বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ঘন্টা হারাম হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে তা মিউজিক সাদৃশ হওয়া যার থেকে মানুষ চিত্তবিনোদিত হয়,বা তাদের ধারণা অনুযায়ী ঐ তাবিজ সাদৃশ হওয়া যেটা পশুকে সমস্ত বিপদাপদ থেকে রক্ষা করে।অথচ এরকম আক্বিদা-বিশ্বাস ইসলামে নিষিদ্ধ। কেননা সমস্ত কিছুর দানকারী ও মালিক একমাত্র আল্লাহ তা'আলা।
তাই আমরা এ কথা বলতে পারবো যে,
কলিংবেল বা ডোরবেল বা রিংটোন সাধরণত উক্ত নিষিদ্ধতার আওতাধীন হবে না। তবে যদি তাতে মিউজিক বা শ্রুতিকঠোর আওয়াজ থাকে তবে তা নিষিদ্ধতার আওতাধীন হয়ে হারাম হবে। এ জন্য নিষিদ্ধতার ছায়া থেকে বাছতে সতর্কতামূলক এমন আওয়াজ সম্পন্ন বেল ক্রয় করাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিৎ ও কর্তব্য, যাতে কোনোপ্রকার মিউজিক বা শ্রুতিকঠোর আওয়াজ কিংবা কোরআনের আয়াত হবে না। কোরআনের আয়াত থাকলে কোরআনের অসম্মান প্রশ্নে তাও হারামের আওতাধীন হবে। বাংলা কোনো কথা বা লাগাতার নয় এমন কোনো শ্রুতিমধুর ওয়ান্স রিং সম্বলিত ডোরবেল বা এলারম ঘড়ি বা মোবাইল রিং ব্যবহার করা যাবে।তা হারাম হবে না।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বাসায় বাতাস-ঘণ্টি (Wind Chime) তে যদি মিউজিক থাকে, তাহলে সেটা লাগানো জায়েয না। তাছাড়া মিউজিক না থাকলেও অনুচিত।
"ঘণ্টা হলো শয়তানের বাদ্যযন্ত্র"
এজন্য অপ্রয়োজনে ঘরে এ জাতীয় ঘণ্টা ঝুলিয়ে রাখা বা পশুর গলায় ঘণ্টা বাঁধা কোনোটাই উচিত হবে না। পরিত্যাগ করাই শ্রেয়।