আমি যদি আল্লাহর কাছে এভাবে দোয়া করি—
“হে আল্লাহ, তুমি আমার ও আমার স্বামীর জন্য একটি সুন্দর সংসার দাও। আমাদের মাঝে কোনো তৃতীয় ব্যক্তি যেন না আসে। আমার স্বামী যেন আর কাউকে বিয়ে না করেন। তাকে আমার জন্য যথেষ্ট করে দাও এবং আমাকে তার জন্য যথেষ্ট করে দাও। তার সবকিছু যেন শুধু আমাকে নিয়েই থাকে।
হে আমার রব, আমি তোমার সব বিধান মেনে নিই। কিন্তু তুমি জানো, দ্বিতীয় বিয়ে আমার জন্য খুব কষ্টদায়ক হবে। তুমি তো বলেছো, তুমি কাউকে তার সামর্থ্যের বাইরে বোঝা দাও না। তাই আমি তোমার কাছে এমন কঠিন পরীক্ষা ও বিপদ থেকে আশ্রয় চাই। আমাকে এমন পরিস্থিতি দিও না। আমার মানসিক শান্তির জন্য এটা খুবই কষ্টকর হবে—তুমি তো তা জানো।
তবে যদি কখনো এমন কিছু হয়ে যায়, তাহলে আমাকে ধৈর্য দিও। কিন্তু হে আল্লাহ, এমন পরিস্থিতি সত্যিই আমার জন্য খুব কষ্টদায়ক। আমি তোমার কাছে এই অবস্থা থেকে পানাহ চাই।”
এভাবে দোয়া করা কি ঠিক হবে?
আমি যখন বললাম, “যদি এমন হয় তাহলে আমাকে ধৈর্য দিও”—এর মানে কি আমি সেই পরিস্থিতি চাচ্ছি?
আমি আসলে বোঝাতে চেয়েছি, যদি আল্লাহ এমন কিছু নির্ধারণ করেন, তাহলে আমি তাঁর কাছে আত্মসমর্পণ করছি।
আরেকটা প্রশ্ন হলো, আমার কি এভাবে আবার বলা উচিত—
“হে আল্লাহ, তুমি যেটাতে ভালো রেখেছো সেটাই হোক, আমাকে ধৈর্য দাও”?
যদি আমি এর বদলে বলি—
“হে আল্লাহ, আমার স্বামীর সব কল্যাণ আমার মধ্যে রাখো এবং আমার সব কল্যাণ তার মধ্যে রাখো”—এটা কি গুনাহ হবে?
আমি কি কুফরি করছি?
আমার ভয় হচ্ছে—যদি আমি বলি, ‘হে আল্লাহ, তুমি যেটা ভালো মনে করো সেটাই করো’—তাহলে কি আমি পরোক্ষভাবে দ্বিতীয় বিয়ে চাচ্ছি?” কিন্তু আবার তহ বলছি আমি যে হে আল্লাহ তার সব কল্লান আমার মরধে রাখ। সুধু এত টুকু বললে হবে?নাকি এ ও বলা উচিত যে তুমি জান কিসে ভাল তুমি তাই কর. এই লাইন না বললে কিছু হবে?