আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
57 views
in পবিত্রতা (Purity) by (5 points)
আসসালামু ওয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ। উস্তাজ আমার হায়েজ হয় গতমাসের ৩১ তারিখে। আমি পবিত্র হয় ৮ তারিখে এরপর ৯ তারিখে সাদা স্রাবের সাথে হালকা লালচে ভাব দেখেছিলাম। তাই ধরে নিয়েছি ১০ দিন হায়েজ ছিল। এমনিতেও সবসময় ১০ দিন পর্যন্তই গড়ায়। এর ৯ দিন মানে ১৮ তারিখ ১ম রোজায় ইস্তেহাজার সমস্যা শুরু হয়। এর ২/৩ দিন পর আমি ইস্তেহাজার চিকিৎসায় একটা মেডিসিন নেওয়া শুরু করি। সেটা খাওয়ার নিয়ম হচ্ছে ২১ দিন টানা খাবো এরপর হায়েজ হবে, হায়েজ শেষ হওয়ার পর আবার খাবো এভাবে ৩ মাস। এখন সমস্যা হলো, ইস্তেহাজার পর হায়েজের সমস্যা। এই ঔষধ খাওয়ার পর ফ্লো টা আলহামদুলিল্লাহ একদম কমে যায় কিন্তু সাদা স্রাবের সাথে একটু একটু দেখা যাচ্ছে। ১ম হায়েজ থেকে ২য় হায়েজের সময়সীমা ১৫ দিন, এরপর ৩ দিন অপেক্ষা করতে হয়। আজ ২৪ তারিখ ভোরে ১৫ দিন হবে। এখনো লালচে ভাব আছে। এই যে লালচে ভাবটা আছে হয়তো এটা ৩ দিনের কমও থাকতে পারে আবার বেশিও থাকতে পারে। কিন্তু হায়েজের রক্ত হবে না। কারণ ঐ ঔষধটা। ঐ ঔষধ খাওয়ার সময় হায়েজ থাকার কথা না। এখন আমি রোজা ভেঙ্গে কি ৩ দিন অপেক্ষা করবো? ৩ দিনের বেশিদিন যদি থাকে সেটাকে কি হায়েজ হিসেবেই ধরবো? আবার ঐ ঔষধ খাওয়ার ২১ দিন পর হায়েজ হবে।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
দুই হায়েযের মাঝখানে পাক থাকার মুদ্দৎ কমের পক্ষে পনের দিন, আর বেশীর কোন সীমা নাই। অতএব, যদি কোন মেয়েলোকের কোন কারণবশতঃ কয়েক মাস যাবৎ হায়েয বন্ধ থাকে, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ঋতুস্রাব না হইবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সে পাক থাকিবে।

(১৩) মাসআলাঃ 
যদি কোন মেয়েলোকের তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখা যায়, তারপর ১৫ দিন পাক থাকে; আবার তিন দিন তিন রাত রক্ত দেখে, তবে আগেকার তিন দিন তিন রাত এবং পনের দিনের পর তিন দিন তিন রাত হায়েয ধরিবে। আর মধ্যকার দিন পাক থাকার সময়।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনি তিনদিন অপেক্ষা করে দেখবেন।

বিঃদ্রঃ
হায়েয ইস্তেহাযার মাস'আলা সম্পর্কে জানতে ও জিজ্ঞাসা করার পূর্বে এসম্পর্কে বেসিক কিছু জানতে হয়। প্রশ্ন করার সময় মূল সমস্যা ও আলোচ্য বিষয় নির্ধারণ করে দিতে হয়। আর এসবের জন্য বেসিক জ্ঞান থাকা অতিপ্রয়োজনীয়। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...