আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
71 views
in সাওম (Fasting) by (14 points)
বিভিন্ন হাদিসে দেখা যায় যে নবীজী (সা.) খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার করতেন। সাধারণত আমাদের মসজিদ গুলোতে রমজানের সময় ১৫-২০ মিনিট সময় ইফতারের সময় দিয়ে থাকে। এই সময়ে আমি চাইলে তৃপ্তি সহকারেই ইফতার করার পরেও জামায়াতে সালাত আদায় করতে পারি। আবার চাইলে শুধু খেজুর আর পানি খেয়ে নামাজ পড়তে চলে যেতে পারি এবং নামাজ শেষে বাকি খাবার খেতে পারি। কোনটি করা সুন্নাতসম্মত ও উত্তম হবে?

নবীজী কি শুধুই খেজুর আর পানি দিয়েই সবসময় ইফতার করতেন না-কি খেজুর আর পানি দিয়ে শুরু করতেন এবং সঙ্গে অন্যান্য খাবার ও খেতেন?

বি: দ্র: খাবার খাওয়া বলতে আমি অনেক খাবার বুঝাই নি, পরিমিত খাবার যা আমাদের রোযার ক্লান্তি দূর করে তা বুঝিয়েছি।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হযরত আনাস ইবনে মালিক রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ : ( كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُفْطِرُ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ عَلَى رُطَبَاتٍ ، فَإِنْ لَمْ تَكُنْ رُطَبَاتٌ فَتُمَيْرَاتٌ ، فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تُمَيْرَاتٌ حَسَا حَسَوَاتٍ مِنْ مَاءٍ )
রাসূলুল্লাহ সাঃ মাগরিবের নামাযের পূর্বে কিছু তাজা খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন।যদি সতেজ- তাজা খেজুর না থাকতো তখন,শুকনা খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন।যদি শুকনা খেজুরও না থাকতো,তখন পানি দ্বারা ইফতার করতেন।(সুনানু তিরমিযি-৬৩২)

মাগরিবের নামায যতটুকু সম্ভব তারাতারি পড়াই মুস্তাহাব।কিন্তু ফুকাহায়ে কেরাম কোনো প্রয়োজন বা উযরের ধরুণ কিছুটা দেড়ীতে পড়ারও অনুমোদন দিয়েছেন।এই উযর সমূহের একটি হল,যদি কেউ খেতে বসে তাহলে সে মাগরিবের নামাযকে কিছুটা দেড়ীতে পড়তে পারবে।
والاصح أنه يكره الا من عذر كالسفر والكون على الاكل و نحوهما،
বিশুদ্ধ মতানুযায়ী মাগরিবের নামাযকে দেড়ী করে পড়া মাকরুহ।তবে উযর, যেমন- সফরে বা খানা সামনে উপস্থিত থাকার সময়ে মাগরিবের নামাযকে কিছুটা দেড়ী করে পড়ার অনুমোদন রয়েছে।(কাবিরি-৩৩৭) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1645

জামাতে নামায পড়া পুরুষের জন্য সুন্নতে মু'আক্বাদা।বিশেষ কিছু প্রয়োজনে জামাতকে তরক করা জায়েয রয়েছে।এর মধ্যে একটি হল, এমন খানা সামনে উপস্থিত থাকা,যে খানার প্রতি অন্তরের চাহিদা রয়েছে।জামাত সম্পর্কে বিবিধ আহকাম জানতে ভিজিট করুন-https://www.ifatwa.info/1365

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার সামনে খাবার থাকলে কিছু খাবার খেয়ে তারপর নামায পড়বেন। আর চাইলে শুধুমাত্র খেজুর খেয়ে নামায পড়তে পারেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...