ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
وَكُلُواْ وَاشْرَبُواْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ثُمَّ أَتِمُّواْ الصِّيَامَ إِلَى الَّليْلِ
আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত।(সূরা বাকারা-১৮৭)
আল্লাহ তা'আলা আরো বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَلَا تُبْطِلُوا أَعْمَالَكُمْ
হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না।(সূরা মুহাম্মাদ-৩৩) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1959
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) মুখে পানি বা খাবারের লোকমা থাকায় অবস্থায় আজান দিয়ে দিলে সেগুলো ফেলে দিয়ে রোযার নিয়ত করে নিতে হবে।
(২) প্লেটে খাবার বাকি থাকাবস্থায় আজান দিয়ে দেয়ার পর খাবার খাওয়া হলে সেদিনের রোজা হবে না। রোযা কাযা আদায় করতে হবে। কাফফারা আসবে না।
لما فى تنویر الابصار:
سحر یظن الیوم لیلا والفجر طالع قضی فقط(در المختار مع رد المحتارجلد3صفحہ 436مطبوعہ بیروت)
(৪) হানাফি মাযহাব অনুসরণ কারীদের জন্য ৮রাকাত পড়ার কোনো সুযোগ নাই বরং বিশ রাকাতই পড়তে হবে।