আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
74 views
in সালাত(Prayer) by (14 points)
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহু। হুজুর আমি ভারত থেকে 12 বছর হলে নামাজ ফরজ হয় But তখন আমি আল্লাহ দিন থেকে বেখবর ছিলাম। But যখন আমার বয়স 23 বছর হয় তকখন থেকে আমি পাঁচ অক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে পড়ে আসছি। তারপর 2024 নভ মাসে আমি সিকিউরিটি জব পাই। তো সকাল 9 থেকে সন্ধ্যা 6 পর্যন্ত আমার duty Time একটি Finance Bake কে কিন্তু সমস্যা এখানে সারা দিন Duty করে বাড়ি ফিরে কেলান্তো থাকি শরীরে Energy পাই না যে আগে কাযা নামায পড়ে তার পর এসা নামাজ জামাতে পড়ব তো এমন কোনো বিশেষ নামাজ আছে কি যে একটি নামাজে সারা দিনের কাযা নামায আদায় হয়ে যাবে কারণ রোজ রোজ কাযা নামাজ পড়তে কষ্ট হয় আর সময় ও থাকে না ও পাড়ে এসা নামাযযের সময় হয়ে যায় দোয়া করে আমাকে সঠিক মাসআলা দিন plz

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
إِنَّ الصَّلاَةَ كَانَتْ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ كِتَابًا مَّوْقُوتًا
নিশ্চয় নামায মুসলমানদের উপর ফরয নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে।(সূরা নিসা-১০৩)

পুরুষ-মহিলার সবার উপরই নির্দিষ্ট সময়ে নামায পড়া ফরয।
وذهب الحنفية إلى أن تارك الصلاة تكاسلا عمدا فاسق لا يقتل بل يعزر ويحبس حتى يموت أو يتوب.
হানাফী মাযহাব মতে নামায তরক কারীকে হত্যা করা হবে না, বরং তাকে আমৃত্যু বন্দী করে রাখা হবে,যতক্ষণ না সে তাওবাহ করবে।

وذهب الحنابلة: إلى أن تارك الصلاة تكاسلا يدعى إلى فعلها ويقال له: إن صليت وإلا قتلناك، فإن صلى وإلا وجب قتله ولا يقتل حتى يحبس ثلاثا ويدعى في وقت كل صلاة، فإن صلى وإلا قتل حدا، وقيل كفرا، أي لا يغسل ولا يصلى عليه ولا يدفن في مقابر المسلمين. لكن لا يرق ولا يسبى له أهل ولا ولد كسائر المرتدين.
হাম্বলী মাযহাব মতে, নামায তরককারীকে সর্বপ্রথম নামাযের কথা বলা হবে যে,তুমি যদি নামায না পড়ো তবে তোমার উপর হত্যার আইন প্রয়োগ করা হবে।যদি নামাযের দাওয়াত দেয়ার পরও নে নামায না পড়ে, তাহলে তাকে হত্যা করা হবে।তথা তিনদিন জেলে রাখা হবে,এবং প্রত্যেক নামাযের ওয়াক্তে তাকে ডাকা হবে।যদি পরে নেয় তাহলে ভালো,নতুবা তখনই তাকে হত্যা করা হবে।

হাম্বলী মাযহাবের কেউ কেউ মনে করেন,তখন তাকে কুফরীর শাস্তি বা হত্যা প্রয়োগ হবে।সুতরাং তাকে গোসল দেয়া হবে না,জানাযা পড়াও হবে না।এবং মুসলমানদের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে না যেমন সাধারণ মুরতাদের বেলায় হুকুম প্রযোজ্য হয়ে থাকে। (আল-মাওসুআতুল ফেকহিয়্যাহ-২৭/৫৩) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/3936


সু-প্রিয় পাঠকবর্গ ও প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনাকে যে করেই হোক নামায পড়তে হবে। নামায পরিত্যাগ করা জায়েয হবে না। প্রয়োজনে বর্তমান চাকুরীকে বাদ দিয়ে ভিন্ন কোনো চাকুরির সন্ধান করতে হবে। বিনা কারণে নামায কাযা করলে অবশ্যই গোনাহ হবে। সাবালক হওয়ার পর থেকে নিয়ে যত নামায কাযা হয়েছে, সবগুলি নামাযকে কাযা করতে হবে। এমন কোনো আমল বা নামায নেই যা দৈনিক সকল নামাযের স্থলাভিষিক্ত হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...