অ্যাবরশনের বা মিসক্যারিজ(দেড় মাসের ভ্রূণ)এর জন্য জানুয়ারি মাসের ২১তারিখ ব্লিডিং শুরু হয়েছিল।৭দিন ভালোভাবে ছিল।এটাকে পিরিয়ড হিসেবে নিয়েছিলো যেহেতু দেড় মাসের ভ্রূণ। এমনিতে হায়েজের এর অভ্যাস ৭/৮দিন। তাই ৮দিনের পর অল্প অল্প ব্লাড দেখা গেলেও নামাজ শুরু করেছিলো। অল্প অল্প ব্লাড অনেকদিন যাচ্ছিলো ।এরপর ৭,৮দিন একেবারেই কিছু ছিলো না।এই ৭,৮দিন পর ১ম রোজা অর্থাৎ ১৯তারিখ ১ম রোজায় বিকেলের পর হালকা ব্লাড দেখা যায়। তবে সে রোজা ভাঙ্গেনি ।ইস্তেহাজা হিসেবে নিয়েছিলো। কিন্তু পরেরদিন দ্বিতীয় রোজায় রোজা থাকা অবস্থায় বিকেলে আবার অল্প একটু ব্লাড দেখা যায় তাই সে পিরিয়ড ভেবে রোজা ভেঙ্গে ফেলে। তবে রিগুলার যেমন পিরিয়ড হয় অর্থাৎ ১ম ৩দিন অনেক ব্লিডিং হয় তেমন ছিলোনা। টিস্যুও ভিজে না বরং কয়েক ফোঁটা ফোঁটা।তবে রং টা হায়েজের মতো আর যেহেতু আগের মাসের ২১তারিখ তারিখ অ্যাবরশন এর ব্লিডিং শুরু হয়েছিল তাই ভেবেছিলো এই মাসেও যেহেতু ১মাস পর এমন সময় ব্লিডিং তো এটা পিরিয়ড ই।আর মিসক্যারিজ এর‌ পর পিরিয়ড নাকি খুব অল্প হয় আর দ্রুত ভালো হয়।তাই ভেবেছে‌ এটা পিরিয়ড।তো এমন ৫রোজা অব্দি ছিলো। ১ম রোজা করার পর ২য় রোজার নিয়ত করার পর রোজা অবস্থায় বিকেলে আবার ব্লাড দেখার ফলে পিরিয়ড ভেবে ভেঙ্গে ফেলেছে আর বাকি ৩ রোজা করেনি ।টোটাল ৪টা রোজা করেনি। এরপর আর ব্লাড দেখা যায়নি ।
এরপর ১৩দিন পবিত্র থাকার পর ১৮রোজায় এসে আবার ব্লিডিং শুরু হয় । এইবার বারি ব্লিডিং, ঠিক অ্যাবরশন‌ এর আগে যেমন পিরিয়ডের হতো তেমন। অভ্যাস অনুযায়ী ৮দিন থাকার পর ভালো হয়ে যায়। এই কয়দিন রোজা রাখেনি।এই ব্লিডিং হওয়ার পর মেয়ের দৃঢ় বিশ্বাস হয়েছে এইটাই আসল পিরিয়ড ছিলো এবং প্রথম টা অ্যাবরশন এর কারণ বশত যা সে শুরুতে বোঝেনি। তাহলে প্রথমে ৪টা রোজা যে সে পিরিয়ড ভেবে ভেঙ্গেছে ও নামাজ পরেনি সেই রোজার জন্য কি কাফফারা দিতে হবে? নাকি শুধু কাযা করলেই হবে।
উল্লেখ্য,মেয়ে অনেক ভাবে ঘাঁটাঘাঁটি করেও বুঝতে পারেনি যে প্রথম টা ইস্তুহাজা ছিলো।সে পিরিয়ড ভেবেই রোজা ভেঙ্গেছে।