ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) পৃথিবীতে কিয়ামতের পূর্বে যাকাত গ্রহণের মত লোকজন থাকবে না। এর পূর্ব পর্যন্ত যতদিন যাকাত গ্রহণের মত লোকজন থাকবে, ততদিন যাকাত ব্যতিতও গরীব মিসকিনদেরকে দান সদকাহ করা ফরযে কেফায়া এমনকি ক্ষত্রভেদে ফরযে আইনের পর্যায়ভুক্ত হবে।
(২) ফরযে কেফায় মানে যেকোনো একজন আদায় করে নিলে সবার উপর থেকে ফরয আদায় হয়ে যাবে।
যদি কেউই আদায় না করে, এবং কিছু লোক অনাহারে অর্ধাহারে মারা যায়, তাহলে উম্মতের সকল বিত্তশালীরা গোনাহগার হবে।
(৩) কেউ যদি বেকার হয়, দান না করার দরুণ সে গোনাহগার হবে না।
(৪) নিজের স্ত্রী সন্তান আত্নীয়স্বজনের খোরপোষ দেওয়ার পর সামর্থ থাকলে তখন ফরজ ওয়াজিব নফল দান বা খাবার খাওয়ানোর বিষয় টা আসবে।
(৫) ফরজে কেফায় মানে যেকোনো একজন আদায় করলে সবার আদায় হয়ে যাবে।