ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ
https://ifatwa.info/107192/ নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ،
عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم "
مُرُوا أَوْلَادَكُمْ بِالصَّلَاةِ وَهُمْ أَبْنَاءُ سَبْعِ سِنِينَ
وَاضْرِبُوهُمْ عَلَيْهَا وَهُمْ أَبْنَاءُ عَشْرِ سِنِينَ وَفَرِّقُوا بَيْنَهُمْ
فِي الْمَضَاجِعِ " . - حسن صحيح
‘আমর ইবনু শু‘আইব রহ. থেকে পর্যায়ক্রমে তার
পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- তোমাদের সন্তানদের বয়স সাত বছর হলে তাদেরকে সলাতের জন্য
নির্দেশ দাও। যখন তাদের বয়স দশ বছর হয়ে যাবে তখন (সলাত আদায় না করলে) এজন্য
তাদেরকে মারবে এবং তাদের ঘুমের বিছানা আলাদা করে দিবে। আহমাদ (২/১৮০, হাঃ ৬৬৮৯ এবং ২/১৮৭), হাঃ ৬৭৫৬), হাকিম (১/১৯৭) বায়হাক্বী
(৩/৮৪) ‘আমর ইবনু শু‘আইব সূত্রে।
,
এই হাদীস থেকে বুঝা যায় যে সন্তান বুঝবান না হলে তাকে ঘুমের
বিছানা আলাদা করে দেওয়া জরুরি নয়।
,
সেই ঘরে সহবাস করলে এমতাবস্থায় বাচ্চা শুনবে এমন জোরে কোনো
আওয়াজ করা যাবেনা, শরীরে চাদর বা কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখে সহবাস করতে হবে, যাতে সেটি পর্দার কাজ
দেয়। সতর্কতামূলক সেই সময়ে অন্য ফাকাঁ রুমে যাওয়াই ভালো। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র সহবাসের সময় অন্য রুমে গিয়ে সহবাস শেষে
পরবর্তীতে সন্তানের রুমে আসা যাবে।
★উল্লেখ্য, এক্ষেত্রে কোনোক্রমেই
সন্তান জাগ্রত থাকাকালীন সহবাস করা যাবেনা। সহবাসকালে বিবস্ত্র হওয়া
যাবেনা। নিজেদের গায়ের উপর চাদর দিয়ে হোক বা অন্য কোনো কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।
.
হাদীস শরীফে এসেছে-
عَنْ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ
رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِيَّاكُمْ
وَالتَّعَرِّيَ فَإِنَّ مَعَكُمْ مَنْ لَا يُفَارِقُكُمْ إِلَّا عِنْدَ الغَائِطِ
وَحِينَ يُفْضِي الرَّجُلُ إِلَى أَهْلِهِ، فَاسْتَحْيُوهُمْ وَأَكْرِمُوهُمْ»
ইবনু উমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা নগ্নতা হতে বেঁচে থাক। কেননা তোমাদের এমন সঙ্গী আছেন
(কিরামান-কাতিবীন) যারা পেশাব-পায়খানা ও স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের সময় ছাড়া অন্য
কোনো সময় তোমাদের হতে আলাদা হন না।
সুতরাং তাদের লজ্জা কর এবং সম্মান কর। [সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-২৮০০]
.
অপর হাদীসে এসেছে-
عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ
صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ
وَاليَوْمِ الآخِرِ فَلَا يَدْخُلِ الحَمَّامَ بِغَيْرِ إِزَارٍ، وَمَنْ كَانَ
يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَاليَوْمِ الآخِرِ فَلَا يُدْخِلْ حَلِيلَتَهُ الحَمَّامَ،
জাবির রা. থেকে বর্ণিত আছে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা ও পরকালের প্রতি যে লোক ঈমান রাখে সে যেন
ইযার (লুঙ্গি) পরিহিত অবস্থা ছাড়া গোসলখানায় প্রবেশ না করে।
.
আল্লাহ তা’আলা এবং পরকালের প্রতি যে লোক ঈমান রাখে সে যেন
তার স্ত্রীকে গোসলখানায় প্রবেশ না করায়। [সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-২৮০১]
.
★ সু-প্রিয়
প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন!
.
প্রশ্নোক্ত
ক্ষেত্রে যদি শুধু সাদা স্রাব বা মযী বের হয় তাহলে এর দ্বারা গোসল ফরজ হবে না। তবে
এটা নাপাক। তাই তা ধৌত করা আবশ্যক।