ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১ ) সুলাইমান নামের একজনকে নিয়ে কথা বলার সময় ভুলে সুলাইমান (আলাইহিস সালাম) কেউ বলে ফেললে তখন অন্য কেউ হেসে ফেললে ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না।
(২) মসজিদে চা-বিস্কুট খাওয়ার সময় বিস্কুটের গুড়া কার্পেটের ভিতর ঢুকিয়ে মজার ছলে বললে যে, পিঁপড়ার রিজিকের ব্যবস্থা করেছি, এজন্য ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না।
(৩) অতঃপর টিস্যু দিয়ে পরিষ্কার করলে যদি কেউ মজা করে বলে, আপনি পিঁপড়ার রিজিক নষ্ট করছেন, এজন্য আল্লাহ (رب العالمين) এর কাছে জবাব দিতে হবে। এই কথা বলার কারণে তার ঈমানেও কোনো সমস্যা হবে না।
(৪) অনলাইনে ক্লাস করার সময় যদি কোনো সাথী বলে, যে حسبك করা যাক । তারপর حسبك الله ونعم الوكيل বলে এবং হেসে দেয়, যদি তার উদ্দেশ্য হয়, حسبك الله ونعم الوكيل কে নিয়ে উপহাস করা তাহলে ঈমান চলে যাবে। তবে সাধারণত এমনটা নিয়তে থাকে না, তাই তার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না।
(৫) কারো প্রশংসা করলে অনেকে যে "نعوذ بالله"
"لا حول ولا قوه الا بالله" ও "استغفر الله"
হেসে হেসে বলে, এতে তাদের ঈমানে সমস্যা হবে না।
সংক্ষেপে সাজানো প্রশ্ন: এবং তার উত্তর,
অনেক সময় কেউ আতর লাগিয়ে দেয়, কলম ব্যবহার করতে দেয় বা হঠাৎ খাবার দেয়। আমি জানি না এগুলো হালাল টাকায় কেনা কি না। তবুও ব্যবহার করেছি এবং মনে মনে নিয়ত করেছিলাম সওয়াবের নিয়ত ছাড়া দান করবো। কিন্তু এখন এসবের হিসাব ঠিকমতো মনে নেই।
প্রশ্নগুলো:
(৬) আনুমানিক একটা পরিমাণ (যেমন ৫০০ বা ৩০০০ টাকা) ধরে ধীরে ধীরে তা দান করা যাবে।
(৭) যদি মোট টাকার পরিমাণ বেশি হয়, তাহলে কি ১০/২০ বছর পরে সওয়াবের নিয়ত ছাড়া দান করা যাবে। যথাসম্ভব দ্রুত সদকাহ করে নেওয়াই ভালো।
(৮) সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও দেরি করে (১০/২০ বছর পরে) এই জিনিস গুলো ব্যবহার করার জন্য সওয়াবের নিয়ত ছাড়া দান করা হালাল হবে।