আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
78 views
in পবিত্রতা (Purity) by (4 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ্।
আমার বাচ্চা হয়েছে আজ ১মাস ২৬ দিন অর্থাৎ ৫৬ দিন। ৩৭ তম দিনে আমার নেফাস বন্ধ হয়ে যায় এবং আমি সালাত শুরু করি কিন্তু ৪ দিন পর আবার হালকা ব্লিডিং শুরু হলে ইস্তিহাযা ধরে সালাত আদায় করতে থাকি ৬দিন ছিল ব্লিডিং তারপর বন্ধ হয়ে যায়। এখন মাঝখান দিয়ে ১০দিন  ভালো ছিলাম। কিন্তু পড়শু থেকে আবার ব্লিডিং শুরু হয়েছে  আমার মনে হচ্ছে এখন সম্ভবত হায়েজ শুরু হয়েছে কেননা হায়েজের মত লক্ষন মনে হচ্ছে। তাই এখন আমার করনীয় কি? আমি কি সালাত আদায় বন্ধ রাখবো? নাকি আবারো ইস্তিহাযা ধরে সালাত আদায় করবো?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(৬)মাসআলাঃ 
কোন মেয়েলোকের নিয়ম ছিল, প্রসবান্তে ত্রিশ দিন রক্তস্রাব হওয়ার, কিন্তু একবার ত্রিশ দিন চলিয়া যাওয়ার পরও রক্ত বন্ধ হইল না; তাহা হইলে এই মেয়েলোক এখন গোছল করিবে না, অপেক্ষা করিবে। যদি পূর্ণ চল্লিশ দিনের শেষে বা চল্লিশ দিনের ভিতর রক্ত বন্ধ হয়, তবে সব কয়দিনই নেফাসের মধ্যে গণ্য হইবে। আর যদি চল্লিশ দিনের বেশী রক্তস্রাব জারী থাকে, তবে ত্রিশ দিন নেফাসের মধ্যে গণ্য হইবে; অবশিষ্ট কয় দিন ইস্তেহাযা। চল্লিশ দিনের পর গোছল করিবে এবং নামায পড়িবে। ত্রিশ দিনের পরের দশ দিনের নামায কাযা পড়িবে।

(৭)মাসআলাঃ
যদি চল্লিশ দিনের পূর্বেই নেফাসের রক্তস্রাব বন্ধ হয়, তবে স্রাব বন্ধ হওয়া মাত্রই গোছল করিয়া নামায পড়িতে হইবে। গোছল করিলে যদি স্বাস্থ্যের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা প্রবল হয়, তবে তায়াম্মুম করিয়া নামায পড়িবে। খবরদার! এক ওয়াক্ত নামাযও কাযা হইতে দিবে না।

(৮)মাসআলাঃ 
নেফাসের মধ্যেও হায়েযের মত নামায একেবারে মাফ। কিন্তু রোযার কাযা রাখিতে হইবে এবং নামায, রোযা ও স্বামী-স্ত্রীর মিলন সবই হারাম।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
এটা যদি আপনার প্রথম বাচ্চা হয়, এবং ৩৭তম দিন রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে ৩৭ হায়েয হিসেবে গণ্য হবে। অতঃপর ৩৭তম দিনের পরবর্তী ১৫ দিন পর যদি রক্তস্রাব আসে, তাহলে এই রক্তস্রাব হায়েয বলে পরিগনিত হবে। সুতরাং বর্তমান রক্তস্রাব যদি তিনদিন তিনরাত স্থায়ী হয়, তাহলে এই রক্তস্রাব হায়েয বলে পরিগনিত হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...