আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
92 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (12 points)
السلام عليكم و رحمة الله و بركاته

একজন মেয়ের প্রশ্ন তার জীবনের শুরু থেকে ঘটনা বলি-

সে যখন ক্লাস ৫ এ পড়তো তার ক্লাসে ছেলে মেয়ে উভয়ের একসাথে ছিল...সেখানে একটা ছেলে তার দিকে তাকায় থাকতো তারও ছেলেটাকে ভালো লাগতো...কিন্তু কোনদিন তাদের সেভাবে কথা ও হয়নি...কিন্তু ফ্রেন্ড দের মাধ্যমে দুইজনই জানতো ওরা দুইজন দুইজনকে পছন্দ করে।।মেয়েটাও বিয়ে করার নিয়ত ছিল,তখন দ্বীন নিয়ে তেমন কিছুই জানা ছিল না
তারপর বড় হতে হতে মেয়েটা চঞ্চল ছিল তো, তার বাসার টিচার তাকে পছন্দ করতো আর সে কৌতূহলী ছিল এসব ব্যাপারে মনে মনে ভাবতো কিন্তু কোনদিন সেই টিচারের সাথে এসব নিয়ে কথা বলেনি।

এছাড়াও কলেজ লাইফ ঢুকার আগে সে জাস্ট একটা ছেলেকে পছন্দ করে রাখছে তাকেই বিয়ে করবে এইভেবে, এটা তার বান্ধবী সেই ছেলের বান্ধবী কে বলে দিছিল আর মেয়েটা ওই ছেলের পোস্টে অনেকসময় রিয়েক্ট দিত আবার মাঝে মধ্যে কথা বলার চেষ্টা করতো তবে কোনই অশ্লীল কথা না স্বাভাবিক শালীন কথা। হাতে গোনা কয়বার এমন ছিল।

এখন মেয়েটা হীনমন্যতায় ভুগছে, সে এখন দ্বীন আজ কয়বছর ধরে পালন করে, সে আল্লাহওয়ালা কাউকে বিয়ে করতে চায়।

এখনকার সমাজে সচ্চরিত্রবান ছেলে পাওয়া কঠিন দেখে মেয়েটা যদি তার বায়োডাটার মধ্যে লিখে যে অতীতে কারো সাথে হারাম সম্পর্কে থাকলে যেন না যোগাযোগ করে, মেয়েও সচেতন ছিল এব্যাপারে তাহলে কী মিথ্যা হবে?

তাছাড়া সে লিখেছে নন মাহরামের সাথে অবাধ মেলামেশা ছিল না তার কী এটা মিথ্যা বলা হবে? কারণ সে বাসার টিচারের কাছে পড়ছিল

মেয়েটার তো অন্তরের যিনা, চোখের যিনা পর্যন্ত হইসিল।এক্ষেত্রে মেয়েটার বায়োডাটাতে একথা লিখা কী মিথ্যার শামিল হবে যে,মেয়েটা হারাম রিলেশনশিপ করে নাই বা এসব থেকে সচেতন ছিল?

তাছাড়া এদের মধ্যে একটা ছেলে সেই ছোট বেলা থেকে এখন বসে আছে মেয়েটার জন্য মেয়েটাকে অনলাইনে আকারে ইঙ্গিতে বুঝায় কিন্তু সে দ্বীনদার না। আর ওই মেয়ে চায় ছেলেটা যেন তার জন্য বসে না থাকে তাই সে নন মাহরাম দেখে তাকে ম্যাসেজ দেয় নাঔ কিন্তু পোস্ট করে স্টোরি দিয়ে বুঝাইছ যে সে দ্বীনদার কাউকে বিয়ে করতে চায়।
এক্ষেত্রে কী গুনাহ হইসে? আর মেয়েটা এমনেওতেও ছেলেটার প্রতি আগে থেকে দূর্বল কিন্তু রিলেশনে জড়ায়নি, মেয়েটার কষ্ট হয় আল্লাহর কাছে দোয়া করি যেন তিনি উত্তম ফয়সালা করে দেয়।
আর কীভাবে অন্তর থেকে এই ছেলেকে সরানো যাবে যেন কোনভাবেই তার ব্যাপারে কষ্ট না আসে?

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
সাধারণ বিধান এটাই যে, গোনাহকে গোপন রাখতে হবে।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,
عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : ( ﻛُﻞُّ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻣُﻌَﺎﻓًﻰ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟْﻤُﺠَﺎﻫِﺮِﻳﻦَ ﻭَﺇِﻥَّ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻤُﺠَﺎﻫَﺮَﺓِ ﺃَﻥْ ﻳَﻌْﻤَﻞَ ﺍﻟﺮَّﺟُﻞُ ﺑِﺎﻟﻠَّﻴْﻞِ ﻋَﻤَﻠًﺎ ﺛُﻢَّ ﻳُﺼْﺒِﺢَ ﻭَﻗَﺪْ ﺳَﺘَﺮَﻩُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻓَﻴَﻘُﻮﻝَ ﻳَﺎ ﻓُﻠَﺎﻥُ ﻋَﻤِﻠْﺖُ ﺍﻟْﺒَﺎﺭِﺣَﺔَ ﻛَﺬَﺍ ﻭَﻛَﺬَﺍ ﻭَﻗَﺪْ ﺑَﺎﺕَ ﻳَﺴْﺘُﺮُﻩُ ﺭَﺑُّﻪُ ﻭَﻳُﺼْﺒِﺢُ ﻳَﻜْﺸِﻒُ ﺳِﺘْﺮَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻋَﻨْﻪُ )
আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আমার সকল উম্মাতকে মাফ করা হবে, তবে প্রকাশকারী ব্যতীত। আর নিশ্চয় এ বড়ই অন্যায় যে, কোন লোক রাতের বেলা অপরাধ করল যা আল্লাহ গোপন রাখলেন। কিন্তু সে সকাল হলে বলে বেড়াতে লাগল, হে অমুক! আমি আজ রাতে এই এই কাজ করেছি। অথচ সে এমন অবস্থায় রাত কাটাল যে, আল্লাহ তার কর্ম লুকিয়ে রেখেছিলেন, আর সে ভোরে উঠে তার উপর আল্লাহর দেয়া আবরণ খুলে ফেলল। (সহীহ বুখারী-৬০৬৯,সহীহ মুসলিম-২৯৯০) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/906


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনি অবশ্যই নিজের বায়োডাটাতে লিখবেন যে, কোনো প্রেম ছিল না। এবং অবৈধ কোনো সম্পর্ক ছিল না। এবং পাশাপাশি অতীতের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...