আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
40 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (6 points)
আস-সালা মুআলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহ।


মেয়েদের সাদা স্রাব নাপাক।

তরল বা স্রাব বের হয়ে যদি পায়জামায় লাগে,তাহলে যদি এক দিরহাম চেয়ে কম লাগে,তাহলে ঐ পায়জামা পরে নামাজ হবে,আর যদি এক দিরহাম বা তার চেয়ে বেশি লাগে,তাহলে সেই পায়জামা পড়ে নামাজ হবেনা।

,  
হাদীস শরীফে এসেছেঃ


قَالَ عَطَاءٌ: «تَوَضَّأْ مِنْ كُلِّ حَدَثٍ مِنَ الْبَوْلِ، وَالْخَلَاءِ، وَالْفُسَاءِ، وَالضُّرَاطِ، وَمِنْ كُلِّ حَدَثٍ يَخْرُجُ مِنَ الْإِنْسَانِ


হযরত আত্বা রহঃ বলেন, অযু কর প্রত্যেক হদসের কারণে। যেমন পেশাব, পায়খানা, বায়ু বের হওয়া শব্দসহ বা শব্দ ছাড়া। প্রতিটি বস্তু যা মানুষের শরীর থেকে বের হয়। [মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক-১/১৩৯, হাদীস নং-৫২৭]


বারবার বের হলে নামাজের আগ দিয়ে সেটি চেঞ্জ করতে হবে।

সুবিধা হয়,নামাজের জন্য আলাদা পায়জামা রাখলে।
যেটি উক্ত মেয়ে নামাজের আগে পরিধান করে পরবে।
(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------

মুফতী ওলি উল্লাহ

ইফতা বিভাগ

Islamic Online Madrasah(IOM)


https://ifatwa.info/136987/?fbclid=IwVERDUAQiD35leHRuA2FlbQIxMABzcnRjBmFwcF9pZAwzNTA2ODU1MzE3MjgAAR4RpjVdVYdfzdXeIT3loLEv8jdRfk_DbX2hshVtn2Uf-PrSVzp7oLeycO_ZQA_aem_wKDIemcZhnEYuygIcY_eyw


এইখানে দুইটা তে দুই রকম উত্তর একটাতে বলতেছে এক দিরহাম বা তার চেয়ে কম স্রাব বের হলে ওযু ভাংবেনা।  আরেকটা তে বলছে ছিদ্র দিয়ে বের হলেই ওযু ভেঙ্গে যাবে। আমি খুবই কনফিউজড। একটু বিস্তারিত বলবেন। মিন ফাদ্বলিক।।

1 Answer

0 votes
by (765,300 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

প্রশ্নে উল্লেখিত ১ম ফতোয়ায় উল্লেখ রয়েছেঃ- 
মেয়েদের সাদা স্রাব নাপাক।

তরল বা স্রাব বের হয়ে যদি পায়জামায় লাগে,তাহলে যদি এক দিরহাম চেয়ে কম লাগে,তাহলে ঐ পায়জামা পরে নামাজ হবে,আর যদি এক দিরহাম বা তার চেয়ে বেশি লাগে,তাহলে সেই পায়জামা পড়ে নামাজ হবেনা।
,  
হাদীস শরীফে এসেছেঃ

قَالَ عَطَاء  ;تَوَضَّأْ مِنْ كُلِّ حَدَثٍ مِنَ الْبَوْلِ، وَالْخَلَاءِ، وَالْفُسَاءِ، وَالضُّرَاطِ، وَمِنْ كُلِّ حَدَثٍ يَخْرُجُ مِنَ الْإِنْسَانِ

হযরত আত্বা রহঃ বলেন, অযু কর প্রত্যেক হদসের কারণে। যেমন পেশাব, পায়খানা, বায়ু বের হওয়া শব্দসহ বা শব্দ ছাড়া। প্রতিটি বস্তু যা মানুষের শরীর থেকে বের হয়। [মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক-১/১৩৯, হাদীস নং-৫২৭]

