হাদীস শরীফে এসেছেঃ
عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا أَنَّ عُمَرَ تَصَدَّقَ بِمَالٍ لَهُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَكَانَ يُقَالُ لَهُ ثَمْغٌ وَكَانَ نَخْلًا، فَقَالَ عُمَرُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي اسْتَفَدْتُ مَالًا وَهُوَ عِنْدِي نَفِيسٌ، فَأَرَدْتُ أَنْ أَتَصَدَّقَ بِهِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَصَدَّقْ بِأَصْلِهِ، لاَ يُبَاعُ وَلاَ يُوهَبُ وَلاَ يُورَثُ، وَلَكِنْ يُنْفَقُ ثَمَرُهُ»، فَتَصَدَّقَ بِهِ عُمَرُ،
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সময়ে ‘উমার (রাঃ) নিজের কিছু সম্পত্তি সদাকাহ করেছিলেন, তা ছিল, ছামাগ নামে একটি খেজুর বাগান। ‘উমার (রাঃ) বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি একটি সম্পদ পেয়েছি, যা আমার নিকট খুবই পছন্দনীয়। আমি সেটি সদাকাহ করতে চাই।’ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘মূল সম্পদটি এ শর্তে সদাকাহ কর যে তা বিক্রি করা যাবে না, দান করা যাবে না এবং কেউ ওয়ারিস হবে না, বরং তার ফল দান করা হবে। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) সেটি এভাবেই সদাকাহ করলেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং-২৭৬৪]
على أنهم صرحوا بأن مراعاة غرض الواقفين واجبة (رد المحتار، كتاب الوقف، مطلب: مراعاة غرض الواقفين يصلح مخصصا-6/665)
সারমর্মঃ ওয়াকফ কারীদের উদ্দেশ্য এর প্রতি রিয়ায়াত করা ওয়াজিব।
شرط الواقف كنص الشراع أى فى المفهوم والدلالة ووجوب العمل به (الدر المختار، كتاب الوقف، مطلب فى قولهم شرط الواقف كنص الشارع، ومطلب بيان مفهوم المخالفة-6/649، الأشباه والنظائر، كتاب الوقف، الفن الثانى، الفوائد-2/106، تنقيح الفتاوى الحامدية-1/126
সারমর্মঃ ওয়াকফ কারীর শর্ত,শরীয়ত প্রনেতার শর্তের মতোই।
فإذا تم ولزم لا يملك ولا يملك ولا يعار ولا يرهن،
وفى رد المحتار: لا يكون مملوكا لصاحبه ولا يملك أى لا يقبل التتمليك لغيره بالبيع ونحوه لا ستحالة تمليك الخارج عن ملكه (الفتاوى الشامية، كتاب الوقف-6/539)
সারমর্মঃ যখন ওয়াকফ পূর্ণ হয়ে যাবে,তাহলে সেটি আর বিক্রয় পরিবর্তন, ইত্যাদি করা যাবেনা।
প্রশ্নের বিবরণ মতে এক্ষেত্রে টাকা যারা দান করেছেন, তারা যেহেতু মক্তব দেয়ার জন্যই দান করেছিলেন, তাই আপনারা বেদে পল্লীতে মক্তব দিতে না পারলেও দেশের অন্য কোন জায়গায় মক্তব দিয়ে সে টাকা সেখানে ব্যয় করবেন।