আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
72 views
in ওয়াসওয়াসা by (7 points)
closed by
আসসালামুআলাইকুম
আমি একটি চরম সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।দয়া করে আমাকে বাঁচান।আমি শয়তানের ধোকাই পরে ক্লাস নাইনে একাধিক মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল।কিন্ত ফিজিক্যাল হয়নি কখনো।তবে ঘরেছি কথা বলেছি।আমার কলেজ লাইফেও এমন হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আমি আমার ছাত্রীর সাথে খারাপ কাজ করে ফেলি।কিন্ত আমার লিঙ্গ প্রবেশ করাই নি এবং সে দেখেও নি।ও ছোট ছিল ক্লাস নাইনে পড়তো।ওর শরীর পুরোটাই দেখেছি আরও খারাপ কাজ করেছি কিন্ত লিঙ্গ দেই নি।তারপরেও আমি থেমে থাকি নি।ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মেয়ের সাথে বিয়ের কথা চলছিল আমার। বিয়ের আগেই খুবই জঘন্য কথাবার্তা বলেছি ওর সাথে কিন্ত শরীর দেখাইনি দুজনেই।আসলে আমার খারাপ ছবির দেখার নেশা ছিল।কিন্ত আলহামদুলিল্লাহ এই বছর থেকে খারাপ কাজ করি নাই এখন পর্যন্ত।
সমস্যাই পড়লাম আমি নিয়ত করেছি বিয়ের জন্য। শয়তানের ধোকাই পড়ে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের 99 শতাংশ শিক্ষার্থী প্রেম করে।কেউ ফিজিক্যাল হয় এবং কেউ শুধু হাত ধরে,গালে চুমু খাই কিন্ত সতীত্ব ঠিক রাখে।

আমার যে মেয়ের সাথে কথা হয়েছে বিয়ের জন্য সে আমার বয়সে একবছরের বড়।মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ে।ওর এলাকার এক ছাত্রের সাথে 2019 সালে একটা সম্পর্ক ছিল এবং সেটা ভেঙ্গে গেছে যখন ও আল্লাহ এবং সুন্নাহ মেনে চলে।কারণ ঐ ছেলেটা সিগারেট খাইতো,পর্ণ দেখতো,তারপর একদিন ওর বান্ধবীরা দেখছিলো অন্য মেয়ের হাত ধরে ঘুরতে।তাই 2020 সাল থেকে ও আর কোনো ছেলের সাথে কথা বলে না।ঐ মেয়ে আল্লাহর কছম করে বলেছে যে কোনো প্রকার টান নাই ঐ ছেলের প্রতি,মেয়ে এখনো সতী অর্থাৎ কোনো নগ্ন ছবি এমনকি ,খারাপ কথাবার্তাও হয় নি সেই একবছরে।আবার মেয়ে বলতেছে যে আল্লাহরে বলতাম যদি ঐ ছেলে ভালো না হয় তাহলে যেনে জীবন থেকে চল যায় এবং তাই ঐ ছেলে চলে গেছে।সেই মেয়ে নিজের ইচ্ছাতেই আমারে এসব ঘটনা বলেছে এবং আল্লাহর নামে কছম কেটে।ওর কথা ও এখনো পবিত্র যার সাথে আমার প্রথম ফিজিক্যাল এটাচমেন্ট হবে।তাছাড়া ঐ ছেলেই তাকে চলে যেতে বলেছে।মেয়ের কথা আমার সাথে এই দুমাসে যে কথা হয়েছে বা মায়্ জন্ম নিয়েছে তাদের ঐ সম্পর্ক ছিলোই না

মেয়েটা আমার ঘটনা কিছুই জানে না।আমি আসলে ওর ডেডিকেশন দেখেছি আমার প্রতি,আমার পরিবারের প্রতি,আবার ইসলামের প্রতিও। ।আজকালকার মেয়ে তো এসব গোপন ও করতে পারতো।আমিই তো আমার ঘটনা বলি নাই।এই জন্য আমার ও মনে হচ্ছে আল্লাহ যা পাঠাচ্ছেন তা কবুল করি।কিন্ত মনের ভেতর কেমন যেন করতেছে আমার।আমি কিন্ত পাপ করলেও পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি মানে ইসলামের বিধিনিষেধ অনেক আগে থেকেই মেন চলি।আসলে আমরা আসলে দুইজন মোটামুটি কথাও দিয়েছি এই শাওয়াল মাস পরিবারকে জানিয়ে বিয়ে করবো।ঐ মেয়ের মা রাজি বাব শুধু রাজি না।এখন মেয়ের কথা আমারে ওর ভালো লেগেছে আমাকেই চাই সে।আর আমার ও পছন্দ। আমাদের কুফুও মিলেছে।

আপনারাই বলেন আমি এখন কি করবো?আমার কি করা উচিত। আর আল্লাহ যেন আমারে মাফ করেন দুআ করবেন

আমি আমার আগের গুনাহগুলোর জন্য খুবই অনুতপ্ত
জাযাকল্লাহ খইরন
closed

1 Answer

–1 vote
by (806,640 points)
selected by
 
Best answer

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
তাওবাহর দ্বারা আল্লাহ পাক সকল প্রকার গোনাহকে ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ তা'আলা বলেন,
قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚ إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
বলুন, হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(সূরা যুমার-৫৩) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1048

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনি আল্লাহর কাছে তাওবাহ করুন। তাওবাহ সকল প্রকার গোনাহকে ক্ষমা করে দেয়। নিজের ভবিষ্যত জীবনের কল্যাণ চেয়ে চেয়ে আল্লাহর কান্না করে করে আল্লাহর কাছে দু'আ করুন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...