বারবার বের হলে নামাজের আগ দিয়ে সেটি চেঞ্জ করতে হবে।

সুবিধা হয়,নামাজের জন্য আলাদা পায়জামা রাখলে।
যেটি উক্ত মেয়ে নামাজের আগে পরিধান করে পরবে।

২য় ফতোয়ায় উল্লেখ রয়েছেঃ- 
হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 
আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত,  নিশ্চয় রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
إِنَّمَا الْوُضُوءُ مِمَّا خَرَجَ ، وَلَيْسَ مِمَّا دَخَلَ
শরীর থেকে যা কিছু বের হয় এ কারণে অযু ভেঙ্গে যায়, প্রবেশের দ্বারা ভঙ্গ হয় না। (সুনানে কুবরা লিলবায়হাকী ৫৬৮)

https://www.ifatwa.info/2142 নং ফাতাওয়ায় উল্লেখ রয়েছেঃ- 
হানাফি মাযহাবের নির্ভরযোগ্য কিতাব ফাতাওয়ায়ে শামীতে এ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যখ্যা বর্ণিত রয়েছে।
في الدرالمختار-ج:١ـص:١٣٤
(وينقضه) خروج منه كل خارج (نجس) بالفتح ويكسر (منه) أي من المتوضئ الحي معتادا أو لا، من السبيلين أو لا (إلى ما يطهر) بالبناء للمفعول: أي يلحقه حكم التطهير. ثم المراد بالخروج من السبيلين مجرد الظهور وفي غيرهما عين السيلان ولو بالقوة، لما قالوا: لو مسح الدم كلما خرج ولو تركه لسال نقض وإلا لا، كما لو سال في باطن عين أو جرح أو ذكر ولم يخرج،

জীবিত পবিত্রতম কোনো ব্যক্তির প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে অথবা শরীরের অন্যান্য অঙ্গ দিয়ে কোনো নাজাসত বের হলে অজু ভঙ্গ হয়ে যাবে।চায় স্বাভাবিক কিছু বের হোক বা অস্বাভাবিক কিছু বের হোক।প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে যৎ সামান্য কিছু বের হলেই অজু চলে যাবে।আর অন্যান্য অঙ্গ থেকে শুধুমাত্র নাজাসত প্রবাহিত হলেই অজু ভঙ্গ হবে।চায় জোরে হোক বা আস্তে।কেননা ফুকাহায়ে কিরাম লিখেন,যদি কেউ রক্তকে বের হওয়া মাত্রই যখমের মুখ থেকে মুছে নেয়,যদি উক্ত ছেড়ে দেয়া হত,তবে প্রবাহিত হত,এমন প্রকারের যখমের রক্তের কারণে অজু ভেঙ্গে যাবে।নতুবা অজু ভঙ্গ হবে না।তবে যদি রক্ত যখমের ভিতর দৌড়াদৌড়ি করে ,অথবা চোখ কিংবা পুরুষাঙ্গের ভিতরে দৌড়াদৌড়ি করে,কিন্তু বাহিরে আসে না,তাহলে এমন রক্তের কারণে অজু ভঙ্গ হবে না।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,

উপরে উল্লেখিত উভয় ফতোয়ার মাঝে কোন বৈপরিত্য নেই।

২য় ফতোয়াতে ওযু ভাঙ্গা না ভাঙ্গা নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

১ম ফতোয়াতে অযু ভেঙ্গে যাওয়া নিয়ে কোন কথাই উল্লেখ নেই, সেখানে মূলত সেই কাপড়ে নামাজ হবে কিনা সেটা নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

আর দ্বিতীয় ফতোয়াতে অজু ভাঙ্গার বিষয় নিয়ে আলোচনা রয়েছে। 

সুতরাং উভয় ফতোয়ার বিষয়বস্তুই মূলত আলাদা,তাই বৈপরীত্য হওয়ার কোন প্রশ্নই উঠে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...