আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
42 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (1 point)
edited by
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লহি ওয়া বারকাতুহ।

★ ইস্তিহাযা রোগীর জন্য যদি প্রতি ওয়াক্তে ওযু করে সালাত পড়তে সমস্যা হয়, তাহলে সে কি ইশার সালাতের সময় ওযু করে ইশার সালাত পড়ে বাকি সালাত গুলো কাযা পড়তে পারবে?

অথবা যোহরের সালাতের সময় ওযু করে যোহর সালাত এবং ফজর সালাত কাযা পড়বে আর বাকি ২ ওয়াক্তের কাযা সালাত ইশার পর পড়বে। এভাবে কি পড়া যাবে?

কোনভাবে পড়া ঠিক হবে?
আর শুধু ফরজ রাকাত গুলো আদায় করলে হবে?

আরেকটি প্রশ্নঃ

★ ফেব্রুয়ারির ১৩-১৮ তারিখ পর্যন্ত হায়েজ হয়েছে। এরপর মাঝে ২০ তারিখ রক্ত গিয়েছে। এখন আবার ২৪ তারিখ রক্ত যাচ্ছে। তাহলে এটা কি ইস্তিহাযা হিসেবে ধরবো?

1 Answer

0 votes
by (807,930 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
ইস্তেহাযা গ্রস্ত নারী প্রতি ওয়াক্তের জন্য একবার অজু করবে। ঐ অজু দ্বারা ঐ ওয়াক্তের ভিতর যত সম্ভব নামায পড়বে। ওয়াক্তের ভিতর ফরয সুন্নত নফল সকল প্রকার নামায পড়তে পারবে।ফরয ওয়াক্ত যখন চলে যাবে তখন পূর্বের হাদাস থাকলে অজুও চলে যাবে। সুতরাং যেহেতু এশার ওয়াক্ত চলে যাওয়ার সাথে সাথে ফজরের ওয়াক্ত শুরু হয়, তাই এশার সময়ের অজু বা তাহাজ্জুদ পড়ার নিমিত্তে অজু দ্বারা ফজর পড়া যাবে না। এবং ফজরের ওয়াক্ত যেহেতু সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই শেষ হয়ে যায়, তাই ফজরের অজু দ্বারা ইশরাকের নামায পড়া যাবে না। তবে ওয়াক্তের শুরুতে বা ওয়াক্তের আগে অজু করলে সেই অজু দ্বারা পরবর্তী ফরজ নামায পড়া যাবে।সুতরাং ইশরাকের অজু দ্বারা জোহরের নামায পড়া যাবে। 
"ودم الاستحاضة حکمه کرعاف دائم وقتًا کاملاً لایمنع صومًا وصلاةً ولو نفلاً وجماعَا؛ لحدیث: توضئي وصلي وإن قطر الدم علی الحصیر". (الدرالمختارعلی صدر ردالمحتار:ج؍۱،ص؍۲۹۸، باب الحیض)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1609

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ইস্তিহাযাগ্রস্থ রোগীর জন্য নামাযকে কাযা করে আদায় করা কখনো জায়েয হবে না। হ্যা, ঘটনাক্রমে কাযা হয়ে যাওয়া নামাযকে উক্ত ওয়াক্তের সাথে আদায় করতে পারবে।

(২) এটা যেহেতু পূর্বের হায়েযের ১৫ দিন পূর্বে হয়েছে, তাই এটা ইস্তেহাযা। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...