السلام عليكم و رحمة الله و بركاته
একজন মেয়ের প্রশ্ন তার জীবনের শুরু থেকে ঘটনা বলি-
সে যখন ক্লাস ৫ এ পড়তো তার ক্লাসে ছেলে মেয়ে উভয়ের একসাথে ছিল...সেখানে একটা ছেলে তার দিকে তাকায় থাকতো তারও ছেলেটাকে ভালো লাগতো...কিন্তু কোনদিন তাদের সেভাবে কথা ও হয়নি...কিন্তু ফ্রেন্ড দের মাধ্যমে দুইজনই জানতো ওরা দুইজন দুইজনকে পছন্দ করে।।মেয়েটাও বিয়ে করার নিয়ত ছিল,তখন দ্বীন নিয়ে তেমন কিছুই জানা ছিল না
তারপর বড় হতে হতে মেয়েটা চঞ্চল ছিল তো, তার বাসার টিচার তাকে পছন্দ করতো আর সে কৌতূহলী ছিল এসব ব্যাপারে মনে মনে ভাবতো কিন্তু কোনদিন সেই টিচারের সাথে এসব নিয়ে কথা বলেনি।
এছাড়াও কলেজ লাইফ ঢুকার আগে সে জাস্ট একটা ছেলেকে পছন্দ করে রাখছে তাকেই বিয়ে করবে এইভেবে, এটা তার বান্ধবী সেই ছেলের বান্ধবী কে বলে দিছিল আর মেয়েটা ওই ছেলের পোস্টে অনেকসময় রিয়েক্ট দিত আবার মাঝে মধ্যে কথা বলার চেষ্টা করতো তবে কোনই অশ্লীল কথা না স্বাভাবিক শালীন কথা। হাতে গোনা কয়বার এমন ছিল।
এখন মেয়েটা হীনমন্যতায় ভুগছে, সে এখন দ্বীন আজ কয়বছর ধরে পালন করে, সে আল্লাহওয়ালা কাউকে বিয়ে করতে চায়।
এখনকার সমাজে সচ্চরিত্রবান ছেলে পাওয়া কঠিন দেখে মেয়েটা যদি তার বায়োডাটার মধ্যে লিখে যে অতীতে কারো সাথে হারাম সম্পর্কে থাকলে যেন না যোগাযোগ করে, মেয়েও সচেতন ছিল এব্যাপারে তাহলে কী মিথ্যা হবে?
তাছাড়া সে লিখেছে নন মাহরামের সাথে অবাধ মেলামেশা ছিল না তার কী এটা মিথ্যা বলা হবে? কারণ সে বাসার টিচারের কাছে পড়ছিল
মেয়েটার তো অন্তরের যিনা, চোখের যিনা পর্যন্ত হইসিল।এক্ষেত্রে মেয়েটার বায়োডাটাতে একথা লিখা কী মিথ্যার শামিল হবে যে,মেয়েটা হারাম রিলেশনশিপ করে নাই বা এসব থেকে সচেতন ছিল?
তাছাড়া এদের মধ্যে একটা ছেলে সেই ছোট বেলা থেকে এখন বসে আছে মেয়েটার জন্য মেয়েটাকে অনলাইনে আকারে ইঙ্গিতে বুঝায় কিন্তু সে দ্বীনদার না। আর ওই মেয়ে চায় ছেলেটা যেন তার জন্য বসে না থাকে তাই সে নন মাহরাম দেখে তাকে ম্যাসেজ দেয় নাঔ কিন্তু পোস্ট করে স্টোরি দিয়ে বুঝাইছ যে সে দ্বীনদার কাউকে বিয়ে করতে চায়।
এক্ষেত্রে কী গুনাহ হইসে? আর মেয়েটা এমনেওতেও ছেলেটার প্রতি আগে থেকে দূর্বল কিন্তু রিলেশনে জড়ায়নি, মেয়েটার কষ্ট হয় আল্লাহর কাছে দোয়া করি যেন তিনি উত্তম ফয়সালা করে দেয়।
আর কীভাবে অন্তর থেকে এই ছেলেকে সরানো যাবে যেন কোনভাবেই তার ব্যাপারে কষ্ট না আসে?