বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ফিতরা কার উপর ওয়াজিব?
وهي واجبة على الحر المسلم المالك لمقدار النصاب فاضلا عن حوائجه الأصلية كذا في الاختيار شرح المختار، ولا يعتبر فيه وصف النماء ويتعلق بهذا النصاب وجوب الأضحية، ووجوب نفقة الأقارب هكذا في فتاوى قاضي خان.
ভাবার্থ-নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়ভার ব্যতীত প্রত্যেক নেসাব (৭.৫ ভড়ি স্বর্ণ/৫২.৫ ভড়ি রূপা বা রূপার সমমূল্য) পরিমাণ মালের মালিক স্বাধীন মুসলমানের উপর সদকায়ে ফিতর ওয়াজিব।
এক্ষেত্রে বাড়ন্ত মাল হওয়া জরুরী নয়।শুধু তাই নয়, বরং এ পরিমাণ মালের মালিকের উপর কোরবানী ও নিকটাত্মীয়দের ব্যয়ভার গ্রহণ ওয়াজিব। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/১৯২)
নাবালক সন্তানের মাল থাকলে, নাবালক সন্তানের উপর সদকায়ে ফিতির ওয়াজিব হবে। তার অভিভাবক তার মাল থেকে সদকায়ে ফিতির আদায় করবে। হ্যা, অভিভাবক নিজ মাল থেকেও আদায় করতে পারবে। তবে যদি নাবালক সন্তানের মাল না থাকে, তাহলে তার পিতার উপর সদকায়ে ফিতির ওয়াজিব হবে, যদি পিতা নেসাব পরিমাণ মালের মালিক থাকে, নতুবা ওয়াজিব হবে না। কিন্তু মা নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হলে, মায়ের উপর ওয়াজিব হবে না।হ্যা, তিনি চাইলে নিজ পক্ষ্য থেকে আদায় করতে পারবেন।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1811
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যার উপর কুরবানী ওয়াজিব হয়, তার উপর ফিতরাও ওয়াজিব হয়।
সাদাকাতুল ফিতর ওয়াজিব নয় ( অর্থাৎ নিসাব সম্পদের মালিক নয়) এমন ব্যক্তি যদি নিজের ফিতরা নিজে আদায় করতে চায়, তাহলে সেটা সে পারবে। নিঃস্ব এবং গরীবদেরকেই ফিতরা দিতে হবে। যারা যাকাত গ্রহণের উপযুক্ত তারাই ফিতরা গ্রহণের উপযুক্ত। ঈদের নামাযের পূর্বেই ফিতরা আদায় করা সুন্নত। হ্যা, ঈদের নামাযের পরও ফিতরা আদায় করা যাবে।