ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) কুরবানী ওয়াজিব হওয়ার জন্য হাতে টাকা থাকা আবশ্যক নয়। নেসাবের মালিকের যদি হাতে টাকা না থাকে,তাহলে এক্ষেত্রেও তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে।
(২) একজন নারী স্বর্ণ আছে যেটা স্বর্ণের নিসাবের থেকে কম। তার কাছে কয়েকগ্রাম রুপা ছিল যেটা সে স্বামীর কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।এই নারীর উপর যাকাত ফরয হবে না। তার যদি নেসাব পরিমাণ অক্রমবর্ধমান মাল যেমন জায়গা জমি, ঘরের আসবাব পত্র না থাকে, তাহলে কুরবানী ওয়াজিব হবে না।
(৩) যাকাত ফরজ হলেই তার উপর কুরবানীও ওয়াজিব হবে।
(৪) ইহরাম অবস্থায় নিকাব দিয়ে মুখ ঢাকা নিষেধ। নারী পুরুষ সবার জন্যই এই বিধান। মহিলাদের জন্য অতিরিক্ত বিধান হল, গায়রে মাহরামের সামনে মুখ ঢেকে রাখবে। ইহরাম অবস্থায় ভুলে মুখে কাপড় লেগে গেলে এবং সাথে সাথেই সরিয়ে নিলে দম বা সদকাহ কিছুই ওয়াজিব হবে না। ১২ ঘন্টার অধিক সময় ধরে মুখ ঢেকে রাখলে তখন দম ওয়াজিব হবে। ১২ ঘন্টার চেয়ে কম হলে একটি সদকায়ে ফিতির সমপরিমাণ টাকা সদকাহ করতে হবে।
الفقه الإسلامي وأدلته (3/ 599):
"وأجاز الشافعية والحنفية ذلك بوجود حاجز عن الوجه فقالوا: للمرأة أن تسدل على وجهها ثوباً متجافيا عنه بخشبة ونحوها، سواء فعلته لحاجة من حر أو برد أو خوف فتنة ونحوها، أو لغير حاجة، فإن وقعت الخشبة فأصاب الثوب وجهها بغير اختيارها ورفعته في الحال، فلا فدية. وإن كان عمداً وقعت بغير اختيارها فاستدامت، لزمتها الفدية". فقط واللہ اعلم
(৫) উমরাহ এবং হজ্বের একই বিধান। হজ্ব ক্যাপ যা বাজারে পাওয়া যায়, সেটা ব্যবহার করবেন।
(৬) শুধুমাত্র তওয়াফ করার সময় নিকাব পড়া যায়?
(৭) উমরাহ এবং হজ্জের ক্ষেত্রে কখনই নেকাব পড়া যাবে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নেকাব পরিধানের অনুমতি থাকবে।
(৮) উমরাহ এবং হজ্জের সময় গায়রে মাহরামের সামনে নেকাব পড়া যাবে।
(৯) স্বামীর অজান্তে তার ফোন চেক করা কখনই উচিত হবে না।সন্দেহ হোক বা না হোক, কখনই চেক করা যাবে না।হ্যা, স্বামীর অনুমতি নিয়ে চেক করা যাবে। স্বামী গোনাহে লিপ্ত থাকার সন্দেহ হলে করা যাবে তবে গোনাহ সম্পর্কে কাউকেই অবগত করা যাবে না।