আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
49 views
in সাওম (Fasting) by (9 points)
আমার নানীর বয়স ৯০+ এবং তার বার্ধক্যজনিত শারীরিক সমস্যা আছে। এবারের রমজানে প্রথম ৩ টা ফরজ রোজা রাখার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং আর রোজা রাখতে পারেননি। এমতাবস্থায় তার কাফফারা কিভাবে হিসাব/আদায় করবো? শুনেছি প্রতিটি রোজার জন্য একটা করে ফিতরা আদায় করতে হবে। সেক্ষেত্রে এবারের সর্বনিন্ম ফিতরার নির্ধারিত টাকা অনুযায়ী দিতে পারবো? টাকা দিয়ে আদায় করলে হবে? এখন তো ঈদ শেষ কোথায় দিব এই টাকা, এলাকার মাদ্রাসায় কি এই টাকা দেয়া যাবে?

1 Answer

+1 vote
by (806,640 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
রোযার ফিদয়া
যদি কোনো শরয়ী উজরে কারো ফরয রোযা ক্বাযা হয়ে যায়,তাহলে তার হুকুম হল, সে পরবর্তীতে তার ক্বাযা আদায় করে নেবে।
ক্বাযার পূর্বেই যদি সে মারা যায়,অথবা যদি বার্ধক্যর দরুণ রোযা রাখা তার জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে দাড়ায়,
তাহলে এক্ষেত্রে বিধান হল সে রোযার পরিবর্তে ফিদয়া আদায় করবে।

যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ 
ﺃَﻳَّﺎﻣًﺎ ﻣَّﻌْﺪُﻭﺩَﺍﺕٍ ۚ ﻓَﻤَﻦ ﻛَﺎﻥَ ﻣِﻨﻜُﻢ ﻣَّﺮِﻳﻀًﺎ ﺃَﻭْ ﻋَﻠَﻰٰ ﺳَﻔَﺮٍ ﻓَﻌِﺪَّﺓٌ ﻣِّﻦْ ﺃَﻳَّﺎﻡٍ ﺃُﺧَﺮَ ۚ ﻭَﻋَﻠَﻰ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻳُﻄِﻴﻘُﻮﻧَﻪُ ﻓِﺪْﻳَﺔٌ ﻃَﻌَﺎﻡُ ﻣِﺴْﻜِﻴﻦٍ ۖ ﻓَﻤَﻦ ﺗَﻄَﻮَّﻉَ ﺧَﻴْﺮًﺍ ﻓَﻬُﻮَ ﺧَﻴْﺮٌ ﻟَّﻪُ ۚ ﻭَﺃَﻥ ﺗَﺼُﻮﻣُﻮﺍ ﺧَﻴْﺮٌ ﻟَّﻜُﻢْ ۖ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ ]] ٢: ١٨٤ ]
গণনার কয়েকটি দিনের জন্য অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে, অসুখ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোজা পূরণ করে নিতে হবে। আর এটি যাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করবে। যে ব্যক্তি খুশীর সাথে সৎকর্ম করে, তা তার জন্য কল্যাণ কর হয়। আর যদি রোজা রাখ, তবে তোমাদের জন্যে বিশেষ কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পার। [সূরা বাকারা-১৮৩-১৮৪] এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/80867


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে আপনার নানী রোযা রাখতে অক্ষম হওয়ায় তিনি রোযা রাখতে পারেননি। এখন তিনি রমজান পরবর্তীও যদি রোযা রাখতে অক্ষম হন, তাহলে প্রতিটি রোযার পরিবর্তে একটি করে ফিদয়া আদায় করবেন। একটি রোযার ফিদয়া হল, একটি ফিতরা সমপরিমাণ টাকা। সর্বনিম্ন পরিমাণ ১১০ টাকা। গরীব মিসকিনকে দিতে হবে। মাদরাসার গরীব ছাত্রদেরকে দেওয়া যাবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 73 views
...