বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আপনার প্রশ্ন থেকে আমরা যা বুঝেছি,আপনার এ বিষয়টা হয়তো মনস্তাত্ত্বিক। এটা শয়তানের পক্ষ্য থেকে ওয়াসওয়াসা।যাতে করে শয়তান আপনাকে কষ্টে নিপতিত করে।এবং শেষ পর্যন্ত ইবাদতকে আপনার নিকট অসহনীয় ও কষ্টকর করে তুলতে পারে।সুতরাং এমন পর্যায়ের কাউকে আবার ওজু করার নির্দেশ দেয়া হবে না।এবং খুজতে আদেশ করা হবে না যে,কিছু বের হল কি না? বরং তার উপর দায়িত্ব হল সে প্রথমে ইস্তেঞ্জা করবে,তারপর লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে দিবে।যাতেকরে তার সামনে ওয়াসওয়াসার দরজা সমূলে ধংশ হয়ে যায়।অতঃপর সে অজু করবে এবং নামায পড়বে।সে শয়তানের প্ররোচনার দিকে ভ্রুক্ষেপ করবে না যে,কিছু বের হয়েছে কি না।
কিন্তু যদি কারো ঈয়াকিন বা পূর্ণ বিশ্বাস হয় যে,কিছু বের হয়েছে,তাহলে এমতাবস্থায় সে আবার অজু করতে হবে।সেজন্য আপনি রোমাল বা টিস্যু ইত্যাদি লজ্জাস্থানে রেখে তারপর পবিত্র হওযার চেষ্টা করবেন।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) নাপাকি ধৌত করার পানির ছিটা কাপড়ে বা শরীরে লাগলে কাপড় বা শরীর নাপাক হবে।
(২) ৩ বার পানি ঢেলে ধৌত করে নিলে কাপড় বা শরীর পাক হয়ে যাবে।
(৩) প্রসাবের পর পানি দ্বারা লিঙ্গকে ৩ বার ধৌত করতে হবে।
(৪) ধোয়ার পানি লাগলে গন্ধ না পাইলেও তা নাপাক হিসেবে বিবেচিত হবে।
(৫) ফ্লোর নাপাক থাকলে সেখানে টেপের পানি ছাড়লে পানি পরার পর ছিটা চারদিকে ছড়িয়ে যায়, সেই ছিটা নাপাক হিসেবে বিবেচিত হবে।