আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
56 views
in পবিত্রতা (Purity) by (2 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ একবোনের প্রতিবার সাভাবিক ব্লিডিং এর ১৫/২০ দিন পর একবার সাদাস্রাবের সঙ্গে অল্প একটু মিক্সড ডিপ  কালার দেখা যায়, বা হালকা ময়লার মত, এরকম 3/4 দিনে 3/4 বারই মাত্র দেখা যায়, বাকি সময় সাভাবিক সাদাস্রাব।

যেমন পরপর ৩/৪ দিনে প্রতিদিন একবার শুধু বিকালে হালকা মেটে আসলো বাকি সারাদিন পরিষ্কার, এমন।

তারপর 6/7 দিন সম্পূর্ণ ভাল থেকে দ্বিতীয় মাসের সাভাবিক ব্লাড শুরু হয়।

এখন সে কি স্বাভাবিক ব্লাড শুরু হওয়ার ৬-৭ দিন আগে যে অল্প মিক্সড  কালার দেখেছিল সেখান থেকে হায়েয শুরু ধরবে?

তাহলে তার স্বাভাবিক ব্লিডিং শুরু হওয়ার পূর্বেই ৩/৪ দিন মিক্সড+ পূর্ণ ভালো ৬-৭ দিন মিলে প্রায় দশ দিন পূর্ণ হয়ে যায়, অতঃপর দশ দিন হয়ে যাওয়ার কারণে স্বাভাধিক ব্লিডিং এর সময় 5/6 দিন তাকে নামাজ পড়তে হয়। এভাবেই করবে?এক্ষেত্রে তার করণীয় কি?

নিম্নের প্রশ্নোত্তরটি কি সহীহ?

(বেহেশতি জেওর ভিত্তিক সহজ মাসআলা)

প্রশ্ন:

মাসের শুরুতে সামান্য কালচে/হলুদ স্রাব, তারপর পরিষ্কার, পরে আসল হায়েয—তাহলে প্রথমটা কী?

উত্তর:

যদি পরিষ্কার সময় দ্বারা আলাদা হয়ে যায়, তাহলে প্রথম অংশ হায়েয নয়।

উস্তায। আমার করণীয় একটু বলে দিলে মুনাসীব হয়।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হায়েযের সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬) তথা সাদা রং ব্যতীত সকলপ্রকার রং ই হায়েযের অন্তর্ভুক্ত।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,
فَإِنْ لَمْ يُجَاوِزْ الْعَشَرَةَ فَالطُّهْرُ وَالدَّمُ كِلَاهُمَا حَيْضٌ سَوَاءٌ كَانَتْ مُبْتَدَأَةً أَوْ مُعْتَادَةً وَإِنْ جَاوَزَ الْعَشَرَةَ فَفِي الْمُبْتَدَأَةِ حَيْضُهَا عَشَرَةُ أَيَّامٍ وَفِي الْمُعْتَادَةِ مَعْرُوفَتُهَا فِي الْحَيْضِ حَيْضٌ وَالطُّهْرُ طُهْرٌ. هَكَذَا فِي السِّرَاجِ الْوَهَّاجِ. «الفتاوى الهندية» (1/ 37)
মাঝেমধ্যে হায়েয হওয়া আবার মাঝেমধ্যে বন্ধ হওয়া, দশ দিনের ভিতর সবকিছুই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে।চায় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন ঐ মহিলা প্রথমবার হোক বা এ ব্যাপারে অভ্যস্ত থাকুক। যদি রক্তস্রাব দশদিন অতিক্রম করে যায়, তাহলে প্রথমবার এ পরিস্থিতির সম্মুখিন মহিলার জন্য দশদিন হায়েয। আর কোনো এক সংখ্যায় আদত ওয়ালী মহিলার জন্য তার পূর্বের আদতই হায়েয় এবং বাদবাকী সময় তুহুর।(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৭, কিতাবুল-ফাতাওয়া-২/১০৮,কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/১৭২)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-https://www.ifatwa.info/7474


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বেহেশতি জেওর থেকে যেই রেফারেন্স আপনি দিলেন, সেটা তো মূলনীতির উল্টো মনে হচ্ছে, আপনি পৃষ্টার ছবি কমেন্টে দিবেন। তারপর আমরা সিদ্ধান্ত জানাবো।

সাধারণ নিয়ম অনুসারে প্রথম অংশ হায়েয তারপর ১৫ দিন পূর্বে রক্তস্রাব হলে সেটা ইস্তেহাযা। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...