আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
66 views
in সাওম (Fasting) by (4 points)
অ্যাবরশনের বা মিসক্যারিজ(দেড় মাসের ভ্রূণ)এর জন্য জানুয়ারি মাসের ২১তারিখ ব্লিডিং শুরু হয়েছিল।৭দিন ভালোভাবে ছিল।এটাকে পিরিয়ড হিসেবে নিয়েছিলো যেহেতু দেড় মাসের ভ্রূণ। এমনিতে হায়েজের এর অভ্যাস ৭/৮দিন। তাই ৮দিনের পর অল্প অল্প ব্লাড দেখা গেলেও নামাজ শুরু করেছিলো। অল্প অল্প ব্লাড অনেকদিন যাচ্ছিলো ।এরপর ৭,৮দিন একেবারেই কিছু ছিলো না।এই ৭,৮দিন পর ১ম রোজা অর্থাৎ ১৯তারিখ ১ম রোজায় বিকেলের পর হালকা ব্লাড দেখা যায়। তবে সে রোজা ভাঙ্গেনি ।ইস্তেহাজা হিসেবে নিয়েছিলো। কিন্তু পরেরদিন দ্বিতীয় রোজায় রোজা থাকা অবস্থায় বিকেলে আবার অল্প একটু ব্লাড দেখা যায় তাই সে পিরিয়ড ভেবে রোজা ভেঙ্গে ফেলে। তবে রিগুলার যেমন পিরিয়ড হয় অর্থাৎ ১ম ৩দিন অনেক ব্লিডিং হয় তেমন ছিলোনা। টিস্যুও ভিজে না বরং কয়েক ফোঁটা ফোঁটা।তবে রং টা হায়েজের মতো আর যেহেতু আগের মাসের ২১তারিখ তারিখ অ্যাবরশন এর ব্লিডিং শুরু হয়েছিল তাই ভেবেছিলো এই মাসেও যেহেতু ১মাস পর এমন সময় ব্লিডিং তো এটা পিরিয়ড ই।আর মিসক্যারিজ এর‌ পর  পিরিয়ড নাকি খুব অল্প হয় আর দ্রুত ভালো হয়।তাই ভেবেছে‌ এটা পিরিয়ড।তো এমন ৫রোজা অব্দি ছিলো। ১ম রোজা করার পর ২য় রোজার নিয়ত করার পর রোজা অবস্থায় বিকেলে আবার ব্লাড দেখার ফলে পিরিয়ড ভেবে ভেঙ্গে ফেলেছে আর বাকি ৩ রোজা করেনি ।টোটাল ৪টা রোজা করেনি। এরপর আর ব্লাড দেখা যায়নি ।

 এরপর ১৩দিন পবিত্র থাকার পর ১৮রোজায় এসে আবার ব্লিডিং শুরু হয় । এইবার বারি ব্লিডিং, ঠিক অ্যাবরশন‌ এর আগে যেমন পিরিয়ডের হতো তেমন। অভ্যাস অনুযায়ী ৮দিন থাকার পর ভালো হয়ে যায়। এই কয়দিন রোজা রাখেনি।এই ব্লিডিং হওয়ার পর মেয়ের দৃঢ় বিশ্বাস হয়েছে এইটাই আসল পিরিয়ড ছিলো এবং প্রথম টা অ্যাবরশন এর কারণ বশত যা সে শুরুতে বোঝেনি। তাহলে প্রথমে ৪টা রোজা যে সে পিরিয়ড ভেবে ভেঙ্গেছে ও নামাজ পরেনি সেই রোজার জন্য কি কাফফারা দিতে হবে? নাকি শুধু কাযা করলেই হবে।

উল্লেখ্য,মেয়ে অনেক ভাবে ঘাঁটাঘাঁটি করেও বুঝতে পারেনি যে প্রথম টা ইস্তুহাজা ছিলো।সে পিরিয়ড ভেবেই রোজা ভেঙ্গেছে।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
যদি চার মাস বা তার চেয়ে বেশী সময়ের পর গর্ভপাত হয় তাহলে গর্ভপাত পরবর্তী নেফাস হিসেবে গণ্য হবে।আর চার মাসের পূর্বে গর্ভপাত হলে সে রক্তকে হায়েয গণ্য করা হবে যদি তা তিনদিন বা তার চেয়ে বেশী সময় অতিবাহিত হয়।আর তিনদিনের কম বা দশদিনের বেশী সময় অতিবাহিত হলে সে রক্তকে ইস্তেহাযার রক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।(আহসানুল ফাতাওয়া-২/৭১)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1570


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যদি চার মাসে আগেই গর্ভপাত হয়, তাহলে ১০ দিন পর্যন্ত রক্তস্রাব হায়েয হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু যদি তিন দিনের কম বা ১০ দিনের বেশী হয়, তাহলে সেটা ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে। আপনার পূর্বের যত দিনের অভ্যাস ছিলো, ততদিন হায়েয হিসেবে গণ্য হবে এবং অতিরিক্ত ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার প্রশ্নটি অস্পষ্ট। আগাগোড়া পড়ে মূল প্রশ্নটা কি পরিস্কার বুঝতে পারিনি। যাইহোক, যা কিছু অনুধাবন করতে পেরেছি, সেই আলোকে বলছি,গর্ভপাত পরবর্তী রক্তস্রাব যদি ১০ দিনের ভিতর বন্ধ হয়ে তাহলে যতদিন হায়েয হবে ততদিনই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে। তবে ১০ দিন অতিক্রম করে ফেলে তাহলে পূর্বের আদত যতদিনের ততদিন হায়েয এবং অতিরিক্ত ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
পিরিয়ড ভেবে রোজা ভেঙ্গে ফেলেছে।তবে পরে বুঝতে পেরেছে এটা পিরিয়ড নয় বরং ইস্তেহাজা। এক্ষেত্রে কি শুধু রোজাগুলোর কাযা  করতে হবে নাকি কাফফারাও দিতে হবে? এটাই মূলত জানতে চাচ্ছিলাম উস্তায 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...