আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
69 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (4 points)
স্বামী ও স্ত্রী ১. "একটি রেস্টুরেন্টের ভেতর একটি রুম আছে এবং সেই রুমের ভেতরে আরেকটি রুম আছে যা চারপাশ থেকে ঘেরা। সেই রুমের পেছনের দিকে একটি দরজা আছে যেখান দিয়ে ওয়েটাররা যেকোনো সময় প্রবেশ করতে পারে; দরজাটি লক করা থাকে না। ডান পাশে তিনটি লম্বা টেবিল আছে যেগুলোর তিন পাশে পার্টিশন দেওয়া মানে 3 সাইড বন্ধ টেবিল ;তার মানে টেবিলটি তিন দিক থেকে বন্ধ এবং সেখানে বসে কেউ কী করছে তা বাইরে থেকে দেখা যায় না। ঐ টেবিলগুলোতে অন্য কাপলরাও থাকে, কিন্তু কেউ যদি সামনে দাঁড়ায় বা বের হওয়ার চেষ্টা করে, তবে তাদের দেখা যায়। বের হওয়ার পথটি টেবিলের বাম পাশে (খোলা দিক)। একদম শেষ প্রান্তে বা পেছনের ঐ দরজা দিয়ে ওয়েটাররা যেকোনো সময় আসে; বাম পাশে হাঁটার জন্য অল্প জায়গা আছে যেখান দিয়ে তারা খাবার পরিবেশন করতে আসে। আমার মনে নেই আমরা প্রথম টেবিলে ছিলাম কি না, তবে আমরা সবসময় মাঝখানের টেবিলে বসতাম। সামনের ব্যক্তিটি যদি বের হওয়ার চেষ্টা করত, তবে সে আমাদের দেখতে পেত। রুমটি অনেক অন্ধকার ছিল, তবে গেট খুললে সামান্য আলো ভেতরে আসত। যেখানে আমরা ২.৫ থেকে ৩.৫ ঘণ্টা বসতে পারতাম। সেখানে আমাদের মধ্যে কিছু ঘনিষ্ঠতা (চুম্বন, আলিঙ্গন এবং স্পর্শ) হয়েছিল কিন্তু আমরা কখনো শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হইনি।


এখন আমার প্রশ্ন হলো:


১. বর্ণিত পরিস্থিতিতে কি খলওয়াতে সহীহা (বৈধ নির্জনতা) সংঘটিত হয়েছে? ধরুন সেখানে অন্য কোনো কাস্টমার নেই, শুধু আমরাই আছি, কিন্তু যেকোনো সময় নতুন কাস্টমার চলে আসতে পারে (তাদের প্রবেশের জন্য অনুমতির প্রয়োজন নেই) এবং ওয়েটারেরও কোনো অনুমতির প্রয়োজন হয় না। এছাড়া, যদি আমরা একদম সামনের টেবিলে বসতাম যেখানে ওয়েটার আসা ছাড়া আর কাউকে ভেতরে ঢুকতে বা বের হতে দেখা যায় না এবং সেখানে আমাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা হতো কিন্তু মিলন না হতো, তবে কি সেটা 'খলওয়াতে সহীহা' হিসেবে গণ্য হবে?"


২. উক্ত রেস্টুরেন্টের বাহিরে সেখানে একটা ওয়াশরুম ছিল রেস্টুরেন্টের (রেস্টুরেন্ট 5 তলায়) বাহিরে থেকে একটু দূরে যেখানে যে কেউ যেতে পারে সেখানে ওয়াশরুম এ


আমার হাজব্যান্ড গিয়েছিল ওয়াশরুমে ভিতরে টয়লেট ও কিন্তু আমি বাইরে ওয়াশরুম এ দাঁড়িয়ে ছিলাম কিন্তু ওখানে কেউ ছিলনা যদিও তখন ভিতরে যেতে পারতাম কিন্তু এইসব তো মাথায় আসে নাই বা মনে নেই কিন্তু ইচ্ছা ও ছিলনা ওইদিক কেউ ছিল না তখন আসে পাশে আর ওয়াশরুম এর দরজা লাগানো ছিল কিন্তু লক না তখন তাহলে কি খলওয়াতে সহীহা হবে?


৩. "যদি কেউ ধানমন্ডি লেকের আশেপাশে হাঁটে বা ঘুরে বেড়ায়, তবে কি খলওয়াতে সহীহা হয়? কারণ সেখানে সময়ে সময়ে কম-বেশি মানুষ থাকে। এছাড়া, যদি দুজন ব্যক্তি লিফটে ওঠে বা সিঁড়িতে একা থাকে ;যদিও সিঁড়িতে যেকোনো সময় যে কেউ চলে আসতে পারে তবে কি তা খলওয়াতে সহীহা গঠন করে?"


৪. "এবং যদি ভিডিও কলেও দুজন দুজনকে নগ্ন অবস্থায় দেখে, তবে কি সেটা খলওয়াতে সহীহা?"


৫.বৃষ্টির কারণে রিকশার চারপাশ ছাতা দিয়ে এমনভাবে ঢেকে রাখা হয়েছে যে ভেতরটা একদম দেখা যাচ্ছে না। একজন রিকশাচালক সেই রিকশাটি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবং ভেতরে স্বামী-স্ত্রী একত্রে বসে আছেন তাহলে কি খালওয়াত সহিহা হবে?


আপনি বলেছেন খালওয়াত সহিহা হয়নি

তাহলে আমার প্রশ্ন হলো উপরোক্ত পরিস্থিতি এর পর যদি স্বামী তালাক তালাক তালাক বলে এবং তার 1 মাস পর যদি আবার 3 তালাক বলে এবং কয়দিন পর পর অনেক কিনায়া শব্দ বলে তাহলে কি পরের তালাক ও কয়দিন পর পর এর কেনায়া শব্দ গুলোর কোনো মূল্য আছে আমরা কি আবার বিয়ে করতে পারব 2 জন 2 জন কে ???? আর আমাদের কয়টা তালাক বাকি থাকবে???


আমার 2 দিন পর বিয়ে ওয়াসওয়াসা না বলে দোয়া করে উত্তর দিন আর প্রশ্ন করব না মানসিক সমস্যা তে আছি একটু দোয়া করা জানান আমি এইটা নিয়ে প্রশ্ন করি নাই এর আগে দোয়া করে জানান

1 Answer

0 votes
by (805,290 points)


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...