শরীয়তের বিধান মতে মান্নত ছহীহ হওয়ার জন্য অন্যতম একটি শর্ত হলো মান্নত এমন বিষয়ের হবে,যেটি ইবাদতে মাকসুদা,যেমন নামাজ, রোযা,হজ,কুরবানী,সদকাহ দান ইত্যাদি ।
যদি ইবাদতে মাকসুদা না হয়,তাহলে সে কাজ করার মান্নত করলে তাহা পুরন করা আবশ্যকীয় নয়।
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
حَدَّثَنَا ابْنُ السَّرْحِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَالِمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ الْمَخْزُومِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فِي هَذَا الْخَبَرِ زَادَ: وَلَا نَذْرَ إِلَّا فِيمَا ابْتُغِيَ بِهِ وَجْهُ اللَّهِ تَعَالَى
আমর ইবনু শু‘আইব (রহ.) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো রয়েছেঃ মহান আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য যে মান্নত করা হয় কেবল তাই পূরণ করতে হয়।
(আবু দাউদ ২১৯২)
الدر المختار وحاشية ابن عابدين (رد المحتار) (3/ 738):
ولو نذر التسبيحات دبر الصلاة لم يلزمه، ولو نذر أن يصلي على النبي - صلى الله عليه وسلم - كل يوم كذا لزمه وقيل لا
সারমর্মঃ
যদি কেহ প্রত্যেক নামাজের পর তাসবিহ পড়ার মান্নত করে,তাহলে তাহা আবশ্যকীয় হবেনা।
,
এ ক্ষেত্রে রামাদান মাসে কুরআন খতম করতে হবে, এমনটি আবশ্যক নয়। সুতরাং আপনি চাইলে রমাদানে নিজের জন্য কোরআন খতম করতে পারেন, পাশাপাশি আপনার মায়ের জন্যও তেলাওয়াত করতে পারেন। অথবা অন্য কোন মাসে আপনার মায়ের জন্য কুরআন খতম করতে পারেন। সবাই আপনার ইচ্ছা।