ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
জরুরতে আসলী তথা জীবন পরিচালনার সাধারণ উপকরণ বা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষের অতিরিক্ত জিনিষ যদি ঘরে থাকে,যা বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করার পরও ৫২.৫ ভড়ি রুপা সমপরিমাণ সম্পদ হাতে থাকবে, তাহলে কুরবানি ওয়াজিব হবে।নতুবা কুরবানি ওয়াজিব হবে না।তবে কুরবানি করা ভালো(কিতাবুল-ফাতাওয়া-৪/১৩৪)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যদি আপনার প্রয়োজন অতিরিক্ত কোনো জিনিষ থাকে,যা এই মুহুর্তে বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করার পরও এ পরিমাণ টাকা আপনার নিকট বাকী থাকবে,যার কারণে আপনার উপর কুরবানি ওয়াজিব হয়ে যায়।যেমন ৫২.৫ ভড়ি রূপা সমপরিমাণ টাকা যদি আপনার নিকট অবশিষ্ট থাকে,তাহলে আপনার ভাইয়ের উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে।নতুবা কুরবানি ওয়াজিব হবে না।
কুরবানি ব্যক্তির উপর ওয়াজিব হয়,ফ্যামিলির উপর ওয়াজিব হয় না।সুতরাং আপনার যদি নেসাব পরামাণ টাকা থাকে(ক্রমবর্ধমান হোক বা না হোক) আপনার উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/2627
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার নিকট কিছু টাকা জমা আছে, পাশাপাশি আপনার নিকট জমার সমপরিমাণ বা বেশী ঋণও রয়েছে। এই ঋণ থাকার কারণে আপনার উপর বর্তমানে কুরবানি ওয়াজিব হচ্ছে না। হ্যা, আপনার নিকট যদি এছাড়াও আরো কিছু সম্পদ থাকে, চায় সেটা অক্রমবর্ধমান- ই হোক না কেন? সেগুলো যদি নেসাব পরিমাণ হয়, তাহলে আপনার উপর অবশ্যই কুরবানি ওয়াজিব হবে। তবে যদি এছাড়া আর কোনো সম্পদ না থাকে, তাহলে আপনার উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে না।
কসর অবস্থায় তথা মুসাফির অবস্থায় জু্ম্মার নামাযও ওয়াজিব নয়। সময় সুযোগ থাকলে জুম্মার সুন্নত নামায পড়ে নেয়াই উচিত ও উত্তম।