জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
https://ifatwa.info/5258/ নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,
অনেক বুজুর্গানে কেরাম ও শায়েখগণ বলেছেন যে নিম্নোক্ত দোয়া খালেছ দিলে বেশি বেশি পাঠ করিলে দ্রুত বিবাহ হবে, ইনশাআল্লাহ।
সূরা ফুরকান এর ৭৪ নং আয়াতে মহান আল্লাহ্পাক বলেন
وَالَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
এবং যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর।
,
অনেক উলামায়ে কেরাম এই আয়াতের ফজিলত স্বরুপ বলেছেন যে এই আয়াতে রাব্বুল আলামিন আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া শিখিয়েছেন। এই দোয়াটি নিয়মিত পাঠ করলে আশা করা যায় যে নিজের স্ত্রী, সন্তানাদী চক্ষু শীতলকারি, দ্বীনদার পরহেযগার হবে, ইনশাআল্লাহ ।
,
যারা মহান আল্লাহর কাছে উত্তম জীবনসঙ্গী লাভের প্রত্যাশা করে, তাদের উচিত মহান আল্লাহর কাছে তারই শেখানো ভাষায় আবেদন করা। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনুল কারিমে বান্দাকে উত্তম স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান লাভের দোয়া শিখিয়েছেন। যেসব স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান একে অন্যের চোখকে শীতল করবে। কুরআনুল কারিমের এ আয়াতের আমলে আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক পুরুষকেই এমন উত্তম স্ত্রী ও সন্তান দান করবেন, যাদের দেখে পুরুষদের মন শান্ত হয়ে যাবে।
পক্ষান্তরে যে সব নারী এ দোয়ার আমল করবে, আশা করা যায়, আল্লাহ তাআলা সেসব স্ত্রীদেরকেও নয়ন জুড়ানো স্বামী ও সন্তান দান করবেন।
,
দ্রুত বিবাহের জন্য আপনি সালাতুল হাজত -এর নামাজ পড়ে বেশি বেশি দুয়া করতে পারেন।
ইনশাআল্লাহ দ্রুত বিবাহ হবে।
আরো জানুনঃ https://ifatwa.info/2122
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনি উপরে উল্লেখিত আমল গুলি করবেন।
পাশাপাশি সেই ছেলেটিকেও মাহরামের মাধ্যমে উক্ত আমল গুলি করার পরামর্শ দিবেন।এবং মাহরামের মাধ্যমে তাকে বলবেন
তার জন্য উচিত হলো পরিবারকে বুঝানো,সেক্ষেত্রে তিনি তার বাবাকে রাজি করাতে আপনার নানী,খালা,ফুফু দের সহায়তা নিতে পারেন।
তিনি প্রত্যহ তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে দ্রুত বিবাহের জন্য দোয়া করবেন।
এক্ষেত্রে দ্রুত বিবাহের আমল গুলি করার পরামর্শ থাকবে।
এ সংক্রান্ত জানুনঃ-
(০২)
আপনি এভাবে নিয়ত করবেন যে "আমি যতক্ষণ এই রুমে থাকবো ততক্ষণ ইতিকাফের নিয়ত করছি"
(০৩)
এক্ষেত্রে সন্দেহ রোগ কিভাবে ভালো করা যায়, তার চেষ্টা করতে হবে।
(০৪)
নামাজের মাঝে অজু ভাঙলে, কারো সাথে কোনো কথাবার্তা না বলে, কোন খানাপিনা গ্রহন না করে, অজু করে এসে ওই জায়গা থেকেই নামাজ পড়বেন।
(০৫)
ঈদের রাতে রাত জেগে ইবাদত করা গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
এতে অনেক ফজিলত রয়েছে।
তাই ঈদের রাতে তারাতাড়ি না ঘুমিয়ে রাত জেগে ইবাদত করা উচিত।
,
হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছেঃ
حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الْمَرَّارُ بْنُ حَمُّويَةَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُصَفَّى حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ قَامَ لَيْلَتَيْ الْعِيدَيْنِ مُحْتَسِبًا لِلهِ لَمْ يَمُتْ قَلْبُهُ يَوْمَ تَمُوتُ الْقُلُوبُ
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দু’ ঈদের রাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে ইবাদত করবে তার অন্তর ঐ দিন মরবে না, যে দিন অন্তরসমূহ মরে যাবে।
ইবনে মাজাহ ১৭৮২.বায়হাকী ৪/১০৩। যঈফাহ ৫২১, ৫১৩৬, তা’লীকুর রগীব ২/১০০।
৫ টি রাত জাগ্রত থেকে এবাদত ও দোয়ার মধ্যে মশগুল থাকা উচিত। এর বিশেষ ফজিলত হাদিস রয়েছে।
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
"[عن أبي أمامة الباهلي:] خمسُ ليالٍ لا تُرَدُّ فيهنَّ الدعوةُ: أولُ ليلةٍ من رجبٍ وليلةُ النِّصفِ من شعبانَ وليلةُ الجمعةِ وليلةُ الفطرِ وليلةُ النَّحرِ". (ابن عساكر (٥٧١ هـ)، تاريخ دمشق ١٠/٤٠٨ • [فيه] بندار بن عمر الروياني قال النخشبي كذاب • أخرجه الديلمى في «الفردوس» (٢٩٧٥)، وابن عساكر في «تاريخ دمشق» (١٠/٤٠٨)
সারমর্মঃ-
‘পাঁচটি রাত এমন আছে, যেগুলোতে বান্দার দোয়া আল্লাহ তাআলা ফিরিয়ে দেন না, অর্থাৎ অবশ্যই কবুল করেন। রাতগুলো হলো—জুমার রাত, রজবের প্রথম রাত, শাবানের ১৫ তারিখের রাত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার রাত।’
جامع الأحاديث (12/ 310، بترقيم الشاملة آليا:
" خمس ليال لاترد فيهن الدعوة: أول ليلة من رجب وليلة النصف من شعبان وليلة الجمعة وليلة الفطر وليلة النحر". (الديلمى، وابن عساكر عن أبى أمامة. [عبد الرزاق، والبيهقى فى شعب الإيمان]
حديث أبى أمامة: أخرجه الديلمى (2/196، رقم 2975) ، وابن عساكر (10/408).
مصنف عبد الرزاق الصنعاني (4/ 317):
"7927 - قال عبد الرزاق: وأخبرني من، سمع البيلماني يحدث عن أبيه، عن ابن عمر قال: " خمس ليال لاترد فيهن الدعاء: ليلة الجمعة، وأول ليلة من رجب، وليلة النصف من شعبان، وليلتي العيدين ".
সারমর্মঃ-
‘পাঁচটি রাত এমন আছে, যেগুলোতে বান্দার দোয়া আল্লাহ তাআলা ফিরিয়ে দেন না, অর্থাৎ অবশ্যই কবুল করেন। রাতগুলো হলো—জুমার রাত, রজবের প্রথম রাত, শাবানের ১৫ তারিখের রাত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার রাত।’
আব্দুর রায্যাক বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ থেকে একই ধরনের রেওয়ায়াত বর্ণিত হয়েছে।
السنن الكبرى للبيهقي (3/ 445):
"قال الشافعي: " وبلغنا أنه كان يقال: إن الدعاء يستجاب في خمس ليال , في ليلة الجمعة، وليلة الأضحى، وليلة الفطر، وأول ليلة من رجب، وليلة النصف من شعبان " , قال: "وبلغنا أن ابن عمر كان يحيي ليلة جمع ، وليلة جمع هي ليلة العيد؛ لأن في صبحها النحر".
সারমর্মঃ-
ইমাম শাফেয়ী রহঃ বলেন, আমার নিকট পৌছেছে যে ‘পাঁচটি রাত এমন আছে, যেগুলোতে বান্দার দোয়া আল্লাহ তাআলা ফিরিয়ে দেন না, অর্থাৎ অবশ্যই কবুল করেন। রাতগুলো হলো—জুমার রাত, রজবের প্রথম রাত, শাবানের ১৫ তারিখের রাত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার রাত।’
আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাঃ জুমআর রাত্রীতে জাগ্রত হতেন।