আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
78 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (18 points)

সম্মানিত হুজুর, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনি ভালো আছেন। আমার ব্যক্তিগতভাবে কিছু মাসআলা জানার প্রয়োজন হয়েছে, বিশেষ করে একাধিক বিবাহ ও এর সাথে সম্পর্কিত কিছু শরয়ি বিধান সম্পর্কে। তাই কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আপনার কাছ থেকে সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে খুবই উপকৃত হবো, ইনশাআল্লাহ।

 

আমার কিছু প্রশ্ন:

১. যদি কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে বলে যান যে “আমার মৃত্যুর পর তুমি আর বিবাহ করবে না”, তাহলে এমন কথা বলা কি শরিয়তের দৃষ্টিতে গুনাহ হবে?

২. যদি কোনো ব্যক্তি প্রথম বিবাহের পরও আর্থিক কষ্টে থাকেন, তাহলে কি দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ বিবাহ করলে আল্লাহ তাআলা তার রিজিক ও অভাব দূর করে দিবেন? এ ক্ষেত্রে কি সংসারে বরকত বৃদ্ধি হওয়ার কথা শরিয়তে বলা হয়েছে?

৩. দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ বিবাহ করার ক্ষেত্রে কেমন ধরনের নারীকে বিবাহ করা উত্তম? অর্থাৎ শরিয়তের দৃষ্টিতে কী কী বিষয় বিবেচনা করা উচিত?

৪. একাধিক বিবাহের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত কিছু বিষয় জানতে চাইঃ 

  • স্বামী মারা গেলে তার সম্পদের ভাগ কি স্ত্রীগণও পাবেন, নাকি শুধু সন্তানরাই পাবে?

  • আগের স্ত্রীর ঘরের সন্তানরা কি সেই সম্পত্তিতে সমানভাবে অংশ পাবে?

  • যদি কোনো স্ত্রী স্বামীর মৃত্যুর পর পুনরায় অন্যত্র বিবাহ করেন, তাহলে কি তিনি পূর্ব স্বামীর সম্পত্তির অংশ পাবেন?

  • আর যদি তিনি সেই সম্পদের অংশ পান, তাহলে কি তার নতুন স্বামী সেই সম্পদের ওপর কোনো অধিকার পাবে?

৫. এমন কোনো সহিহ আমল বা দোয়া আছে কি, যার মাধ্যমে স্ত্রীগণ স্বামীর অনুগত থাকবে এবং একাধিক স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ বা ফাসাদ কম হবে? এ বিষয়ে কুরআন-হাদিসভিত্তিক কোনো আমল থাকলে দয়া করে জানাবেন।

 

একাধিক বিবাহ সম্পর্কে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নঃ 

৬. একাধিক স্ত্রী থাকলে তাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করার সঠিক শরয়ি পদ্ধতি কী? কোন কোন ক্ষেত্রে সমতা বজায় রাখা ফরজ?

৭. একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে সময় বণ্টনের নিয়ম কী? যেমন রাত যাপন, ভরণপোষণ ইত্যাদি কীভাবে সমানভাবে করতে হবে?

৮. যদি কোনো ব্যক্তি ন্যায়বিচার করতে পারবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহে থাকে, তাহলে কি তার জন্য একাধিক বিবাহ করা শরিয়তে নিরুৎসাহিত?

৯. প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করলে শরিয়তের দৃষ্টিতে এর হুকুম কী?

১০. একাধিক বিবাহের ক্ষেত্রে স্বামীর ওপর ভরণপোষণ, বাসস্থান ও অন্যান্য দায়িত্ব কীভাবে নির্ধারিত হয়?

১১. যদি কোনো স্ত্রী স্বামীর অন্য বিবাহ মেনে নিতে না পারে, তাহলে শরিয়তে তার জন্য কী ধরনের সমাধান বা অধিকার রয়েছে?

১২. একাধিক বিবাহের ক্ষেত্রে সংসারে শান্তি বজায় রাখার জন্য ইসলাম কী ধরনের নৈতিক শিক্ষা বা নির্দেশনা দিয়েছে?

১৩. একজন ব্যক্তি কি আর্থিকভাবে সম্পূর্ণ সক্ষম না হয়েও দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিবাহ করতে পারে? নাকি আগে ভরণপোষণের সামর্থ্য থাকা শর্ত?
১৪. একাধিক স্ত্রী থাকলে কি প্রত্যেককে আলাদা বাসস্থান দেওয়া বাধ্যতামূলক, নাকি একই বাসায় রাখা যেতে পারে?
১৫. একাধিক স্ত্রী থাকলে স্বামী যদি কোনো একজনকে বেশি ভালোবাসে, তাহলে কি তা গুনাহ হবে? ভালোবাসা ও আচরণের ক্ষেত্রে শরিয়তের সীমা কী? 
১৬. একাধিক স্ত্রীর মধ্যে যদি ঝগড়া-বিবাদ হয়, তাহলে স্বামীর করণীয় কী? শরিয়ত এ বিষয়ে কী দিকনির্দেশনা দেয়?
১৭. দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিবাহ করলে কি স্বামীর ওপর মাহর (মোহরানা) দেওয়া বাধ্যতামূলক? এবং তা কি প্রথম স্ত্রীর সমান হওয়া জরুরি?
১৮. একাধিক স্ত্রী থাকলে কি প্রত্যেককে সমান ভরণপোষণ দিতে হবে, নাকি প্রয়োজন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে?
১৯. একাধিক বিবাহ করলে কি স্বামীর ওপর কোনো বিশেষ আমানত বা দায়িত্বের কথা কুরআন-হাদিসে উল্লেখ আছে?
২০. একাধিক বিবাহের ক্ষেত্রে সংসারে শান্তি ও ন্যায়বিচার বজায় রাখতে ইসলাম কী কী নৈতিক শিক্ষা দিয়েছে?

