আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
এই রমাদান এ যখন আমার হায়েজ শুরু হয়, তখন রাতে আমি জীন ধারা আক্রান্ত হই, ঘুমাতে পারতাম না, রাতে পেরেশানী বেশি লাগতো। তাই না ঘুমিয়ে শুয়ে বা বসে ফোন থেকে কুরআন এর অনুবাদ পড়া শুরু করলাম, সেহরী পর্যন্ত পড়তাম। তো এই রকম ই একদিন যখন পড়ছিলাম তখন মনে হলো যে কুরআন এ কত কিছু জানা আছে, এই গুলো মানুষের জানা দরকার। তখন আমার খেয়ালে আসলো যে আমি কুরআন এর বাংলা অনুবাদ আর সাথে তাফসীর যা দেওয়া আছে, কুরআন app থেকে কপি করে একটা বা যত গুলো পেজ লাগে, যেখানে ঘুছিয়ে, বোন দের গ্রুপ গুলো তে শেয়ার করবো, নিজের থেকে কিছু অ্যাড করবো না, আল্লাহ মাফ করুক, যেমন আছে অনুবাদ আর তাফসীর ঠিক ঐটাই দিবো। তো আবার ভাবতেছিলাম আমার এটা করা ঠিক হবে কিনা, ভয় লাগছিলো। তো সেহরী শেষ সময় তাতে দোয়া করছিলাম যে, আল্লাহ আমার যদি এই কাজ করা টা কল্যাণকর হয়ে থাকে তাহলে আমাকে এই কাজটা করার তৌফিক দাও, আর অকল্যানকর হয়ে থাকলে আমি ভুলিয়ে দাও এমন কিছু বলছিলাম। তো ঘুমানো পর দুপুরের দিকে কিছু স্বপ্ন দেখি। যার মধ্যে এটা একটা ছিলো যে।
স্বপ্নে দেখলাম, এক জয়গায়, বা এক মজলিশে ভারত থেকে এক বুজুর্গ আসছেন মানে যেনো দেওবান্ড থেকে আসছেন এমন কিছু , আমি দেখলাম তার দিকে, মুখে লম্বা সাদা দাড়ি, মাথায় ছোট কুরআন এর রেহেলের এর মতো ছিলো, ওইটা থেকে সাদা দেখতে রশির মতো বা চুল, মুখের দুই সাইড দিয়ে নেমে দাড়ি গুলোর নিচ দিয়ে বাধা, মুখ ফর্সা, আমি আমার স্বামীকে বললাম আমি দেখতেছি ওনাকে, এতো বড় বুজুর্গ ওনাকে দেখলে গুনাহ বা সমস্যা হবে নাতো। তারপর ওই বুজুর্গ ব্যক্তিকে মনে হয় দেখলাম চোখ বন্ধ করে একটু কান্নার মতো অবস্থা।
এর সাথে আরও কিছু স্বপ্ন দেখলাম, যেটা ঐদিন ই বাস্তবে ঘটেছে। এর পর পর আরও দুইদিন স্বপ্নে যা দেখতাম বাস্তবে তাই ঘটতো। এর পর বাড়িতে যাই একটুর সমস্যার জন্য। আর রাতে কুরআন পড়া হয়নি, আর এই সত্য স্বপ্ন গুলো দেখি নি। এখন আমি এই স্বপ্ন থেকে কি বুঝবো? আমার মনে যেটা ইচ্ছা জাগছিলো যে নিজের ভালো করে কুরআন এর অনুবাদ বুঝবো, আমল করবো, আর অন্যদের কাছেও টা পৌঁছিয়ে দিবো। আমি কি এখন এটা করতে পারবো?? এর পর যদিও মাথায় অনেক আইডিয়া আসতে থাকে যে একটা টেলিগ্রাম গ্রুপ খুলে ডেইলি একটা করে আয়াত, তাফসীর শেয়ার দিবো। এই রকম কত আইডিয়া আসতে থাকে।
একটু দয়া করে বলুন। এই রকম করা ঠিক হবে কিনা!!