেককিছু জানতে অক্ষম ছিলাম।ঠিকমতন খোঁজখবর নেয়নি।খুব বেশি বিশ্বাস করেছিলাম।কিন্তু বিয়ের পর আমার স্বামীর অতীত সম্পর্কে আমি জানতে পারি।আমার খারাপ কোন অতীত নেই।বিয়ের আগে শুধুমাত্র অনলাইনে একটা রিলেশন করেছিলাম তাও তার সাথে কখনো দেখাহয়নি।বিপরীতে আমার স্বামীর অতীত অনেক গভীর ছিল।সে বিয়পর আগে একাধিক মেয়েরসাথে প্রেম করে এবং তার রুম ডেটের ছবি আমি পায়।তবুও আমি তাকে মাফ করেদেয় কারন আল্লাহ তাায়ালা চায়লে তাকে মাফ করবেন।কিন্তু আমি দেখছি বিয়ের পর সে বদলায়নি নি।আমি তাকে বুঝায়ছি আমি এসবে কষ্ট পায় আমি তাকে ভালবাসি কিন্তু সে শুধরানোর কথা বললেও শুধরায় না।সে এখনো গোপনে মেয়েদের ছবি দেখে,ফোনে তার এক্সের ছবি রাখে,অশ্লীল ভিডিও দেখে,আমি আমার বাবার বাসায় বেড়াতে গেলে বা তার চোখের আড়াল দুই মিনিটের জন্য হলেও সে এসব করতেছে।সে হস্তমৈথুন ও করছে বহুবার।
আমি ডির্ভোসের চিন্তা করছি বহুবার কিন্তু সে বলে সে শুধরাবে কিন্তু সে শুধরায় না।

সে সিগারেটও খায় এখন যেটা আমি বিয়ের আগে জানতাম না বা আমাকে সে বলেনি।

সে আমার উপর রাগ করে একদিন গাজাও খায়ছে।


এমনিতে সে সবার চোখে ভাল মানুষ।আমার কেয়ার নিচ্ছে সব করতেছে কিন্তু তার চারিত্রিক বিষয় আমি কিছুতেই বদলাতে পারছিনা

তারকারনে আমি ইমানহারা হয়ে হয়ে পড়ছি আমার মন চায় আমিও ছেলেদের সাথে কথা বলি খারাপ কাজ করি।


এখন আমার করনীয় কি?

আমি ডিভোর্সের চিন্তা করতেছি

একরকম মানুষ কি আদৌও পরিবর্তন হয়?

1 Answer

0 votes
by (806,640 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আমাদের মনে রাখতে হবে,
পরকালে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ আ'মলের হিসাব নিকাশ দিতে হবে।কারো পাপের বোঝাকে অন্য কেহ বহন করবে না।

আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
ﻭَﻟَﺎ ﺗَﺰِﺭُ ﻭَﺍﺯِﺭَﺓٌ ﻭِﺯْﺭَ ﺃُﺧْﺮَﻯ ﻭَﺇِﻥ ﺗَﺪْﻉُ ﻣُﺜْﻘَﻠَﺔٌ ﺇِﻟَﻰ ﺣِﻤْﻠِﻬَﺎ ﻟَﺎ ﻳُﺤْﻤَﻞْ ﻣِﻨْﻪُ ﺷَﻲْﺀٌ ﻭَﻟَﻮْ ﻛَﺎﻥَ ﺫَﺍ ﻗُﺮْﺑَﻰ الخ
কেউ অপরের বোঝা বহন করবে না। কেউ যদি তার গুরুতর ভার বহন করতে অন্যকে আহবান করে কেউ তা বহন করবে না-যদি সে নিকটবর্তী আত্নীয়ও হয়।
(সূরা ফাতির-১৮)

সুতরাং বর্তমান পরিস্থিতে স্বামীকে বুঝিয়ে এই গোনাহের কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করুন।ধর্য্য সহকারে পরিস্থিতির মোকাবেলা করার চেষ্টা করুন।আল্লাহর কাছে স্বামীর হেদায়েতের জন্য দু'আ করুন। স্বামী পরক্রিয়া করছে, গোনাহ করছে, এজন্য স্বামী থেকে তালাক নেওয়া উচিত হবে না।  এ সম্পর্কে আরো জানতে ভিজিট করুন-https://www.ifatwa.info/1205


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 162 views
...