সম্মানিত হুজুর, বিষয়গুলো আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই শরিয়তের সহিহ দৃষ্টিভঙ্গি জানার উদ্দেশ্যে আপনার নিকট প্রশ্নগুলো পেশ করলাম। আপনার মূল্যবান সময় ব্যয় করে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে দিকনির্দেশনা দিলে আল্লাহ তাআলা আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন, আপনার ইলমে বরকত দান করুন এবং আমাদের সবাইকে সহিহ বুঝ ও আমলের তাওফিক দান করুন।

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।

by (11 points)
reshown by
wanna know about it also

1 Answer

0 votes
by (766,140 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

https://www.ifatwa.info/6683 নং ফাতওয়ায় বর্ণিত রয়েছে ,
শরীয়তের বিধান মতে একাধিক স্ত্রীর মাঝে যদি ইনছাফ করতে পারে,তাহলে প্রয়োজনের স্বার্থে একাধিক বিবাহ করতে পারবে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন
فانكحوا ما طاب لكم من النساء مثنى وثلاث ورباع 
তোমরা বিবাহ করবে নারীদের মধ্যে যাকে তোমার ভালো লাগে—দুই, তিন অথবা চার। আর যদি আশঙ্কা করো যে সুবিচার করতে পারবে না, তাহলে একজনকে (বিয়ে করো)।(সুরা : নিসা, আয়াত-৩)

দ্বিতীয় বিয়ে করার ইসলামী শর্ত বেশ কঠিন অনেক কড়া। আগের স্ত্রীর সব ধরনের হক আদায়ের পর নতুন বিয়ের পরেও সমান তালে সব অধিকার পালন করার আত্মবিশ্বাস থাকলেই কেবল যৌক্তিক কারণে দ্বিতীয় বিয়ে করা যায়।
قال اللہ تعالی:فإن خفتم ألا تعدلوا فواحدة الآیة (سورہ نسا، آیت:۳)
 আল্লাহতায়ালা বলেন, একাধিক বিয়ের সুবিধা যাদের আছে, তারা যদি সম অধিকার বজায় রাখার ক্ষেত্রে ভীত হও, তাহলে এক বিয়ে পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাক। 
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِىِّ ﷺ قَالَ : «إِذَا كَانَتْ عِنْدَ الرَّجُلِ امْرَأَتَانِ فَلَمْ يَعْدِلْ بَيْنَهُمَا جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَشِقُّه سَاقِطٌ». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَأَبُوْ دَاودَ وَالنَّسَائِىُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَالدَّارِمِىُّ
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কোনো পুরুষের দু’জন সহধর্মিণী থাকে আর সে তাদের মধ্যে যদি ন্যায়বিচার না করে, তবে সে কিয়ামতের দিন একপাশ ভঙ্গ (অঙ্গহীন) অবস্থায় উঠবে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-https://www.ifatwa.info/6683

একাধিক স্ত্রীর মাঝে দুই বিষয়ে সমতা রক্ষা করা অতীব প্রয়োজন। স্ত্রীদের সঙ্গে রাতযাপন ও ভরণ-পোষণ। 

এ দুই অধিকার সব স্ত্রীর ক্ষেত্রে সমানভাবে স্বামীকে পালন করে যেতে হবে। কোন স্ত্রী সুন্দর বা অসুন্দর, আর কোনটি কুমারী বা বিধবা তা পার্থক্য করা যাবে না। 

কিন্তু কোনো স্ত্রীর প্রতি মনের ভালোবাসা বেশি হওয়া, আবার অন্য স্ত্রীর প্রতি কম হওয়া তা সমতার অন্তর্ভুক্ত নয়। কেননা, এটি মনের বিষয়, আর মনের ওপর কারও কোনো অধিকার নেই। একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে শুধু রাতযাপন ও খরচাপাতি এ দুই বিষয়ে সমতা ধর্তব্য। এটাই হলো একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সমতা রক্ষার ইসলামি শরিয়তের বিধান। 

