বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আকিদার মধ্যে আল্লাহর জাত ও সিফাত ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হয়, আর আল্লাহর জাত ও সিফাত নিয়ে আলোচনা থেকে বিরত থাকতে হাদীসে বলা হয়েছে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রাযি থেকে বর্ণিত,
সারমর্মঃ রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,তোমরা আল্লাহকে নিয়ে চিন্তা ফিকির করবে না।বরং আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা গবেষণা করবে।(হিলয়াতুল আউলিয়া-৬/৬৬(আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব-৬৭৩)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি থেকে বর্ণিত,
عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: (تَفَكَّرُوا فِي آلَاءِ اللَّهِ، وَلَا تَفَكَّرُوا فِي اللَّهِ)
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,তোমরা আল্লাহর নিয়ামত নিয়ে চিন্তা গবেষনা করো। আল্লাহকে নিয়ে চিন্তা গবেষনা করবে না।(বায়হাক্বী-৯২৭, তাবারানি-১২১১১)(শেষ)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/12930
আমরা মানুষের ইবাদতের বিষয়ে পরামর্শ দেই।আপনি যে আকিদার কথা জিজ্ঞেস করেছেন, সেটা অত্যান্ত জটিল একটি বিষয়, তাছাড়া নিজের আখেরাতকে শংকা মুক্ত করতে এই আকিদা সম্পর্কে চুলচেরা গবেষণা করার বর্তমানে তেমন প্রয়োজনিয়তা অনুভব করছি না।আপনাকে একটা পরামর্শ দেই, আপনি তাবলীগে কিছুটা সময় ব্যয় করবেন।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) ইনশাল্লাহ যুক্ত করে বলার অর্থ হচ্ছে বর্তমানে আপনার পূর্ণ ইয়াকিন বিশ্বাস নেই, অথচ ঈমান হল, পূর্ণ আস্থা এবং ঈমান ও ইয়াকিনের সাথে আল্লাহর একত্ববাদের উপর বিশ্বাস রাখা।
(২) আল্লাহর জাত ও সিফাত এবং বিধিবিধানকে অস্বীকার করলেই মানুষ ঈমানহারা হয়,মুরতাদ হয়।
(৩) ঈমানের সাথে মৃত্যু হওয়ার জন্য সর্বদা নেক কাজ করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে।
(৪) অনলাইন ক্লাসে যদি কুরআন তিলাওয়াত করা হয়,তাহলে পাশাপাশি অন্য কোনো কাজ করলে অবশ্যই গোনাহ হবে। তবে কুরআন তিলাওয়াত ব্যতিত অন্যান্য ক্লাস হলে গোনাহ না হলেও অন্য কাজ করা কখনো সমুচিত হবে না। অযথা সময় অপচয়ের জন্য অবশ্যই জবাবদিহিতা করতে হবে।
(৫) আল্লাহ তা'আলা তাঁর নিজের জন্য যেসব সিফাত সাব্যস্ত করেছেন সেসব সিফাত সাব্যস্ত করা বিশ্বাস রাখলেই আখেরাতে নাজাতের জন্য যথেষ্ট হিসেবে বিবেচিত হবে।