ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) ইতিকাফরত অবস্থায় কাপড়ে সামান্য নাপাকি লাগলে নতুন কাপড় পরতে হবে। হ্যা, যদি অন্য কোনো কাপড় না থাকে, তাহলে ঐ ব্যক্তির জন্য কাপড় ধৌত করার নিমিত্তে মসজিদের বাহিরে যাওয়ার অনুমোদন থাকবে।
(২) তারাতারি একটু গায়ে পানি ঢালা যাবে। এই সময়ে মাথায় সাবান বা শ্যাম্পু দেওয়া যাবে না।
(৩) ইতিকাফে খাওয়ার শেষে অজুর উদ্দেশ্যে গিয়ে হাত ধৌত করলে ইতিকাফ ফাসিদ হবে না।
অথবা রুমে জগে হাত ধৌত করার পর অজুর সময় পানি বাথরুমে ফেলে জগটা হালকা পানি দিয়ে ধৌত করা যাবে। এভাবে ইতিকাফ ফাসিদ হবে না।
(৪) মেয়েরা ঘরের মসজিদেই ইতিকাফ করবে। মসজিদে ইতিকাফের জন্য যাবে না। যদি কোথাও শুধুমাত্র নারীরাই ইতিকাফ করেন, তাহলে মাস'আলা মাসাঈল শিক্ষার নিয়তে সেখানে ইতিকাফ করার রুখসত থাকবে। অবশ্যই পর্দা পুশিদার সম্পূর্ণ এহতেমাম থাকতে হবে।
(৫) কজিনদেরকে ঈদের সালামি সওয়াবের নিয়তে দিলে অবশ্যই সওয়াব পাওয়া যাবে। তাদের অবস্থা তেমন উন্নত না হলে তাদেরকে যাকাত ফিতরা দেওয়া যাবে। তবে তারা নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হলে তখন কিন্তু দেওয়া যাবে না।
(৬) যদি কোনো কজিনের অবস্থা ভালো থাকে তাহলে সওয়াবের নিয়তে নফল দান সদকাহ সালামি হিসেবে দেওয়া যাবে। তবে যাকাত ফিতরা দেওয়া যাবে না।
(৭) ছোট কজিনদের বা বড় নফল দান সদকাহ করা যাবে যদিও তারা সামর্থ্যবান হোক না কেন। তবে সামর্থ্যবান হলে যাকাত ফিতরা দেওয়া যাবে না।
(৮) ঘুরতে নেওয়ার সময় যে সকল কজিন বেপর্দা যায়, তাদের নিয়ে যাওয়া উচিত হবে না। এবং জায়েযও হবে না। সেখানে স্পটে গিয়ে তারা ছবি তুললে এতে করে আপনিও দায়বদ্ধ থাকবেন।যদিও গোনাহ তাদেরই হবে। আপনার উচিত ওদেরকে ফোর্স করে হিজাব পরিয়ে নিয়ে যাওয়া। তাদের খুশি কমে যাক, তারপরও হেজাব পরিয়ে নিয়ে যাবেন। ধীরে ধীরে তারা অভ্যস্ত হয়ে যাবে।
(৯) আত্মীয়দের বাসায় বেড়াতে গেলে যদি কিছু নিয়ে যাওয়া হয়, তাহলে এতে সওয়াব পাওয়া যাবে।
(১০) আপনার বাবা বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তাঁর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখার জন্য বিভিন্ন ব্যাংক থেকে যেই উপহার পাঠানো হয়,বা খাবারদাবার, ক্যালেন্ডার ইত্যাদি পাঠানো, সেগুলো গ্রহণ করা যাবে না।