আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
69 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (7 points)
اَلسَّلاَمْ عَلَيْــــــــــــــــــــكُمْ وَ رَحْمَةُ اللہِ وَبَرَكَاتُهُ

একটা ভিডিও তে দেখেছি যে।চুল পড়া কমানোর আমল।যেটি বিশ্বাস এর সাথে,অর্থাৎ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার ওপর বিশ্বাস রেখে আমল টি করলে নাকি চুল পড়া বন্ধ হবে।

অজু করে, যেকোনো তেলে,কিন্তু যাতে নাপাক বস্তু না থাকে।তারপর সেই তেলের বোতলের মুখ খুলে সামনে রেখে,আর এই পরিমাণ তেল রাখতে বলা হয়েছে যাতে কমপক্ষে ২১ দিন ব্যবহার করা যায়।তারপর বসে ৩ বার দুরুদে ইবরাহীম। এরপর ৪১ নাম্বার সুরার,সুরা হামিম সেজদার ৪৪ নাম্বার আয়াত পড়তে বলা হয়েছে,তারপর কুল হুয়া লিল্লাজিনা আমানু হুদাও ওয়া শিফাহ আয়াতের এই অংশটুকু ৪১ বার পড়ে,পুনরায় আবার ৩ বার দুরুদে ইবরাহীম পড়তে বলা হয়েছে।আর এটিও বলা আছে যে,একদম পরিপূর্ণ বিশ্বাস আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার ওপর রেখে আমল করতে হবে।

এখন আমার প্রশ্ন হলো যে এই আমল টি করলে কি বিদায়াত হবে??

আর যদি এই আমল টি না করা যায়,তাহলে চুল পড়া বন্ধ,এবং চুলের গোড়া মজবুত,চুল সুন্দর হওয়ার কোনো আমল আছে কি??আমার অনেক চুল পড়ে।মাঝে মাঝে অনেক বেশিই চুল পড়ে।আবার মাঝে মাঝে কম।দয়া করে বলবেন ইং শা আল্ল-হ।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহাম।
জবাবঃ-
এসবই অভিজ্ঞতালব্দ বিষয়। কোনটিই দ্বীনের বিষয় নয়। বা কুরআন ও হাদীস থেকে প্রমাণিত বিষয় নয়। এসবকে কেউ সওয়াবের কাজও মনে করে না। বরং প্রয়োজন পূরণের একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। যেমন ডাক্তারের সাজেশন অনুপাতে ঔষধ সেবন। তা’ই ডাক্তারের পরামর্শ অনুপাতে পথ্য সেবন যেমন হারাম ও বিদআত নয়, তেমনি কতিপয় দুনিয়াবী উদ্দেশ্য হাসিলের আশায় বুযুর্গদের অভিজ্ঞতালব্দ উপরোক্ত খতম/দু'আ পড়াও হারাম বা বিদআত নয়।
হ্যাঁ, এসবকে সুন্নত মনে করা, কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত পদ্ধতি মনে করা বিদআত। এমনিতে আমল করতে কোন সমস্যা নেই।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1286


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নে উল্লেখিত চুল না পড়ার আমলটি সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়।তবে বুজুর্গানে কেরামের বর্ণিত পথ ও মত হিসেবে আমল করা যেতে পারে। কিন্ত সুন্নত মনে যাবে না। সুন্নত মনে করলে বিদআত হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...