ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহ তা'আলা বলে,
ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺟَﺎﺅُﻭﺍ ﻣِﻦ ﺑَﻌْﺪِﻫِﻢْ ﻳَﻘُﻮﻟُﻮﻥَ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟَﻨَﺎ ﻭَﻟِﺈِﺧْﻮَﺍﻧِﻨَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺳَﺒَﻘُﻮﻧَﺎ ﺑِﺎﻟْﺈِﻳﻤَﺎﻥِ ﻭَﻟَﺎ ﺗَﺠْﻌَﻞْ ﻓِﻲ ﻗُﻠُﻮﺑِﻨَﺎ ﻏِﻠًّﺎ ﻟِّﻠَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺇِﻧَّﻚَ ﺭَﺅُﻭﻑٌ ﺭَّﺣِﻴﻢٌ -
আর এই সম্পদ তাদের জন্যে, যারা তাদের পরে আগমন করেছে। তারা বলেঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদেরকে এবং ঈমানে আগ্রহী আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা কর এবং ঈমানদারদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রেখো না। হে আমাদের পালনকর্তা, আপনি দয়ালু, পরম করুণাময়।(সূরাঃ-হাশর-১০)
অত্র আয়াতে ঐ সমস্ত মুসলমান ভাইদের জন্য মাগফিরাতের দুআ করা হচ্ছে,এবং দু'আ করতে মুসলমাদেরকে শিক্ষা দেয়া হচ্ছে যারা এ নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে অনেক আগেই চলে গেছেন। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/8840
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
নিয়মিত সুরা মুলক তিলাওয়াতকারীকে কবরের আযাব থেকে মুক্তি দেয়া হবে।এই আমলের ফজিলত শুধু তিলাওয়াতকারীর জন্য সীমাবদ্ধ নয় বরং তিলাওয়াতকারী যদি তার পিতামাতা বা অন্য কারো জন্য ঈসালে সওয়াব করে, তাহলে যাকে ঈসালে সওয়াব করা হবে, সেও সওয়াব পাবে। তাকেও আল্লাহ কবরের আযাব থেকে মুক্তি দান করবেন।
সুরা ইখলাস ১০ বার তিলওয়াত করলে আল্লাহ জান্নাতে ঘর বানিয়ে দেন। এমন কোনো হাদীস সম্পর্কে আমাদের জানা নেই।
সন্তানের নেক আমল বাবা মায়ের কবরের আযাব প্রতিরোধ করতে পারে যদি আল্লাহ চান। সন্তানের দুআ বাবা মাকে জান্নাত পাইয়ে দিতে পারে। এমন সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেয়া যাবে না।
বাবা মা মারা গেলে তার সাথে থাকা কারীন জ্বীন সন্তানের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে না।
স্বপ্নের ব্যাখা
সন্তান তার বাবার জন্য ঈসালে সওয়াব করবে। আল্লাহ সন্তানের কল্যাণ করুক।আমীন।