ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ্ তা‘আলা যালিমদের জন্য জাহান্নামে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছেন। যা তাকে গ্রহণ করতেই হবে।
আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
«إِنَّا أَعْتَدْنَا لِلظَّالِمِيْنَ نَارًا، أَحَاطَ بِهِمْ سُرَادِقُهَا، وَإِنْ يَّسْتَغِيْثُوْا يُغَاثُوْا بِمَاءٍ كَالْـمُهْلِ يَشْوِيْ الْوُجُوْهَ، بِئْسَ الشَّرَابُ، وَسَاءَتْ مُرْتَفَقًا»
‘‘আমি যালিমদের জন্য জাহান্নাম প্রস্ত্তত রেখেছি। যার বেষ্টনী তাদেরকে পরিবেষ্টন করে থাকবে। তারা পানি চাইলে তাদেরকে দেয়া হবে গলিত ধাতুর ন্যায় পানি। যা তাদের মুখমণ্ডল পুড়িয়ে দিবে। এটা কতই না নিকৃষ্ট পানীয় এবং সে জাহান্নাম কতই না নিকৃষ্ট আশ্রয়’’। (কাহ্ফ : ২৯)
আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন:
«وَسَيَعْلَمُ الَّذِيْنَ ظَلَمُوْا أَيَّ مُنْقَلَبٍ يَّنْقَلِبُوْنَ»
’’অত্যাচারীরা শীঘ্রই জানবে কোথায় তাদের গন্তব্যস্থল!’’ (শু‘আরা’ : ২২৭)
আবূ যর গিফারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন: আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:
يَا عِبَادِيْ! إِنِّيْ حَرَّمْتُ الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِيْ وَجَعَلْتُهُ بَيْنَكُمْ مُحَرَّمًا فَلَا تَظَالَـمُوْا.
‘‘হে আমার বান্দাহ্রা! নিশ্চয়ই আমি আমার উপর যুলুম হারাম করে দিয়েছি অতএব তোমাদের উপরও তা হারাম। সুতরাং তোমরা পরস্পর যুলুম করো না’’। (মুসলিম ২৫৭৭)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার দাদু এবং ফুফু মিলে আপনার বড় আম্মুর সাথে যা করছেন,এর শাস্তি অবশ্যই তাদেরকে ভোগ করতে হবে। দুনিয়াতেও ভোগ করতে হবে এবং আখিরাতেও ভোগ করতে হবে।
(১) আমার বড় আম্মু যে তার বাবার বাড়ি গিয়ে দেড় বছর ছিলেন, এজন্য তাদের বৈবাহিক জীবনে কোনো সমস্যা হবে না। তালাক হবে না।
(২) আপনার বড় আম্মুকে তাহাজ্জুদের নামায পড়ার জন্য বলবেন। আল্লাহ উনাকে সাহায্য করুক। আমীন।