বন্ধককৃত বস্তু বন্ধকগ্রহীতার কাছে আমানতস্বরূপ।
★বন্ধকি জমি থেকে বন্ধকগ্রহীতার কোনো ফায়দা হাসিল করা নাজায়েজ ও হারাম। এমনকি বন্ধকদাতা এর অনুমতি দিলেও পারবে না। কারণ বন্ধকি জমি থেকে বন্ধকগ্রহীতা কোনো ধরনের ফায়দা উপভোগ করা সুদের অন্তর্ভুক্ত, যা হারাম। (বাদায়েউস সানায়ে : ৬/১৪৬)
ইবনে সিরিন (রহ.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক লোক সাহাবি ইবনে মাসউদ (রা.)-এর কাছে জিজ্ঞেস করল, এক ব্যক্তি আমার কাছে একটি ঘোড়া বন্ধক রেখেছে, তা আমি আরোহণের কাজে ব্যবহার করেছি। ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, তুমি আরোহণের মাধ্যমে এর থেকে যে উপকার লাভ করেছ তা সুদ হিসেবে গণ্য হবে। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস : ১৫০৭১)
,
বিখ্যাত তাবেয়ি ইমাম কাজি শুরাইহ (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, সুদ পান করা কিভাবে হয়ে থাকে? তিনি বলেন, বন্ধকগ্রহীতা বন্ধকি গাভির দুধ পান করা সুদ পানের অন্তর্ভুক্ত। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস : ১৫০৬৯)
,
বৈধ পদ্ধতি সম্পর্কে জানুনঃ
এ সংক্রান্ত বিস্তারিত মাসয়ালা জানুনঃ
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত পদ্ধতি নাজায়েজ।
এটি জায়েজ পদ্ধতি নয়।
এভাবে সেই জমি থেকে নিজে চাষাবাদ করা বা অন্য কাউকে দিয়ে চাষাবাদ করানো কোনোটাই জায়েজ নেই,সেই জমি থেকে কোনো ভাবেই উপকৃত হওয়া যাবেনা।
এমতাবস্থায় সে জমি ব্যবহার যেহেতু হারাম,তাই সেই জকি হতে যেসব ফসল উৎপন্ন হবে, সব ফসল হারাম বলে বিবেচিত হবে।
হারাম সম্পদের উপর যেহেতু যাকাত নেই, তাই সে ফসলেরয়া যাকাত দিতে হবে না।
এই ফসল পুরোপুরি মিসকিনদের মাঝে সদকা করে দিতে হবে।
,
(০২)
হ্যাঁ তার স্ত্রীর মালিকানায় যদি নেসাব পরিমাণ সম্পদ না থাকে, তার স্ত্রী যদি দরিদ্র হয়, সেক্ষেত্রে তার স্ত্রীকে যাকাত দেওয়া যাবে।