আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
52 views
in সাওম (Fasting) by (13 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। রোজা অবস্থায় ইফতারিতে শরবত বানানোর সময় ট্যাং বা টেস্ট মি পানিতে গোলানোর সময় বাতাসে কেমন গলায় মিষ্টি স্বাদ অনুভূত হয়। নাক ঢেকেও যদি বানাই তাও হয়। এক্ষেত্রে কি রোজা ভেঙে যাবে?

1 Answer

0 votes
by (764,700 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

https://ifatwa.info/72847/ নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- 
অনিচ্ছাবশত গলায় ধোঁয়া, ধুলাবালি, মশা, মাছি চলে গেলে রোজা ভঙ্গ হয় না। (শামি: খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা-৩৬৬)।

এছাড়াও ফতওয়ার কিতাবে উল্লেখ আছে যে, ‘চাই তা পেটের ভেতরে চলে যাক না কেন। কেননা এগুলোকে মানুষ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে না। যদিও মুখে তার স্বাদ অনুভব হয়।’ (ফতওয়ায়ে কাজিখান: ১/২৯৮)

আবদুল্লাহ ইবনে আববাস (রা.) এক লোকের কণ্ঠনালিতে মাছি ঢুকে গেলে তাকে বললেন, এতে তোমার রোজা ভঙ্গ হয়নি। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা-৩৪৯; ফাতহুল কাদির, খণ্ড: ০২, পৃষ্ঠা : ২৫৮)

https://ifatwa.info/15728/ নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- 
রোজা থাকা অবস্থায় কোনো কিছুর গন্ধ নাকে গ্রহণ করলে রোযার কোনো সমস্যা হবেনা।

রোযাদারের জন্য সুরমা লাগানো বা সুগন্ধি ব্যবহার করা মাকরূহ নয়।

হাদীস শরীফে এসেছেঃ  
আতা রাহ. বলেন, ‘রোযাদারের জন্য সুরমা ব্যবহার করাতে দোষ নেই।’-মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক ৪/২০৮; আলবাহরুর রায়েক ২/২৮০,

রমজান মাসে দিনের বেলা মশার কয়েল, ধূপ, আগরবাতি ইত্যাদি জ্বালানো জায়েয। এতে রোজার ক্ষতি হবে না। কারণ ধূপ, কয়েল, আগরবাতি ইত্যাদি জ্বালানোর পর আশপাশে সাধারণত এর ঘ্রাণই ছড়ায়। এর ধোঁয়া নাক পর্যন্ত পৌঁছে না। এরপরও অনিচ্ছাকৃত তা নাকে-মুখে চলে গেলে রোজা নষ্ট হবে না। তবে রোজা অবস্থায় কেউ যদি নাক বা মুখ দিয়ে এগুলোর ধোঁয়া টেনে নেয় সেক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। [রদ্দুল মুহতার ২/৩৯৫; আশশুরুনবুলালিয়া ১/২০২; মাজমাউল আনহুর ১/৩৬১; হাশিয়াতুত তহতাবী আলাদ্দুর ১/৪৫০ 

لو أدخل حلقہ الدخان أي بأي صورة کان الإدخال حتی لو تبخر بخورة وآواہ إلی نفسہ واشتمہ ذاکرًا لصومہ، أفطر لإمکان التحرز عنہ․ (رد المختار: ۳/۳۶۶، زکریا)
সারমর্মঃ
যদি ইচ্ছাপূর্বক রোযা স্বরন থাকা সত্ত্বেও এ ধোয়া নাক দিয়ে টেনে নেয়,তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে।   
,
আরো জানুনঃ 
,
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
রোজা রেখে ট্যাং বা টেস্ট মি পানিতে গোলানোর সময় বা প্যাকেট খোলার সময় যে ঝাঁজ বের হয়, সেটি যদি নাকে/মুখে ঢুকে স্বাদ অনুভূত হয়,সেক্ষেত্রে রোযা ভেঙ্গে যাবে।

অন্যথায় যদিও রোযা ভেঙ্গে যাবেনা,তদুপরি এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরী। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...