আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
44 views
in কুরবানী (Slaughtering) by (3 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্ ওস্তাদ।আমি এই বছর কুরবানী করার নিয়তে কিছু টাকা জমা করেছি। আমার কিছু ঋণ আছে, যে টাকা জমা করেছি সেটা দিয়ে সব ঋণ পরিশোধ হবে না। এ অবস্থায় আমার উপরে কুরবানী করা জায়েজ হবে কি না? আর কসর অবস্থা জুমার নামাজের সুন্নত পড়তে হবে কি না?

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
জরুরতে আসলী তথা জীবন পরিচালনার সাধারণ উপকরণ বা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষের অতিরিক্ত জিনিষ যদি ঘরে থাকে,যা বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করার পরও ৫২.৫ ভড়ি রুপা সমপরিমাণ সম্পদ হাতে থাকবে, তাহলে কুরবানি ওয়াজিব হবে।নতুবা কুরবানি ওয়াজিব হবে না।তবে কুরবানি করা ভালো(কিতাবুল-ফাতাওয়া-৪/১৩৪)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যদি আপনার প্রয়োজন অতিরিক্ত কোনো জিনিষ থাকে,যা এই মুহুর্তে বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করার পরও এ পরিমাণ টাকা আপনার নিকট বাকী থাকবে,যার কারণে আপনার উপর কুরবানি ওয়াজিব হয়ে যায়।যেমন ৫২.৫ ভড়ি রূপা সমপরিমাণ টাকা যদি আপনার নিকট অবশিষ্ট থাকে,তাহলে আপনার ভাইয়ের উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে।নতুবা কুরবানি ওয়াজিব হবে না।
কুরবানি ব্যক্তির উপর ওয়াজিব হয়,ফ্যামিলির উপর ওয়াজিব হয় না।সুতরাং আপনার যদি নেসাব পরামাণ টাকা থাকে(ক্রমবর্ধমান হোক বা না হোক) আপনার উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2627


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার নিকট কিছু টাকা জমা আছে, পাশাপাশি আপনার নিকট জমার সমপরিমাণ বা বেশী ঋণও রয়েছে। এই ঋণ থাকার কারণে আপনার উপর বর্তমানে কুরবানি ওয়াজিব হচ্ছে না। হ্যা, আপনার নিকট যদি এছাড়াও আরো কিছু সম্পদ থাকে, চায় সেটা অক্রমবর্ধমান- ই হোক না কেন? সেগুলো যদি নেসাব পরিমাণ হয়, তাহলে আপনার উপর অবশ্যই কুরবানি ওয়াজিব হবে। তবে যদি এছাড়া আর কোনো সম্পদ না থাকে, তাহলে আপনার উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে না।

কসর অবস্থায় তথা মুসাফির অবস্থায় জু্ম্মার নামাযও ওয়াজিব নয়। সময় সুযোগ থাকলে জুম্মার সুন্নত নামায পড়ে নেয়াই উচিত ও উত্তম।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...