আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
85 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (68 points)
আসসালামু আলাইকুম
আমাকে মাঝে মাঝে ঘুমের মাঝে বোবায় ধরে,আজকে যখন ধরেছিল আমি একটা হাত আমাকে ধরে রেখেছে সেটা খুব ভালোভাবেই অনুভব করেছি। আরও এরকম কয়েকবার আমি হাতের স্পর্শ অনুভব করেছি।
বোবায় ধরার পর, যে চাপ অনুভব হয়েছে সেটা সরে যাওয়ার পর আমি একটা স্বপ্ন দেখলাম। স্বপ্নটা এমন,আমার একজন প্রতিবেশী আন্টি উনার ২ মেয়েকে নিয়ে আমাদের বাসায় বেড়াতে এসেছে। এই ২ মেয়ের মধ্যে একজন যার বয়স ১৫-১৬ হবে,খুব ছোট বেলা থেকেই সে দ্বীনদার,অত্যন্ত কঠোরভাবে পর্দা করে কিন্তু স্বপ্নে দেখলাম সে বোরখা ছাড়া এসেছে,মাথায় ঘোমটাও নেই। আমি খুব অবাক হয়ে আন্টিকে বলছি,বোরখা ছাড়া সে রাস্তা দিয়ে আমাদের বাসায় আসল। আন্টি বললো সে বোরখা পড়তে চাচ্ছেনা,আর কথাও বলেনা প্রশ্ন করলে।আমি তখন বুঝতে পেরেছি ওর মাঝে জ্বীনের কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে,এজন্যই অস্বাভাবিক আচরণ,বদনজর হতে পারে যেহেতু তার দ্বীনদারীত্ব ঈর্ষনীয় ।  সেজন্যই আন্টি আমাদের কাছে নিয়ে এসেছে এসব বলার জন্য এরকম। তখন সেই মেয়েটা আমাকে ওঠে বলে, তুমি কি এখন সূরা বাক্বারা পড়বা? সূরা বাক্বারা পইড়ো না। এ কথা শুনে আমি ১০০% শিউর হয়েছি তার জ্বীনের প্রবলেম। তখন সে আমার হাত ধরে রাখছে,আবার আমাকেও ধরে রাখতে চাচ্ছে,সে অনেকটা ভয়ে আছে যদি আমি সূরা বাকারা পড়ে ফেলি। এই অবস্থায় আমি বলতেছি,সূরা বাক্বারা পড়লে কি সমস্যা? পরে বলে হ্যা। আমি ভাবছিলাম এখনই পড়া শুরু করে দিব,আমার কাছে মনে হচ্ছিল মেয়েটা কথা বললেও আমি আসলে ওর সাথে থাকা জ্বীনের সাথেই কথাগুলো বলছি। এই অবস্থায় আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়।
আমি সকাল সন্ধ্যায় নিয়মিত মাসনুন আমল করে,ইদানিং মাঝে মাঝে রাতের বেলা ৩ কুল পড়া মিস হয়। এছাড়া সাধ্যমত দ্বীনের পথে চলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।
এই স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে চাচ্ছি।

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
জবাবঃ- 
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم

হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيْدٍ حَدَّثَنَا الْمُفَضَّلُ بْنُ فَضَالَةَ عَنْ عُقَيْلٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ كُلَّ لَيْلَةٍ جَمَعَ كَفَّيْهِ ثُمَّ نَفَثَ فِيْهِمَا فَقَرَأَ فِيْهِمَا(قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ)وَ (قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ) وَ (قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ) ثُمَّ يَمْسَحُ بِهِمَا مَا اسْتَطَاعَ مِنْ جَسَدِهِ يَبْدَأُ بِهِمَا عَلَى رَأْسِهِ وَوَجْهِهِ وَمَا أَقْبَلَ مِنْ جَسَدِهِ يَفْعَلُ ذَلِكَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ

‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, প্রতি রাতে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিছানায় যাওয়ার প্রাক্কালে সূরাহ ইখ্লাস, সূরাহ ফালাক ও সূরাহ নাস পাঠ করে দু’হাত একত্র করে হাতে ফুঁক দিয়ে যতদূর সম্ভব সমস্ত শরীরে হাত বুলাতেন। মাথা ও মুখ থেকে আরম্ভ করে তাঁর দেহের সম্মুখ ভাগের উপর হাত বুলাতেন এবং তিনবার এরূপ করতেন। [বুখারী শরীফ ৫০১৭.৫৭৪৮, ৬৩১৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৪৮)

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত স্বপ্ন আপনার মনের কল্পনা প্রসূত বলে মনে হচ্ছে।

তদুপরি স্বপ্নে আপনাকে বোবা ধরেছিলো,স্বপ্নে জীন সংশ্লিষ্ট অনেক কিছু আপনি দেখেন,এগুলো ভয়ংকর  স্বপ্ন।
আপনি নেককারদের সাথে উঠাবসা করবেন।

পরামর্শ থাকবে, 
আপনি পাক বিছানায় ঘুমানোর চেষ্টা করবেন।
আপনি যেই অবস্থায় থাকুন না কেনো,প্রত্যেক রাতে ঘুমানোর আগে অযু করবেন,আয়াতুল কুরসী পড়বেন,তিন কুল তিনবার পড়ে পুরো শরীর তিনবার ফুক দিবেন।
,
ইনশাআল্লাহ আর কোনো সমস্যা হবেনা। 

আরো জানুনঃ- 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...