আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
14 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (110 points)
১।এখনকার বিশ্বের পরিস্থিতিতে কি কোনো যায়গায় দান করা বা খাবার খাওয়ানো ফরজে কেফায়া হবে?

২।নিজের খরচ করে, পরিবারের খরচ দিয়ে , যাকাত, কোরবানি, ফিতরা দেওয়ার পর নিচের পয়েন্ট গুলোর মত দান করে এবং  খাবার খাওয়ায় যদি  ফরজে কেফায়া হয় আদায় হবে কি না। যদি নিজে না গিয়ে কোনো সংস্থাকে টাকা দিলে সংস্থাটা আলেম ওলামাদের  আমার জানা মতে HAFEZZI CHARITABLE SOCIETY OF BANGLADESH  দান এবং খাবার খাওয়ানোর ফরজে কেফায়া  আদায় হবে কিনা।

(ক)মাসে ৮০ থেকে  এক লাখ বা তার উপরে দেড় লাখের নিচে  ইনকাম করলে মাসে ৪ -৫ হাজার নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর  ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি  ।

(খ)মাসে ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজারের মধ্যে  টাকা ইনকাম হলে মাসে ২-৩ হাজার টাকা নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর  ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি  ।

(গ)মাসে ২০ থেকে ৫০ হাজারের মধ্যে ইনকাম হলে মাসে ১-২ হাজার টাকা নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর  ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি  ।

(ঘ)মাসে ১০ থেকে ২০ হাজারের মধ্যে ইনকাম হলে মাসে  ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা নফল দান করার নিয়ত আছে সেটা যদি ফিলিস্তিন বা যেখানে সমস্যা আছে টাকা দিলে দান করার এবং খাবার খাওয়ানোর  ফরজে কেফায়া আদায় হবে কি  ।

(ঙ)মাসে ১০ হাজারের নিচে ইনকাম হলে মাসে কোনো  দান না করলে খাবার না খাওয়ালে ?

৩।কেউ যদি বেকার হয় তার কোনো প্রকার দান না করে  এবং খাবার না খাওয়ায় গোনাহ হবে কি?

৪। নিজের স্ত্রী সন্তান আত্নীয়স্বজনের খোরপোষ দেওয়ার পর সামর্থ থাকলে তখন ফরজ ওয়াজিব নফল দান বা খাবার খাওয়ানোর বিষয় টা আসবে?

৫।ফরজে কেফায় মানে যেকোনো একজন আদায় করলে সবার আদায় হয়ে যাবে?

1 Answer

0 votes
ago by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) পৃথিবীতে কিয়ামতের পূর্বে যাকাত গ্রহণের মত লোকজন থাকবে না। এর পূর্ব পর্যন্ত যতদিন যাকাত গ্রহণের মত লোকজন থাকবে, ততদিন যাকাত ব্যতিতও গরীব মিসকিনদেরকে দান সদকাহ করা ফরযে কেফায়া এমনকি ক্ষত্রভেদে ফরযে আইনের পর্যায়ভুক্ত হবে। 

(২) ফরযে কেফায় মানে যেকোনো একজন আদায় করে নিলে সবার উপর থেকে ফরয আদায় হয়ে যাবে।
যদি কেউই আদায় না করে, এবং কিছু লোক অনাহারে অর্ধাহারে মারা যায়, তাহলে উম্মতের সকল বিত্তশালীরা গোনাহগার হবে।

(৩) কেউ যদি বেকার হয়, দান না করার দরুণ সে গোনাহগার হবে না।

(৪) নিজের স্ত্রী সন্তান আত্নীয়স্বজনের খোরপোষ দেওয়ার পর সামর্থ থাকলে তখন ফরজ ওয়াজিব নফল দান বা খাবার খাওয়ানোর বিষয় টা আসবে।

(৫) ফরজে কেফায় মানে যেকোনো একজন আদায় করলে সবার আদায় হয়ে যাবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...