আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
55 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (1 point)
আমি একটা মাদরাসার খেদমতে আছি। ওখানে মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা তার মেয়ের জ্বরের জন্য হাতে হলুদ সুতা বেঁধে দেয়, আর সুতায় চিকন কঞ্চির মতো একটু কাঠি বাঁধা থাকে। এখন এগুলো কতটা জায়েজ?


আমি তাদের কী বলে বুঝাবো যদি এটা নাজায়েজ হয়? কারণ আমি শুনেছি তাবিজ–টাগি এসব বাঁধা শিরক। এগুলো কি ছোট নাকি বড় শিরক?


আর অনেকে বলে যারা বাচ্চাদের তাবিজ–টাগি দেয় — এগুলো না দিলে বাচ্চাদের জিনজাতীয় সমস্যা হয়, অসুখ–বিসুখ হয়। তবে আমরা বিশ্বাস রাখি এগুলো ভালো আল্লাহই করেন, কিন্তু মাধ্যম হিসেবে এসব ব্যবহার করি।


এসবের বিকল্প হিসেবে তাদের আমি কী সাজেস্ট করবো?

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم

https://ifatwa.info/50778/ নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ
সুতোয় গিট দিয়ে কাছপড়া পরা দেয়া ,অথবা বাচ্চাদের গলাতে বা কোমড়ে গিট দেয়া বা মোটা কালো সুতা পরানো হয়, আকিদা বিশুদ্ধ থাকলে এগুলো শিরক হবে না। তবে এমনটা না করাই উত্তম। এগুলোকে বিদ'আত বলা যাবে না।

তাবিজে কুরআনের আয়াত, আল্লাহর নাম, দুআয়ে মাসুরা বা শিরকমুক্ত অর্থবোধক থাকলে এবং তাবিজের ক্ষেত্রে মুয়াসসার বিজজাত তথা আরোগ্যের ক্ষমতা আল্লাহ তাআলাকেই মনে করা হলে। তার ব্যবহার জায়েজ আছে।

হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُعَلِّمُهُمْ مِنَ الْفَزَعِ كَلِمَاتٍ: «أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ، مِنْ غَضَبِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ، وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونِ» وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يُعَلِّمُهُنَّ مَنْ عَقَلَ مِنْ بَنِيهِ، وَمَنْ لَمْ يَعْقِلْ كَتَبَهُ فَأَعْلَقَهُ عَلَيْهِ

আমর ইবনে শুআইব তাঁর পিতা ও তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে,রাসূল (সঃ) ইরশাদ করেন,তোমাদের কেউ যখন ঘুম অবস্থায় ঘাবড়িয়ে উঠে,সে যেন  أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ، مِنْ غَضَبِهِ وَشَرِّ عِبَادِهِ، وَمِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ وَأَنْ يَحْضُرُونِ দো’আটি পাঠ করে। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর তাঁর উপযুক্ত সন্তানদের তা শিক্ষা দিতেন এবং ছোটদের গলায় তা লিখে লটকিয়ে দিতেন।{সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৩৮৯৫}

বিস্তারিত জানুনঃ 
,
তবে কিছু ইসলামী স্কলার এটাকে পুরোপুরি নাজায়েজ বলেন।
সুতরাং তাদের মতানুসারী গন সেই মত অনুযায়ী আমল করতে পারবেন। 

কোনো সমস্যা নেই। 

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে যদি গাছের কাঠি বা শিকর সুতা দিয়ে বেধে হাতে পরে থাকে,সেক্ষেত্রে আকীদা বিশুদ্ধ রেখে সেটি ব্যবহার করা যাবে।
এতে শিরক হবেনা। 

সর্বক্ষেত্রে আকীদা বিশুদ্ধ রাখতে হবে, অর্থাৎ মুয়াসসার বিজজাত তথা আরোগ্যের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহ তাআলাকেই মনে করতে হবে।

নতুবা এটি জায়েজ হবেনা। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...