আমি যখন বিয়ের জন্য দুয়া করতাম, তখন উত্তম ও কল্যানকরভাবে আফিয়াতের সাথে দ্রুত বিয়ে হওয়ার জন্য এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দার সাথে মিলিয়ে দেওয়ার জন্য দুয়া করতাম। আলহামদুলিল্লাহ আমার বিয়ে হয়ে গিয়েছে।কিন্তু আমার স্বামী, উনি ৫ ওয়াক্ত সালাত, রোজা এগুলোর ব্যাপারে সচেতন থাকলেও,, দেখা যায় নামাজ পড়ে এসেই ফোনে নাজায়েজ অপ্রয়োজনীয় ভিডিও দেখতে বসেন। উনাকে যতোই বলি, চলেন ইসলামিক কিছু দ্বীনি কিছু শুনি, উনি সেটাকে কোনো গ্রাহ্য করেন না।
এখন এই বিষয়টা নিয়ে আমি ভেতরে ভেতরে কষ্ট পাই অনেক, কারণ উনি আমার যে দ্বীনের অর্ধেক হবেন,সেটা একেবারেই না। আমার ক্ষেত্রে রিমাইন্ডার পেলে, একসাথে আমল করা দেখলে আমি খুবই তখন উৎসাহ পাই আমলের প্রতি। এজন্য মনে মনে সব সময় ভাবি অনলাইনে যাদেরকে দাঈ হিসাবে চিনি উনাদের মতন কারো সাথে কেন আমার বিয়ে হলো না। উপর উপর সালাত রোজা পালন করলেও একাকী থাকাকালীন নাজায়েজ, ফাহেসা, অশালীন বিষয় থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারেন না এমন একজনকে দিয়ে আল্লাহ কেনো আমার পরীক্ষা নিচ্ছেন।
এজন্য আমি যদি এখন দুয়া করি যে,আল্লাহ আমার জন্য যদি তার মাঝে কল্যান না থাকে আমাকে আফিয়াতের সাথে মুক্ত করে নাও এবং যার দ্বারা আমার অন্তর ও চক্ষু শীতল হবে আমার দ্বীনের অর্ধেক পূর্ন হবে তার সাথে আমাকে মিলিয়ে দাও। এই দুয়া করাতে কি শরীয়তের কোনো বাঁধা আছে? যেহেতু আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করার দুয়া করা যায়না তাই জিজ্ঞেস করা। জানাবেন ইং শা আল্লাহ।