আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
99 views
in পবিত্রতা (Purity) by (71 points)
আসসালামু আলাইকুম, শাইখ

(২) সর্দি পেকে যখন গাড় হলদেটে হয়, এটা তো প্রায় সবারই হয়। তাহলে কি সেটা নাপাক হবে? যদি এর সাথে ব্লাডের কোন লাল চিন্হিত ফোঁটা থাকলে তো বুঝতেই পারব যে এটা নাপাক।

কিন্তু এই পেকে যাওয়া হলদে সর্দির সাথে কোন ব্লাডের লাল চিহ্ন থাকেনা, কিন্তু সর্দির কালার গাড় হলুদেটে ভাব হয়। তাহলেও কি এই সর্দি নাপাক হবে?

(২) চাল, ডাল এবং খাদ্যদ্রব্যের পোকা অথবা সবজি অবশিষ্টাংশ কেটে রাখলে ময়লা জমে তার থেকে যে কিলবিল করা সাদাসাদা পোকা/ যেকোন কালারের পোঁকা এগুলো তো নাপাক হবেনা তাইনা?

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
و في حاشية ابن عابدين تحت قوله (ولم يخرج) 
وفي السراج عن الينابيع: الدم السائل على الجراحة إذا لم يتجاوز. قال بعضهم: هو طاهر حتى لو صلى رجل بجنبه وأصابه منه أكثر من قدر الدرهم جازت صلاته وبهذا أخذ الكرخي وهو الأظهر. وقال بعضهم: نجس، وهو قول محمد اهـ ومقتضاه أنه غير ناقض لأنه بقي طاهرا بعد الإصابة، وإن المعتبر خروجه إلى محل يلحقه حكم التطهير من بدن صاحبه فليتأمل
ইবনে আবেদীন রাহ, আরেকটু পরিস্কার করে লিখেন,যখমে প্রবাহিত রক্ত যখন সেটা তার স্বস্থানকে ত্যাগ করবে না,তখন অজু ভঙ্গ হবে না।কেউ কেউ এই রক্তকে পবিত্র রক্ত বলে থাকেন।এমনকি যদি এমন রক্ত যখমে থাকাবস্থায় উক্ত ব্যক্তির পাশে কেউ নামায পড়ে নেয়,এবং পাশের ব্যক্তির শরীর বা কাপড়ে এক দিরহাম থেকে বেশী উক্ত রক্ত লেগে যায়,তাহলেও উক্ত ব্যক্তির নামায হবে।এটাই ইমাম কারখী রাহ এর মত।এটাই বিশুদ্ধতম অভিমত।তবে কিছু সংখ্যক উলামায়ে কেরাম বলেন,এই রক্ত অপবিত্র।এটা ইমাম মুহাম্মদের মত।

উপরের আলোচনার সারমর্ম হল, উক্ত রক্ত বের হলে অজু ভঙ্গ হবে না। বের হওয়ার পর স্বস্থান ত্যাগ করে অন্যত্র গড়িয়ে গেলে অজু ভঙ্গ হবে।(শেষ)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2142

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
যদি জমাট বাধা রক্ত এই পরিমাণের হয় যে, তা প্রবাহিত হবে,তাহলে অজু নষ্ট হয়ে যাবে।নতুবা অজুর কোনো সমস্যা হবে না।


(১) সর্দি পেকে যখন গাড় হলদেটে হয়, এটা তো প্রায় সবারই হয়। তাহলে সেটা নাপাক হবে না। যদি এর সাথে ব্লাডের কোনো চিহ্ন থাকে, তাহলেও নাপাক হবে না। তবে রক্তের আধিক্য থাকলে তখন নাপাক হিসেবে বিবেচিত হবে।  

(২) চাল, ডাল এবং খাদ্যদ্রব্যের পোকা অথবা সবজি অবশিষ্টাংশ কেটে রাখলে ময়লা জমে তার থেকে যে কিলবিল করা সাদাসাদা পোকা/ যেকোন কালারের পোঁকা, এগুলো নাপাক নয়। তবে এগুলো খাওয়া নাজায়েয হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (71 points)
জাঝাকাল্লাহু খইর শাইখ।

শাইখ, এটা একটু কষ্ট করে দেখবেন শাইখ ইনশা আল্লাহ। 

 একটা টিকটিকি আটকা পড়েছে ওকে মারতে চাচ্ছি। এখন মারার পরের যে সাদা রক্ত/ টিকটিকির পেটের ময়লা লাগবে সেসব কি নাপাকি হবে? টিকটিকির রক্ত কি প্রবাহিত হয়? টিকটিকির রক্ত কি প্রবাহিত রক্তের হুকুমে হবে?
by (805,980 points)
টিকটিকির পায়খানা বা শরীরের রক্ত ইত্যাদি নাপাক।নাজাসতে গালিজার অন্তর্ভুক্ত। 
by (71 points)
আসসালামু আলাইকুম, শাইখ আমি প্রশ্ন আর করতে পারছিনা এই মাসে। একটু দ্রুত উত্তরটি জানাবেন কষ্ট করে ইনশা আল্লাহ, অগ্রীম জাঝাকাল্লাহু। 

“রোজা অবস্থায় প্রস্রাবের পর লজ্জাস্থান পানি দিয়ে পরিষ্কারের পর যদি শুকনা কাপড় দিয়ে লজ্জাস্থান ভালোভাবে পরিষ্কার করে আনা হয়। তারপর আনার পানি দিয়ে ধুলেই আর কোন পিচ্ছিলতাই থাকেনা আলহামদুলিল্লাহ।

 তাহলে এই কাপড় দিয়ে মোছার দরুন কি রোজা ভেঙ্গে যাবে? লজ্জাস্থান পানি দিয়ে ধোয়ার পরে তো পানি চলে যায়, কাপড় দিয়ে পরিষ্কারের দরুন কি ওই পানিতে ভেজা ভাব কি লজ্জাস্থানের গভীরে চলে যাবে কি?

পানি দিয়ে বারবার ধুলেও সাদাস্রাবের সময় গুলোতে এবং এমনি সাধারণ সময় গুলোতেও লজ্জাস্থানের পিচ্ছিলভাব সহজে যায়না। আর ধোয়ার পর টিস্যু পেপার দিয়ে মুছলে টিস্যু পেপারের অংশগুলো ভেতরে লেগে গেলে থাকে।

লজ্জাস্থান পানি দিয়ে ধুয়ে শুকনা কাপড় দিয়ে মোছার পর তারপর লজ্জাস্থান পানি দিয়ে পুনরায় ধুই তাতে আলহামদুলিল্লাহ আর কোন পিচ্ছিল ভাব  থাকেনা, যার ফলে এক অজু দিয়ে সালাতগুলোতে উঠাবসা করার সময়ে কোন স্রাব ব্যতীতই পড়া যায় আলহামদুলিল্লাহ। 

তো ওই ভেজা লজ্জাস্থান শুকনো কাপড় দিয়ে ক্লিন করে আনার দরুন কি আমার রোজা ভেঙ্গে যাবে?”
by (805,980 points)
প্রশ্নের বিবরণমতে রোযাতে কোনো সমস্যা হবে না।
by (71 points)
জাঝাকাল্লাহু খইর 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...