১হুজুর আমি আগে ভালো কাজ করতাম না।মানে খারাপ কাজ করতাম নামায পরতাম না।আমার বয়স ও কম.কিন্তু হঠাৎ করে ভালো হয়ে জাই। নামায পরা শুরু করি প্রায় ১ বছর বা ৭-৮ মাস।যখন ভালো হওয়া শুরি করি তখন আমার ওয়াসওয়াসা রোগ শুরু হয়।তো এটা একটা সময়ে অনেক বেড়ে যায়। তাই আমার পরিবার কে এটা জানাই এবং তারা আমাদের পরিচিত একজন হুজুর উনি শায়খুল হাদিস এবং মুফতি, তাকে সব বলে।আমাদের বাসায় আসেন।সব নিয়ে কথা বলা হল।ওই হুজুর আমাকে কিছু জিনিস বললেন পরামর্শ দিলেন।উনি আমাকে কিছু দোয়া শিখালেন, আমল ও শিখালেন।তারপর দোয়া পড়ে পানি দেন,শরীরের তেল দেন।আমি সব ব্যবহার করি। পরে আবার হোমিওপ্যাথি ঔষধ দেন যেটার ঘ্রাণ নিতে হয়।সব অনুসরণ করে চলার পর আলহামদুলিল্লাহ আজ অনেক মাস ধরে এই টা নেই।মানে এখন এমন অবস্থা যে আর এত পবিত্র নিয়ে কোনো চিন্তা আসে না। আগে এতো ওয়াসওয়াসা ছিলো যে অনেক পবিত্র তা নিয়ে প্রশ্ন আস্তো কিন্তু এখন মনে হয় এতো কিছু করার দরকার নেই।কিন্তু এখন সব ওয়াসওয়াসা চলে গেলেও ফরজ গোসল এর ওয়াসওয়াসা রয়ে গিয়েছে।তাই কিছু পরামর্শ দিলে ভালো হইতো।
২.হুজুর আমার মাথার চুল তো বড়। এখন কিভাবে চুলের গোড়ায় কিভাবে পানি পৌছাবো?আর চুলের গোড়ায় না পানি গেলে কি ফরয গোসল হবে না?নিয়ম টা কি?
৩.কুলি করার সময় কি পুরো মুখ এর ভিতরে না ভিজলে কি গোসল হবে না?মানে দাতের নিচের মাড়ি,উপরের মাড়ি?আর গড়্গড়া ছাড়া কুলি করলে কি গোসল হবে না?
৪.নাকে যে লোম থাকে ওই লোম ও কি সবগূলো ভিজাতে হবে?
৫.হাত, পা এর আঙুলের ফাকে কি পানি পৌছাতে হবে? না পৌছালে কি ফরয গোসল হবে না?
৬.হুজুর কান,নাভির ভিতরেও কি পানি দিতে হবে?কিভাবে কান ও নাভি ভিজাবো মানে কোন পদ্ধতি মেনে ফরয গোসলে কান ও নাভি ভেজাবো?
৭.হুজুর আমি সব সময় এক হাতের কোষে পানি নিয়ে কুলি করি। কিন্তু ফরজ গোসল এ দুই হাতে নেই কারণ এক হাতে কম পানি তাই গোসলে সন্দেহ হবে।তাই কি এক হাতের কোষে নেওয়া সঠিক নাকি দুই হাতে একত্রে। আমি চাই অপচয় না হোক। সুন্নাত অনুযায়ী।
হুজুর আমার বয়স কম, আবার এসব তো কেওকে বলাও জায় না।ঐ হুজুর কে আবার ফরয গোসল এর এই সমস্যা নিয়ে বলি নাই। তার হুজুর এখন যদি এই উত্তর না দেন তাহলে দিন দিন এই জিনিস টা আরো বড় হবে। আমি চাই মুক্তি পেতে।তাই যদি বলতেন তাহলে সঠিক নিয়ম জানতাম।এবং এই সমস্যা থেকে পুরোপুরি বাচ তাম