বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হযরত আনাস ইবনে মালিক রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ : ( كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُفْطِرُ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ عَلَى رُطَبَاتٍ ، فَإِنْ لَمْ تَكُنْ رُطَبَاتٌ فَتُمَيْرَاتٌ ، فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تُمَيْرَاتٌ حَسَا حَسَوَاتٍ مِنْ مَاءٍ )
রাসূলুল্লাহ সাঃ মাগরিবের নামাযের পূর্বে কিছু তাজা খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন।যদি সতেজ- তাজা খেজুর না থাকতো তখন,শুকনা খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন।যদি শুকনা খেজুরও না থাকতো,তখন পানি দ্বারা ইফতার করতেন।(সুনানু তিরমিযি-৬৩২)
মাগরিবের নামায যতটুকু সম্ভব তারাতারি পড়াই মুস্তাহাব।কিন্তু ফুকাহায়ে কেরাম কোনো প্রয়োজন বা উযরের ধরুণ কিছুটা দেড়ীতে পড়ারও অনুমোদন দিয়েছেন।এই উযর সমূহের একটি হল,যদি কেউ খেতে বসে তাহলে সে মাগরিবের নামাযকে কিছুটা দেড়ীতে পড়তে পারবে।
والاصح أنه يكره الا من عذر كالسفر والكون على الاكل و نحوهما،
বিশুদ্ধ মতানুযায়ী মাগরিবের নামাযকে দেড়ী করে পড়া মাকরুহ।তবে উযর, যেমন- সফরে বা খানা সামনে উপস্থিত থাকার সময়ে মাগরিবের নামাযকে কিছুটা দেড়ী করে পড়ার অনুমোদন রয়েছে।(কাবিরি-৩৩৭) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1645
জামাতে নামায পড়া পুরুষের জন্য সুন্নতে মু'আক্বাদা।বিশেষ কিছু প্রয়োজনে জামাতকে তরক করা জায়েয রয়েছে।এর মধ্যে একটি হল, এমন খানা সামনে উপস্থিত থাকা,যে খানার প্রতি অন্তরের চাহিদা রয়েছে।জামাত সম্পর্কে বিবিধ আহকাম জানতে ভিজিট করুন-
https://www.ifatwa.info/1365
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার সামনে খাবার থাকলে কিছু খাবার খেয়ে তারপর নামায পড়বেন। আর চাইলে শুধুমাত্র খেজুর খেয়ে নামায পড়তে পারেন।