আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
55 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (9 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বারকাতুহ উস্তায

উস্তায, আমার প্রশ্নটির উত্তর দিলে আমার জন্য উপকার হবে। এটার উত্তর পেলে আমাকে এক কাজ বার বার করা থেকে বিরত থাকতে পারবো বলে মনে করি ইন শা আল্লাহ।
কারন আমার ধারণাটি ঠিক নাকি ভুল তা জানলে আমার জন্য হয়তো সহজ হবে ইন শা আল্লাহ।
অর্থ্যাৎ অনিচ্ছাকৃত নিয়ত কি কবুল হয় কিনা। এক্ষেত্রে যদি কবুল হয় এটা ধারণা রাখি তবে এক কাজ বার বার করা লাগবে ঠিক না হওয়া পর্যন্ত বা কবুল হয়ে যাওয়ার ভয়ে। যেমন ১ বারের জায়গায় ৫ বার। আর যদি কবুল না হয় সেক্ষেত্রে আমার সেই অনিচ্ছাকৃত কাজ নিয়ে ভয়টা থাকবেনা যার জন্য ২বার করে ফেললেও আমার মনে হবেনা যে এটা করলে এটা হবে ওটা হবে, আমার এই অনিচ্ছাকৃত নিয়ত কবুল হবেনা তাই বার বার করার প্রয়োজন নেই। জানলে আমার জন্য হয়তো সহজ হবে উস্তায ইন শা আল্লাহ।

১। আমার সমস্যা হলো কোনো একটি কাজ আমি ভাবি ৫বার করতে হবে।
১বার করলে মনেহয় ঠিক হয়নি
২ বার করলে মনেহয় ২বার করলে অমুক কাজটি হবে। (যা একদমই আমার কাল্পনিক)
৩বার করলে মনেহয় এতে তালাক হয়
৪বার করলে মনেহয় এটাতে কোনো দূর্ঘটনা হতে পারে কারন ৪ তারিখ আমার জন্য একটা খারাপ দিন ছিলো এরপর থেকে কোনো কাজ ৪ বার হলে আমার অসস্তি লাগে এরপর ৫ বার পূর্ণ করি।
আমি জানি এগুলো আমার মনের ভ্রান্ত ধারণা। কিন্তু আমি এর থেকে বের হতে পারিনা।
এর থেকে বের হওয়ার জন্য আমি সবটা আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিতে যাই। যে ২বার বা ৩বার করার কিছু নেই। এটা আমার মনের ভুল। আল্লাহ ভরসা।
ঠিক ওই মুহুর্তে আমার মনেহয় যে আসলে এটা আমি নিয়ত করে ফেলছি যে ২বার করলে এটা হবে, ৩বার করলে এটা হবে, ৪বার করলে এটা হবে। মনেহয় যে এটা নিয়ত করে ফেলছি প্রতিবার।
তখন আবার ভাবি যে, যে যেমন নিয়ত করে তার সাথে তেমনটাই হয়।
তাই আমার হয়তো এটা নিয়ত হয়ে গেছে যে ২বার করলে এটা হবে ৩বার করলে এটা হবে ৪ বার করলে এটা হবে। তাই এই নিয়ত ভাঙার জন্য আমি ৫ বার বা ১০বার এক কাজই বার বার করি। ভাবি যে আমার ভাবনাটা নিয়ত হয়ে গেছে। এখন আল্লাহ হয়তো কবুল করে নিবে আমার এই অনিচ্ছাকৃত নিয়ত। না চাইলেও নিয়ত হয়ে যায়।

এখন প্রশ্ন হলো এটার থেকে বাচার উপায় কি? এই অনিচ্ছাকৃত নিয়ত কি আল্লাহ কবুল করে নেন?

২৷ আমার মধ্যে প্রচুর ভয় কাজ করে।
আমার শত্রু আছে। কিন্তু আমার ক্ষতি করেনি কিন্তু তাও মনেহয় যে হয়তো আমার ক্ষতি করবে।
মনেহয় শত্রু হয়তো আমার ওপর রাগ হয়ে আমার প্রিয় মানুষদের মেরে ফেলবে। খুন করবে।
এই ভয় আমার অনেক বেশি হয় আর আমি সারাক্ষন দুশ্চিন্তা করি আর মাথায় অনেক বেশি প্রেসার পড়ে। এক্ষেত্রে আমার করনীয় কি?
(শত্রুর সাথে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। সে কোনো হুমকিও দেয়নি। কিন্তু তাও মনেহয় সে এসে ক্ষতি করে যাবে)

৩। https://ifatwa.info/138659/
এখানে আপনার উত্তর এর পরে আমি একটা কমেন্টে প্রশ্ন করেছিলাম। কমেন্টের উত্তরটা দিলে মুনাসিব হতো মিন ফাদ্বলিক।

জাযাকুমুল্লহু খইরন উস্তায।

1 Answer

0 votes
by (764,700 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

(০১)
হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ «إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ وَإِنَّمَا لِامْرِئٍ مَا نَوٰى فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهٗ إِلَى اللهِ وَرَسُوْلِه فَهِجْرَتُهٗ إِلَى اللهِ وَرَسُولِه وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهٗ اِلٰى دُنْيَا يُصِيبُهَا أَوِ امْرَأَةٍ يَتَزَوَّجُهَا فَهِجْرَتُهٗ إِلٰى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ 

‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিয়্যাতের উপরই কাজের ফলাফল নির্ভরশীল। মানুষ তার নিয়্যাত অনুযায়ী ফল পাবে। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সন্তুষ্টির জন্য হিজরত করবে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সন্তুষ্টির জন্যই গণ্য হবে। আর যে ব্যক্তি দুনিয়ার স্বার্থপ্রাপ্তির জন্য অথবা কোন মহিলাকে বিবাহের জন্য হিজরত করবে সে হিজরত তার নিয়্যাত অনুসারেই হবে যে নিয়্যাতে সে হিজরত করেছে।
বুখারী ১, মুসলিম ১৯০৭, তিরমিযী ১৬৩৭, নাসায়ী ৭৫, আবূ দাঊদ ২২০১, ইবনু মাজাহ্ ৪২২৭, আহমাদ ১৬৯, ৩০২।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নের বিবরণ মতে এ অনিচ্ছাকৃত নিয়ত আল্লাহ তায়ালা কবুল করবেন না।

এ থেকে বাঁচার উপায় হল ওয়াসওয়াসা পরিত্যাগ করা,ওয়াসওয়াসাকে পাত্তা না দেয়া 

(০২)
এক্ষেত্রে থানায় একটি জিডি করে আসতে বলতে পারেন।

আরো করনীয় জানুনঃ- 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...