ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আকিকা করার পর এর গোশত স্বাভাবিকভাবে নিজেরাও খেতে পারেন এবং আত্মীয়স্বজন, পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব, ফকির-মিসকিনদের মধ্যেও বণ্টন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো নিয়ম রাসুলের (সা.) হাদিসের মধ্যে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়নি। যেহেতু এটি সবাইকে নিয়ে উৎসবের মতো একটি বিষয়, আনন্দের বিষয়, সে ক্ষেত্রে একান্ত যেসব আত্মীয়স্বজন আছে, তাদের সঙ্গে গোশত ভাগাভাগি করাই হচ্ছে উত্তম। এ ক্ষেত্রে আপনি আকিকার গোশত ভাগ করে লোকদের মধ্যে বণ্টন করে দিতে পারেন।
আরেকটি কাজও করা যেতে পারে। সেটি হলো আকিকার গোশত রান্না করে সবাইকে খাওয়ানোর আয়োজন করতে পারেন।
কুরবানীর গোস্ত যেমন তিন ভাগ করে এক ভাগ, নিজের জন্য রাখা, এক ভাগ গরীবকে দেয়া, একভাগ আত্মীয়দের মাঝে বন্টন করা উত্তম। আবার ইচ্ছে করলে পুরোটাই নিজের জন্য রাখা জায়েজ আছে। তেমনি আকীকার গোস্তেরও একই বিধান।
তিন ভাগ করে নিজের, আত্মীয় ও গরীবদের দেয়া। বা নিজেই পুরোটা রেখে দেয়া। সবই জায়েজ।
আকীকার গোস্ত বন্টন নিয়ে আলাদা চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। এক সাথেই রাখা যাবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/8473
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
ছেলে সন্তানের আকিকার জন্য দুইটি ছাগল এতিমখানা বা কোন মাদ্রাসায় দিলেও হবে। এখানে এমন কোনো শর্ত নেই যে, সবার সামনেও জবাই দিতে হবে বা আকিকা দাতার সামনে রান্না করতে হবে। তবে পারিশ্রমিক হিসেবে আকিকার গোশত কাউকে দেয়া যাবে না।