হাদিসে আছে, হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, নবী করিম (সা.) স্ত্রীদের মধ্যে পালাবণ্টন করতেন এবং ন্যায়বিচার করতেন। আর বলতেন, হে আল্লাহ! আমি আমার শক্তি-সামর্থ্যানুযায়ী পালাবণ্টন করলাম। সুতরাং যাতে শুধু তোমার ক্ষমতা রয়েছে, তাতে আমার শক্তি নেই। কাজেই তাতে তুমি আমাকে ভর্ৎসনা করো না। (তিরমিজি : ১১৭০, আবু দাউদ : ২১৩৬)।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই

১. যদি কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে বলে যান যে “আমার মৃত্যুর পর তুমি আর বিবাহ করবে না”, তাহলে এমন কথা বলা শরিয়তের দৃষ্টিতে অগ্রহণযোগ্য। 

২. যদি কোনো ব্যক্তি প্রথম বিবাহের পরও আর্থিক কষ্টে থাকেন, তাহলে দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ বিবাহ করলে আল্লাহ তাআলা তার রিজিক ও অভাব দূর করে দিবেন, এমন কোন কথা কুরআন হাদিসে খুজে পাইনি।

৩. কুফুর মিল রাখা উচিত,অধিক সন্তান প্রসবকারী হলে ভালো হয়।

৪. 

স্বামী মারা গেলে তার সম্পদের ভাগ স্ত্রীগণও পাবেন।

  • আগের স্ত্রীর ঘরের সন্তানরা সেই সম্পত্তিতে সমানভাবে অংশ পাবেনা।

  • যদি কোনো স্ত্রী স্বামীর মৃত্যুর পর পুনরায় অন্যত্র বিবাহ করেন, তাহলেও তিনি পূর্ব স্বামীর সম্পত্তির অংশ পাবেন।

  •  এক্ষেত্রে তার নতুন স্বামী সেই সম্পদের ওপর কোনো অধিকার পাবেনা। হ্যাঁ সেই মহিলা মারা যাওয়ার পর তার নতুন স্বামী শরীয়তের নীতিমালা আলোকে তার স্ত্রীর সম্পদের অধিকারী হবে।


৫. এ সংক্রান্ত জানুনঃ- https://www.ifatwa.info/125199/


৬. রাত যাপন, ভরণপোষণ এর ক্ষেত্রে সমতা বজায় রাখা আবশ্যক। 

৭. এক স্ত্রীর কাছে মাসের দুই সপ্তাহ থাকলে অন্য স্ত্রীর কাছেও মাসের দুই সপ্তাহ থাকতে হবে। এক স্ত্রীকে ৫০০ টাকার বাজার করে দিলে অন্য স্ত্রী কেউ ৫০০ টাকার বাজার করে দিতে হবে।

৮. তাহলে তার জন্য একাধিক বিবাহ করা শরিয়তে নিরুৎসাহিত।

৯. প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিবাহ করলে শরিয়তের দৃষ্টিতে কোনো বিধিনিষেধ নেই।

একাধিক বিবাহের শর্তমালা মেনে চললেই হবে।

১০. একজন স্ত্রী থাকলেও যেমন তাদের এসব দায়িত্ব স্বামীর উপর আবশ্যক, একাধিক স্ত্রী থাকলেও তাদের জন্য নিরাপদ বাসস্থান এবং এ সমস্ত দায়িত্ব পালন তার উপর আবশ্যক।

১১. যদি কোনো স্ত্রী স্বামীর অন্য বিবাহ মেনে নিতে না পারে, সেটি তার ও তার স্বামীর ব্যাপার।  এক্ষেত্রে শরীয়ত স্বামীকে একাধিক বিবাহ হতে বাধা দিবেনা। 

১২. সর্বক্ষেত্রে সমতা বজায় রাখলে ইনশাআল্লাহ শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।

১৩.  আগে ভরণপোষণের সামর্থ্য থাকা শর্ত।


১৪. একাধিক স্ত্রী থাকলে প্রত্যেককে নিরাপদ, পর্দাঘেরা বাসস্থান দেওয়া বাধ্যতামূলক।

১৫. একাধিক স্ত্রী থাকলে স্বামী যদি কোনো একজনকে বেশি ভালোবাসে, তবে শরীয়তের সমস্ত শর্তাবলী ঠিকভাবে মেনে চলে, সর্বক্ষেত্রে সমতা বজায় রেখেই চলে, তাহলে তা গুনাহ হবেনা।


১৬. স্বামী মীমাংসা করে দিবে এতে সমাধান না মিললে তাদের সকলের পরিবারের মুরব্বিদের মাধ্যমে মিটিং করে সমাধানে আসতে হবে।

১৭. দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিবাহ করলেও স্বামীর ওপর মাহর (মোহরানা) দেওয়া বাধ্যতামূলক। তাহা প্রথম স্ত্রীর সমান হওয়া জরুরি নয়। 

১৮. একাধিক স্ত্রী থাকলে প্রত্যেককে সমান ভরণপোষণ দিতে হবে।

(১৯-২০)

উপরে উল্লেখিত শরীয়তের নিদর্শনাবলী মেনে চলতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...