ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
(১)
নামাযের পর সম্মিলিত মুনাজাত সম্পর্কে ফুকাহায়ে কিরামের ভিন্ন রকম পরস্পর বিরোধী মতামত পাওয়া যায়।
অধিকাংশ উলামায়ে কিরাম প্রচলিত পদ্ধতির মুনাজাতকে বিদ'আত আখ্যায়িত করেছেন।
(আহসানুল ফাতাওয়া , ৩য় খন্ড , পৃঃ ৬৯৮)
অন্যদিকে কিছুসংখ্যক উলামায়ে কিরাম এটাকে মুস্তাহাব বলেছেন।(ইমদাদুল ফাতাওয়া-১/৬৪৫ - ৬৬৬)
সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য কথা হল,
যদি অাক্বিদা বিশুদ্ধ থাকে তথা এমন থাকে যে,নামাযের পর প্রচলিত মুনাজাত পদ্ধতি জরুরী কোনো বিষয় নয়,বরং ইচ্ছাধীন,তাহলে মুনাজাত বৈধ বা জায়েয।বিদ'আত ও নয় আবার মুস্তাহাব ও নয় বরং জায়েয তথা মুবাহ,করাও যেতে পারে আবার নাও করা যেতে পারে।
এই মুনাজাতের উপর পুরুস্কার-তিরস্কার কিছুই আসবে না।
এজন্য ইমাম সাহেব কর্তৃক মুসাল্লিদেরকে বিষয়টি জানিয়ে দেয়া উচিৎ,যাতে করে তাদের আক্বিদা- বিশ্বাস বিশুদ্ধ থাকে।মাঝেমধ্যে সম্মিলিত মুনাজাত পরিত্যাগ করাও উচিৎ,যাতে করে জনসাধারণের মনে এ ধারণা বদ্ধমূল হয় যে,প্রচলিত পদ্ধতির মুনাজাত (বিধান হিসেবে)ফরয বা ওয়াজিব নয়।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সম্মিলিত মুনাজাতে শরীক হওয়াই উচিত।
(২) এটাও করা যাবে। সমস্যা নেই।
(৩) না, মুনাফিকি হবে না।
(৪) জিন,মৃত মানুষকে ভয় করা শিরিক হবে না। তবে আল্লাহর হুকুম না হলে কোনো ক্ষতি হবে না। আল্লাহর কুদরতের সামনে এগুলো তুচ্ছ মনে না করা তাদেরকে সর্বেসর্বা মনে করা শিরিক।
(৫)
আল্লহ তা'আলার হুকুম ছাড়া কেউ আমার কোনো প্রকার ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখেনা। আমার উপর কোনো প্রকার কষ্ট বা বিপদ আপতিত হলেও সেটা তাকদিরে লিপিবদ্ধ ছিলো। এমনটা মনে করা সঠিক আছে।