আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
59 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (18 points)
আমি যদি আল্লাহর কাছে এভাবে দোয়া করি—

“হে আল্লাহ, তুমি আমার ও আমার স্বামীর জন্য একটি সুন্দর সংসার দাও। আমাদের মাঝে কোনো তৃতীয় ব্যক্তি যেন না আসে। আমার স্বামী যেন আর কাউকে বিয়ে না করেন। তাকে আমার জন্য যথেষ্ট করে দাও এবং আমাকে তার জন্য যথেষ্ট করে দাও। তার সবকিছু যেন শুধু আমাকে নিয়েই থাকে।

হে আমার রব, আমি তোমার সব বিধান মেনে নিই। কিন্তু তুমি জানো, দ্বিতীয় বিয়ে আমার জন্য খুব কষ্টদায়ক হবে। তুমি তো বলেছো, তুমি কাউকে তার সামর্থ্যের বাইরে বোঝা দাও না। তাই আমি তোমার কাছে এমন কঠিন পরীক্ষা ও বিপদ থেকে আশ্রয় চাই। আমাকে এমন পরিস্থিতি দিও না। আমার মানসিক শান্তির জন্য এটা খুবই কষ্টকর হবে—তুমি তো তা জানো।

তবে যদি কখনো এমন কিছু হয়ে যায়, তাহলে আমাকে ধৈর্য দিও। কিন্তু হে আল্লাহ, এমন পরিস্থিতি সত্যিই আমার জন্য খুব কষ্টদায়ক। আমি তোমার কাছে এই অবস্থা থেকে পানাহ চাই।”

এভাবে দোয়া করা কি ঠিক হবে?

আমি যখন বললাম, “যদি এমন হয় তাহলে আমাকে ধৈর্য দিও”—এর মানে কি আমি সেই পরিস্থিতি চাচ্ছি?

আমি আসলে বোঝাতে চেয়েছি, যদি আল্লাহ এমন কিছু নির্ধারণ করেন, তাহলে আমি তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করছি।

আরেকটা প্রশ্ন হলো, আমার কি এভাবে আবার বলা উচিত—

“হে আল্লাহ, তুমি যেটাতে ভালো রেখেছো সেটাই হোক, আমাকে ধৈর্য দাও”?

যদি আমি এর বদলে বলি—

“হে আল্লাহ, আমার স্বামীর সব কল্যাণ আমার মধ্যে রাখো এবং আমার সব কল্যাণ তার মধ্যে রাখো”—এটা কি গুনাহ হবে?

আমি কি কুফরি করছি?

আমার ভয় হচ্ছে—যদি আমি বলি, ‘হে আল্লাহ, তুমি যেটা ভালো মনে করো সেটাই করো’—তাহলে কি আমি পরোক্ষভাবে দ্বিতীয় বিয়ে চাচ্ছি?” কিন্তু আবার তহ বলছি আমি যে হে আল্লাহ  তার সব কল্লান আমার মরধে রাখ। সুধু এত টুকু বললে হবে?নাকি এ ও বলা উচিত যে তুমি জান  কিসে ভাল তুমি তাই কর. এই লাইন না বললে কিছু হবে?

1 Answer

0 votes
by (764,700 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

হাদীস শরীফে এসেছেঃ 

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْجُمَحِيُّ، - وَهُوَ رَجُلٌ صَالِحٌ حَدَّثَنَا صَالِحٌ الْمُرِّيُّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ادْعُوا اللَّهَ وَأَنْتُمْ مُوقِنُونَ بِالإِجَابَةِ وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ لاَ يَسْتَجِيبُ دُعَاءً مِنْ قَلْبٍ غَافِلٍ لاَهٍ "

আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কবুল হওয়ার পূর্ণ আস্থা নিয়ে আল্লাহ তা'আলার কাছে দুআ কর। তোমরা জেনে রাখ যে, আল্লাহ তা'আলা নিশ্চয় অমনোযোগী ও অসাড় মনের দুআ কবুল করেন না।
(তিরমিজি ৩৩৭৯)

আল্লাহ্র প্রতি ভাল ধারণা নিয়ে দোয়া করা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমার বান্দা আমার প্রতি যেমন ধারণা করে আমি তেমন।”[সহিহ বুখারী (৭৪০৫) ও সহিহ মুসলিম (৪৬৭৫)] 

আবু হুরায়রা (রাঃ) এর হাদিসে এসেছে, “তোমরা দোয়া কবুল হওয়ার দৃঢ় বিশ্বাস (একীন) নিয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া কর।”[সুনানে তিরমিযি, সহিহুল জামে গ্রন্থ (২৪৫)]

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন, 
প্রশ্নে উল্লেখিত পদ্ধতিতে কেহ দোয়া করলে এতে গুনাহ/কুফরি হবেনা।

এমন দোয়া করা যেতে পারে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

...