ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
হযরত আনাস বিন মালিক রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-
حَدَّثَنَا أَبُو الْجَهْمِ الْأَزْرَقُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا الْمُسْتَلِمُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ الْحَجَّاجِ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْأَنْبِيَاءُ أَحْيَاءٌ فِي قُبُورِهِمْ يُصَلُّونَ
হযরত আনাস বিন মালিক রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন, নবীগণ তাদের কবরে জীবিত। তারা সেখানে নামায পড়েন।(মুসনাদে আবী ইয়ালা, হাদীস নং-৩৪২৫) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/46627
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) নবীজি(সা.) কবরে জীবিত। এবং শহীদগণও কবরে জীবিত।
নবীগণ কবরে জীবিত। তবে তারা দুনিয়ার জীবিত মানুষের মত নয়। বরং বলা যায় যে, তাদের শরীরের সাথে রুহের সম্পর্ক রয়েছে।এই সম্পর্কটা ঘুমন্ত মানুষের মত।অর্থাৎ একজন ঘুমন্ত মানুষের শরীরের সাথে তার রুহ যেভাবে থাকে, ঠিক সেইভাবে নবীদের শরীরের সাথে তাদের রুহের সম্পর্ক
নবীজি (সা.) এর কাছে দরুদ পাঠালে তিনি জবাব দেন, সালাম দিলে উত্তর দেন। কিন্তু অন্যান্য কথা কি তিনি শোনেন? প্রতিউত্তরে বলা যায় যে, তিনি আল্লাহ শোনালে তিনি শুনতে পারেন।
(২) যদি কেউ স্বপ্নে নবীজি(সা.) এর সাথে কথাবার্তা বলতে দেখে, তাহলে এর ব্যাখ্যা হচ্ছে, তাদের স্বপ্নযোগে যোগাযোগ বাস্তবিকই হয়েছে। তাদের ইহকালিন ও পরকালিন কল্যাণ হবে।
(৩) একটা উর্দু নাশিদ আছে-
'ইয়া নাবি মুঝপে ভি এক নিগাহে কারাম, তুঝকো ভেজা গায়া হ্যায় কারাম কে লিয়ে'- এখানে যেহেতু নবীজি(সা.) এর কাছে দয়া চাওয়া হচ্ছে, তাই নাশিদকে সংশোধন করে নিতে হবে।
তবে পরকালের শাফাআত নিয়ে হলে সমস্যা নেই। নবীজি(সা.) কবরে জীবিত থাকলেও তার থেকে সাহায্য চাওয়া শিরক। তবে নবীজি সাঃ এর মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করা বা নবীজি সাঃ কে উসিলা নির্ধারণ করা শিরক হবে না।